advertisement

Blood Pressure Chart: কোন বয়সে কত থাকা উচিত ব্লাড প্রেশার...দেখে নিন চার্ট! মহিলা-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টা কিন্তু আলাদা, আগে চেক করুন

Last Updated:
সেই কারণেই আজকাল কম বয়সিদের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার মতো ঘটনা ঘটে৷ কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘটে যায় অঘটন৷ তাই, চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, কোন বয়সে কত ব্লাড প্রেশার বা উচ্চ রক্তচাপ থাকা উচিত তা জেনে রাখা অবশ্যই বাঞ্ছনীয়৷
1/9
আমাদের বর্তমানে যেমন জীবনযাত্রা, কাজের ভয়ঙ্কর চাপ, লঙ ওয়ার্কিং আওয়ার্স, খাদ্যাভ্যাস আমাদের জীবনে অত্যন্ত খারাপ প্রভাব ফেলে৷ তাই শুধুমাত্র প্রবীণেরাই নন, তরুণ-তরুণীরাও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় আক্রান্ত হন৷ কম বয়সিদের মধ্যে নিয়মিত রক্তচাপ মনিটর করার অভ্যাস বা প্রবণতাও থাকে না৷
আমাদের বর্তমানে যেমন জীবনযাত্রা, কাজের ভয়ঙ্কর চাপ, লঙ ওয়ার্কিং আওয়ার্স, খাদ্যাভ্যাস আমাদের জীবনে অত্যন্ত খারাপ প্রভাব ফেলে৷ তাই শুধুমাত্র প্রবীণেরাই নন, তরুণ-তরুণীরাও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় আক্রান্ত হন৷ কম বয়সিদের মধ্যে নিয়মিত রক্তচাপ মনিটর করার অভ্যাস বা প্রবণতাও থাকে না৷
advertisement
2/9
 সেই কারণেই আজকাল কম বয়সিদের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার মতো ঘটনা ঘটে৷ কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘটে যায় অঘটন৷ তাই, চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, কোন বয়সে কত ব্লাড প্রেশার বা উচ্চ রক্তচাপ থাকা উচিত তা জেনে রাখা অবশ্যই বাঞ্ছনীয়৷
সেই কারণেই আজকাল কম বয়সিদের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার মতো ঘটনা ঘটে৷ কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘটে যায় অঘটন৷ তাই, চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, কোন বয়সে কত ব্লাড প্রেশার বা উচ্চ রক্তচাপ থাকা উচিত তা জেনে রাখা অবশ্যই বাঞ্ছনীয়৷
advertisement
3/9
নয়াদিল্লির স্যর গঙ্গারাম হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ সনিয়া রাওয়াতের মতে, প্রাপ্তবয়স্কদের সিস্টোলিক প্রেশার ১২০ মিমি এইচজি এবং ডায়াস্টোলিক প্রেশার ৮০ মিমি এইচজি বা তার কম হওয়া উচিত। যদি আপনার রক্তচাপ ১২০/৮০ mm Hg হয়, তাহলে তা স্বাভাবিক। ব্লাড প্রেশার যদি ১৩০-৮০ mm Hg হয়, তাহলে তা বর্ডারলাইন। আর যদি তা ১৪০-৯০ অতিক্রম করে, সাবধান!
নয়াদিল্লির স্যর গঙ্গারাম হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ সনিয়া রাওয়াতের মতে, প্রাপ্তবয়স্কদের সিস্টোলিক প্রেশার ১২০ মিমি এইচজি এবং ডায়াস্টোলিক প্রেশার ৮০ মিমি এইচজি বা তার কম হওয়া উচিত। যদি আপনার রক্তচাপ ১২০/৮০ mm Hg হয়, তাহলে তা স্বাভাবিক। ব্লাড প্রেশার যদি ১৩০-৮০ mm Hg হয়, তাহলে তা বর্ডারলাইন। আর যদি তা ১৪০-৯০ অতিক্রম করে, সাবধান!
advertisement
4/9
ডক্টর সনিয়া রাওয়াতের মতে, নারী ও পুরুষের বয়স ও লিঙ্গ অনুযায়ী ব্লাড প্রেশার বা উচ্চ রক্তচাপের উচ্চ সীমায় সামান্য পার্থক্য রয়েছে। ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সিদের পুরুষদের সিস্টোলিক প্রেশার ১১৯ মিমি এইচজি এবং ডায়াস্টোলিক প্রেশার ৭০ মিমি এইচজি হওয়া উচিত। ১১৯/৭০ এই বয়সের স্বাভাবিক পরিসীমা হিসাবে বিবেচিত হয়।
ডক্টর সনিয়া রাওয়াতের মতে, নারী ও পুরুষের বয়স ও লিঙ্গ অনুযায়ী ব্লাড প্রেশার বা উচ্চ রক্তচাপের উচ্চ সীমায় সামান্য পার্থক্য রয়েছে। ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সিদের পুরুষদের সিস্টোলিক প্রেশার ১১৯ মিমি এইচজি এবং ডায়াস্টোলিক প্রেশার ৭০ মিমি এইচজি হওয়া উচিত। ১১৯/৭০ এই বয়সের স্বাভাবিক পরিসীমা হিসাবে বিবেচিত হয়।
advertisement
5/9
৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সি পুরুষদের সিস্টোলিক প্রেশার ১২০ মিমি এইচজি এবং ডায়াস্টোলিক প্রেশার ৭০ মিমি এইচজি হওয়া উচিত। অর্থাৎ, ১২০/৭০ mm Hg৷ এছাড়াও, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে পুরুষদের সিস্টোলিক রক্তচাপ ১২৪ mm Hg এবং ডায়াস্টোলিক প্রেশার ৭৭ mm Hg হওয়া উচিত। ১২৪/৭৭ এটাই স্বাভাবিক মাত্রা৷
৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সি পুরুষদের সিস্টোলিক প্রেশার ১২০ মিমি এইচজি এবং ডায়াস্টোলিক প্রেশার ৭০ মিমি এইচজি হওয়া উচিত। অর্থাৎ, ১২০/৭০ mm Hg৷ এছাড়াও, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে পুরুষদের সিস্টোলিক রক্তচাপ ১২৪ mm Hg এবং ডায়াস্টোলিক প্রেশার ৭৭ mm Hg হওয়া উচিত। ১২৪/৭৭ এটাই স্বাভাবিক মাত্রা৷
advertisement
6/9
৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সি পুরুষদের জন্য ১২৫ মিমি এইচজি সিস্টোলিক প্রেশার এবং ৭৭ মিমি এইচজি ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ স্বাভাবিক বলে মনে করা হয়। ৬০ থেকে ৬৫ বছর বয়সি পুরুষদের প্রেশার ১৩৩/৬৯ mm Hg পর্যন্ত স্বাভাবিক বলে মনে করা হয়। এর চেয়ে কম বা বেশি কোনওটা হলেই এটা সমস্যার লক্ষণ।
৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সি পুরুষদের জন্য ১২৫ মিমি এইচজি সিস্টোলিক প্রেশার এবং ৭৭ মিমি এইচজি ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ স্বাভাবিক বলে মনে করা হয়। ৬০ থেকে ৬৫ বছর বয়সি পুরুষদের প্রেশার ১৩৩/৬৯ mm Hg পর্যন্ত স্বাভাবিক বলে মনে করা হয়। এর চেয়ে কম বা বেশি কোনওটা হলেই এটা সমস্যার লক্ষণ।
advertisement
7/9
নারীদের কিন্তু পুরুষদের তুলনায় রক্তচাপের মাত্রায় সামান্য পার্থক্য রয়েছে। ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সি মহিলাদের সিস্টোলিক প্রেশার ১১০ mm Hg এবং ডায়াস্টোলিক প্রেশার ৬৮ mm Hg এর মধ্যে হওয়া উচিত। অর্থাৎ, ১১০/৬৮ mm Hg৷ এটি একটি স্বাভাবিক মাত্রা হিসাবে বিবেচিত হয়৷
নারীদের কিন্তু পুরুষদের তুলনায় রক্তচাপের মাত্রায় সামান্য পার্থক্য রয়েছে। ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সি মহিলাদের সিস্টোলিক প্রেশার ১১০ mm Hg এবং ডায়াস্টোলিক প্রেশার ৬৮ mm Hg এর মধ্যে হওয়া উচিত। অর্থাৎ, ১১০/৬৮ mm Hg৷ এটি একটি স্বাভাবিক মাত্রা হিসাবে বিবেচিত হয়৷
advertisement
8/9
 ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সি মহিলাদের সিস্টোলিক প্রেশার ১১০ mm Hg এবং ডায়াস্টোলিক প্রেশার ৭০ mm Hg হওয়া উচিত। অর্থাৎ, ১১০/৭০ mm Hg৷ এছাড়াও, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে মহিলাদের সিস্টোলিক প্রেশার ১২২ mm Hg এবং ডায়াস্টোলিক প্রেশার ৭৪ mm Hg হওয়া উচিত। অর্থাৎ, ১২২/৭৪ mm Hg৷
৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সি মহিলাদের সিস্টোলিক প্রেশার ১১০ mm Hg এবং ডায়াস্টোলিক প্রেশার ৭০ mm Hg হওয়া উচিত। অর্থাৎ, ১১০/৭০ mm Hg৷ এছাড়াও, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে মহিলাদের সিস্টোলিক প্রেশার ১২২ mm Hg এবং ডায়াস্টোলিক প্রেশার ৭৪ mm Hg হওয়া উচিত। অর্থাৎ, ১২২/৭৪ mm Hg৷
advertisement
9/9
৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সি মহিলাদের সিস্টোলিক প্রেশার ১২২ মিমি এইচজি এবং ৭৪ মিমি এইচজি ডায়াস্টোলিক রক্তচাপের মধ্যে স্বাভাবিক হিসাবে বিবেচিত হয়। অর্থাৎ, ১২২/৭৪ mm Hg৷ ৬১ থেকে ৬৫ বছর বয়সি মহিলাদের রক্তচাপ ১৩৩/৬৯ mm Hg পর্যন্ত স্বাভাবিক বলে মনে করা হয়। এর চেয়ে কম বা বেশি হওয়াটা অস্বাভাবিক৷
৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সি মহিলাদের সিস্টোলিক প্রেশার ১২২ মিমি এইচজি এবং ৭৪ মিমি এইচজি ডায়াস্টোলিক রক্তচাপের মধ্যে স্বাভাবিক হিসাবে বিবেচিত হয়। অর্থাৎ, ১২২/৭৪ mm Hg৷ ৬১ থেকে ৬৫ বছর বয়সি মহিলাদের রক্তচাপ ১৩৩/৬৯ mm Hg পর্যন্ত স্বাভাবিক বলে মনে করা হয়। এর চেয়ে কম বা বেশি হওয়াটা অস্বাভাবিক৷
advertisement
advertisement
advertisement