advertisement

ফল-সবজি শুধু জলেই পরিষ্কার করেন? এতেও কিলবিল করবে জীবাণু! এই সাদা গুঁড়ো মেশালেই কেল্লাফতে!

Last Updated:
ফল ও সবজি যতই তাজা দেখাক না কেন, তার গায়ে লুকিয়ে থাকতে পারে কীটনাশক, ধুলো-ময়লা ও অণুজীব। তাই খাওয়ার আগে সেগুলো সঠিকভাবে ধোয়া শুধু অভ্যাস নয়, প্রয়োজন। সামান্য অসাবধানতা থেকেই হতে পারে সংক্রমণ বা পেটের সমস্যা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু জল নয়—সঠিক পদ্ধতিতে ধুলেই মিলবে আসল সুরক্ষা।
1/9
ফল ও সবজি খাওয়ার আগে ভালো করে ধুয়ে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। চাষের সময় ফসলকে কীটপতঙ্গ, রোগ ও আগাছা থেকে বাঁচাতে নানা ধরনের কীটনাশক ও রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। এগুলো ফসল রক্ষা ও উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করলেও এর কিছু অংশ ফল ও সবজির গায়ে লেগে থাকতে পারে। অনেক সময় শুধু জল দিয়ে ধুলেই এই রাসায়নিক পুরোপুরি সরে যায় না, তাই সঠিক পদ্ধতিতে ধোয়া প্রয়োজন।
ফল ও সবজি খাওয়ার আগে ভালো করে ধুয়ে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। চাষের সময় ফসলকে কীটপতঙ্গ, রোগ ও আগাছা থেকে বাঁচাতে নানা ধরনের কীটনাশক ও রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। এগুলো ফসল রক্ষা ও উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করলেও এর কিছু অংশ ফল ও সবজির গায়ে লেগে থাকতে পারে। অনেক সময় শুধু জল দিয়ে ধুলেই এই রাসায়নিক পুরোপুরি সরে যায় না, তাই সঠিক পদ্ধতিতে ধোয়া প্রয়োজন।
advertisement
2/9
 বিশেষজ্ঞদের মতে, ফল ও সবজি ভালো করে ধোয়ার জন্য চলমান জলে ঘষে ধোয়া উচিত। প্রয়োজনে প্রোডিউস ব্রাশ ব্যবহার করা যেতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে হালকা বেকিং সোডার দ্রবণও ব্যবহার করা যায়, যা ফল ও সবজির গায়ে থাকা ময়লা ও কীটনাশকের অংশ কমাতে সাহায্য করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ফল ও সবজি ভালো করে ধোয়ার জন্য চলমান জলে ঘষে ধোয়া উচিত। প্রয়োজনে প্রোডিউস ব্রাশ ব্যবহার করা যেতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে হালকা বেকিং সোডার দ্রবণও ব্যবহার করা যায়, যা ফল ও সবজির গায়ে থাকা ময়লা ও কীটনাশকের অংশ কমাতে সাহায্য করে।
advertisement
3/9
Journal of Agricultural and Food Chemistry-এ প্রকাশিত এক গবেষণা অনুযায়ী, সাধারণ জলের তুলনায় বেকিং সোডা দিয়ে ফল ও সবজি ধোয়া অনেক বেশি কার্যকর। এতে শুধু রাসায়নিকই নয়, ধুলো-ময়লা, ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য অণুজীবও অনেকটাই দূর হয়। তাই স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সবসময়ই ফল বা সবজি খাওয়ার আগে ভালো করে ধোয়ার পরামর্শ দেন, যাতে সংক্রমণ ও পেটের সমস্যার ঝুঁকি কমে।
Journal of Agricultural and Food Chemistry-এ প্রকাশিত এক গবেষণা অনুযায়ী, সাধারণ জলের তুলনায় বেকিং সোডা দিয়ে ফল ও সবজি ধোয়া অনেক বেশি কার্যকর। এতে শুধু রাসায়নিকই নয়, ধুলো-ময়লা, ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য অণুজীবও অনেকটাই দূর হয়। তাই স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সবসময়ই ফল বা সবজি খাওয়ার আগে ভালো করে ধোয়ার পরামর্শ দেন, যাতে সংক্রমণ ও পেটের সমস্যার ঝুঁকি কমে।
advertisement
4/9
 মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড সেফটি প্রফেসর ও এক্সটেনশন এডুকেটর অ্যামি জনস্টন জানান, কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে বেকিং সোডা মেশানো জলে ফল ভিজিয়ে রাখলে নির্দিষ্ট কিছু কীটনাশক দূর করা সম্ভব। তবে এর কিছু ঝুঁকিও রয়েছে।
মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড সেফটি প্রফেসর ও এক্সটেনশন এডুকেটর অ্যামি জনস্টন জানান, কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে বেকিং সোডা মেশানো জলে ফল ভিজিয়ে রাখলে নির্দিষ্ট কিছু কীটনাশক দূর করা সম্ভব। তবে এর কিছু ঝুঁকিও রয়েছে।
advertisement
5/9
অ্যামি জনস্টনের মতে, বেকিং সোডা দিয়ে ফল ধোয়ার ক্ষেত্রে একটি বড় ঝুঁকি হল ‘থার্মাল শক’। যখন ফলের তাপমাত্রা ও জলের তাপমাত্রার মধ্যে বড় পার্থক্য থাকে, তখন জলের ব্যাকটেরিয়া ফলের ভিতরে ঢুকে যেতে পারে। ফলে সেই ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশের সম্ভাবনা থাকে। তাই তিনি ফলকে দীর্ঘক্ষণ ভিজিয়ে না রেখে অল্প সময়ের জন্য ডুবিয়ে ধুয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
অ্যামি জনস্টনের মতে, বেকিং সোডা দিয়ে ফল ধোয়ার ক্ষেত্রে একটি বড় ঝুঁকি হল ‘থার্মাল শক’। যখন ফলের তাপমাত্রা ও জলের তাপমাত্রার মধ্যে বড় পার্থক্য থাকে, তখন জলের ব্যাকটেরিয়া ফলের ভিতরে ঢুকে যেতে পারে। ফলে সেই ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশের সম্ভাবনা থাকে। তাই তিনি ফলকে দীর্ঘক্ষণ ভিজিয়ে না রেখে অল্প সময়ের জন্য ডুবিয়ে ধুয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
advertisement
6/9
বেকিং সোডা দিয়ে ফল ধোয়ার সঠিক পদ্ধতি হল—এক গ্যালন জলে এক চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে তাতে ফল ও সবজি হালকা ডুবিয়ে রাখা। বেকিং সোডা হালকা ডিটারজেন্টের মতো কাজ করে এবং ফলের গায়ে থাকা ময়লা আলগা করতে সাহায্য করে। তবে এটি ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে না, অর্থাৎ এটি কোনও স্যানিটাইজিং এজেন্ট নয়। তাই কয়েক সেকেন্ড হালকা নাড়াচাড়া বা ঘষার পর ঠান্ডা চলমান জলে ভালো করে ধুয়ে নেওয়া উচিত। দীর্ঘক্ষণ ভিজিয়ে রাখা ঠিক নয়, এতে ফলের স্বাদ ও গঠন বদলে যেতে পারে।
বেকিং সোডা দিয়ে ফল ধোয়ার সঠিক পদ্ধতি হল—এক গ্যালন জলে এক চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে তাতে ফল ও সবজি হালকা ডুবিয়ে রাখা। বেকিং সোডা হালকা ডিটারজেন্টের মতো কাজ করে এবং ফলের গায়ে থাকা ময়লা আলগা করতে সাহায্য করে। তবে এটি ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে না, অর্থাৎ এটি কোনও স্যানিটাইজিং এজেন্ট নয়। তাই কয়েক সেকেন্ড হালকা নাড়াচাড়া বা ঘষার পর ঠান্ডা চলমান জলে ভালো করে ধুয়ে নেওয়া উচিত। দীর্ঘক্ষণ ভিজিয়ে রাখা ঠিক নয়, এতে ফলের স্বাদ ও গঠন বদলে যেতে পারে।
advertisement
7/9
বেকিং সোডা জলে হালকা ফেনা তৈরি করে, যা ময়লা আলগা করতে সাহায্য করে। তবে জনস্টনের মতে, অধিকাংশ ফলের ক্ষেত্রে ঠান্ডা চলমান জলে ভালো করে ধোয়া সবচেয়ে কার্যকর ও বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক পদ্ধতি।
বেকিং সোডা জলে হালকা ফেনা তৈরি করে, যা ময়লা আলগা করতে সাহায্য করে। তবে জনস্টনের মতে, অধিকাংশ ফলের ক্ষেত্রে ঠান্ডা চলমান জলে ভালো করে ধোয়া সবচেয়ে কার্যকর ও বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক পদ্ধতি।
advertisement
8/9
বিভিন্ন ফল ধোয়ার আলাদা নিয়মও রয়েছে। যেমন—আপেল ও নাশপাতির মসৃণ ত্বক থাকায় এগুলো বেকিং সোডা জলে হালকা ডুবিয়ে ধোয়া যেতে পারে। আঙুরের ক্ষেত্রে ছাঁকনিতে রেখে হালকা নাড়িয়ে ধোয়া ভালো। কলার খোসা না খাওয়ায় ছাড়ানোর আগে জল দিয়ে ধুলেই যথেষ্ট। তরমুজ বা বাঙ্গির ক্ষেত্রে বাইরের খোসায় থাকা ব্যাকটেরিয়া কাটার সময় ভিতরে ঢুকে যেতে পারে, তাই এগুলো ভালো করে ধোয়া জরুরি। স্ট্রবেরি বা ব্লুবেরির মতো ফল বেশি সময় ভিজিয়ে রাখা উচিত নয়, এতে দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
বিভিন্ন ফল ধোয়ার আলাদা নিয়মও রয়েছে। যেমন—আপেল ও নাশপাতির মসৃণ ত্বক থাকায় এগুলো বেকিং সোডা জলে হালকা ডুবিয়ে ধোয়া যেতে পারে। আঙুরের ক্ষেত্রে ছাঁকনিতে রেখে হালকা নাড়িয়ে ধোয়া ভালো। কলার খোসা না খাওয়ায় ছাড়ানোর আগে জল দিয়ে ধুলেই যথেষ্ট। তরমুজ বা বাঙ্গির ক্ষেত্রে বাইরের খোসায় থাকা ব্যাকটেরিয়া কাটার সময় ভিতরে ঢুকে যেতে পারে, তাই এগুলো ভালো করে ধোয়া জরুরি। স্ট্রবেরি বা ব্লুবেরির মতো ফল বেশি সময় ভিজিয়ে রাখা উচিত নয়, এতে দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
advertisement
9/9
Generated image
সবশেষে বলা যায়, বেকিং সোডা দিয়ে ফল ধোয়া ময়লা ও কিছু রাসায়নিক দূর করতে সাহায্য করলেও এটি ব্যাকটেরিয়া নাশ করে না। তাই সন্দেহ থাকলে দীর্ঘক্ষণ ভিজিয়ে না রেখে ঠান্ডা চলমান জলে ভালো করে ধোয়া সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায়।
advertisement
advertisement
advertisement