advertisement

সাদা না বাদামি? মুরগির ডিমের রঙেই লুকিয়ে বড় রহস্য! কোনটা সবচেয়ে পুষ্টিকর জানলে চমকে যাবেন

Last Updated:
আপনি হয়তো সাধারণত শুধু সাদা বা বাদামি ডিমই দেখেছেন। কিন্তু মুরগির ডিম আসলে নানা রঙের হতে পারে—সবুজ, মাটির মতো মাটমাটা, নীল, এমনকি চকলেটি গাঢ় বাদামিও! ভিন্ন ভিন্ন জাতের মুরগি ভিন্ন রঙের ডিম দেয়। ডিমের খোলসের রঙ মূলত নির্ভর করে মুরগির শরীরে থাকা রঞ্জক পদার্থের (পিগমেন্ট) ওপর। তাহলে এখন বড় প্রশ্ন—কোন রঙের ডিম খাওয়া সবচেয়ে বেশি উপকারী? বিজ্ঞান বলছে, ডিমের খোলসের রঙ পুষ্টিগুণ নির্ধারণ করে না। সাদা, বাদামি বা নীল—ভেতরের পুষ্টিমান প্রায় একই। ডিমের পুষ্টিগুণ বেশি নির্ভর করে মুরগির খাদ্যাভ্যাস, পালন-পদ্ধতি এবং তাজা থাকার ওপর। অর্থাৎ, রঙ নয়—গুণই আসল কথা!
1/10
কল্পনা করুন, এক ভোরবেলা আপনি মাঠে হাঁটছেন। চারদিকে মুরগির কূজন, আর মাটিতে ছড়িয়ে আছে রঙিন ডিম—কিছু সাদা, কিছু বাদামি, কিছু গোলাপি, কিছু হলুদ, আবার কিছু নীল আর সবুজও!এই রঙিন ডিমগুলো দেখলে যেন জাদুর মতো মনে হবে। কিন্তু সত্যিটা হলো, ডিম সত্যিই নানা রঙের হতে পারে—যার অনেকগুলো হয়তো আপনি কখনও দেখেননি, এমনকি কল্পনাও করেননি।
কল্পনা করুন, এক ভোরবেলা আপনি মাঠে হাঁটছেন। চারদিকে মুরগির কূজন, আর মাটিতে ছড়িয়ে আছে রঙিন ডিম—কিছু সাদা, কিছু বাদামি, কিছু গোলাপি, কিছু হলুদ, আবার কিছু নীল আর সবুজও! এই রঙিন ডিমগুলো দেখলে যেন জাদুর মতো মনে হবে। কিন্তু সত্যিটা হলো, ডিম সত্যিই নানা রঙের হতে পারে—যার অনেকগুলো হয়তো আপনি কখনও দেখেননি, এমনকি কল্পনাও করেননি।
advertisement
2/10
মুরগির ডিমের জগৎ সত্যিই যেন জাদুময়—তবে এর পেছনে আছে বিজ্ঞানের ঝলকও।কোন রঙের ডিম সবচেয়ে বেশি উপকারী? সাদা না বাদামি, নাকি নীল-সবুজ—আসলে কি পুষ্টিগুণে কোনও বড় পার্থক্য আছে?

আর জানেন কি, মুরগির কানের লতির (ear lobe) রঙের সঙ্গে তার ডিমের খোলের রঙের গভীর সম্পর্ক রয়েছে! সাধারণত সাদা কানের লতি থাকা মুরগি সাদা ডিম দেয়, আর লাল বা বাদামি কানের লতি থাকলে ডিমও হয় বাদামি। কিছু বিশেষ জাতের মুরগি আবার নীল বা সবুজ ডিমও দেয়।

তাহলে রঙের এই রহস্যের পেছনে লুকিয়ে আছে জিনগত বৈশিষ্ট্য, খাদ্যাভ্যাস নয়। এখন প্রশ্ন—সবচেয়ে পুষ্টিকর কোনটা? উত্তরটা কিন্তু রঙে নয়, পুষ্টিগুণে লুকিয়ে! চাইলে সেটাও খুলে বলি
মুরগির ডিমের জগৎ সত্যিই যেন জাদুময়—তবে এর পেছনে আছে বিজ্ঞানের ঝলকও। কোন রঙের ডিম সবচেয়ে বেশি উপকারী? সাদা না বাদামি, নাকি নীল-সবুজ—আসলে কি পুষ্টিগুণে কোনও বড় পার্থক্য আছে? আর জানেন কি, মুরগির কানের লতির (ear lobe) রঙের সঙ্গে তার ডিমের খোলের রঙের গভীর সম্পর্ক রয়েছে! সাধারণত সাদা কানের লতি থাকা মুরগি সাদা ডিম দেয়, আর লাল বা বাদামি কানের লতি থাকলে ডিমও হয় বাদামি। কিছু বিশেষ জাতের মুরগি আবার নীল বা সবুজ ডিমও দেয়। তাহলে রঙের এই রহস্যের পেছনে লুকিয়ে আছে জিনগত বৈশিষ্ট্য, খাদ্যাভ্যাস নয়। এখন প্রশ্ন—সবচেয়ে পুষ্টিকর কোনটা? উত্তরটা কিন্তু রঙে নয়, পুষ্টিগুণে লুকিয়ে! চাইলে সেটাও খুলে বলি
advertisement
3/10
সবচেয়ে আগে প্রশ্নটা—মুরগির ডিম আসলে কত রঙের হয়?বাজারে আমরা সাধারণত সাদা বা বাদামি ডিমই বেশি দেখি। কিন্তু প্রকৃতি মুরগির ডিমকে যেন পুরো একটা রংধনু উপহার দিয়েছে! সাদা, বাদামি, ক্রিম, হালকা গোলাপি, নীল, সবুজ—এমনকি কিছু ক্ষেত্রে হালকা জলপাই রঙের ডিমও পাওয়া যায়। 

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ডিমের খোলার রঙ সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে মুরগির জাতের ওপর। আসলে সব ডিমই শুরুতে সাদা হয়, কারণ খোলস তৈরি হয় ক্যালসিয়াম কার্বোনেট দিয়ে। কিন্তু ডিম যখন মুরগির দেহের ডিম তৈরি করার নালির (oviduct) মধ্য দিয়ে বের হয়, তখন সেখানে থাকা বিশেষ রঞ্জক পদার্থ (পিগমেন্ট) খোলসে রঙ যোগ করে।

অর্থাৎ, রঙের এই খেলাটা পুরোপুরি জেনেটিক—খাবার বা বাইরের পরিবেশ নয়, মূলত মুরগির জাতই ঠিক করে দেয় ডিমের রঙ।
সবচেয়ে আগে প্রশ্নটা—মুরগির ডিম আসলে কত রঙের হয়? বাজারে আমরা সাধারণত সাদা বা বাদামি ডিমই বেশি দেখি। কিন্তু প্রকৃতি মুরগির ডিমকে যেন পুরো একটা রংধনু উপহার দিয়েছে! সাদা, বাদামি, ক্রিম, হালকা গোলাপি, নীল, সবুজ—এমনকি কিছু ক্ষেত্রে হালকা জলপাই রঙের ডিমও পাওয়া যায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ডিমের খোলার রঙ সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে মুরগির জাতের ওপর। আসলে সব ডিমই শুরুতে সাদা হয়, কারণ খোলস তৈরি হয় ক্যালসিয়াম কার্বোনেট দিয়ে। কিন্তু ডিম যখন মুরগির দেহের ডিম তৈরি করার নালির (oviduct) মধ্য দিয়ে বের হয়, তখন সেখানে থাকা বিশেষ রঞ্জক পদার্থ (পিগমেন্ট) খোলসে রঙ যোগ করে। অর্থাৎ, রঙের এই খেলাটা পুরোপুরি জেনেটিক—খাবার বা বাইরের পরিবেশ নয়, মূলত মুরগির জাতই ঠিক করে দেয় ডিমের রঙ।
advertisement
4/10
মূলত মুরগির ডিম ৬–৭ ধরনের রঙে পাওয়া যায়—সাদা, বাদামি, নীল, সবুজ, গোলাপি, ক্রিম এবং কখনও কখনও চকলেটের মতো গাঢ় বাদামি। এর মধ্যে সাদা ডিমই সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। লেগহর্ন জাতের মুরগি সাধারণত এই সাদা ডিম দেয়। এগুলো এতটাই উজ্জ্বল সাদা হয় যে দেখতে একেবারে মুক্তোর মতো ঝকঝকে লাগে।
মূলত মুরগির ডিম ৬–৭ ধরনের রঙে পাওয়া যায়—সাদা, বাদামি, নীল, সবুজ, গোলাপি, ক্রিম এবং কখনও কখনও চকলেটের মতো গাঢ় বাদামি। এর মধ্যে সাদা ডিমই সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। লেগহর্ন জাতের মুরগি সাধারণত এই সাদা ডিম দেয়। এগুলো এতটাই উজ্জ্বল সাদা হয় যে দেখতে একেবারে মুক্তোর মতো ঝকঝকে লাগে।
advertisement
5/10
Generated image
বাদামি ডিম সাধারণত রোড আইল্যান্ড রেড বা প্লাইমাউথ রক জাতের মুরগি দেয়। এদের ডিমের রঙ হালকা বাদামি থেকে গাঢ় চকলেট রঙ পর্যন্ত হতে পারে। বিশেষ করে ব্ল্যাক কপার মারান জাতের মুরগি এতটাই গাঢ় বাদামি ডিম দেয় যে দেখে মনে হয় যেন তার ওপর চকলেটের আস্তরণ লাগানো আছে!
advertisement
6/10
Generated image
नीले अंडे दुर्लभ और सुंदर होते हैं. अमेराउकाना या क्रीम लेगबार मुर्गियां इन्हें देती हैं. इनका रंग हल्का आसमानी नीला होता है जैसे बादलों के बीच का आसमान.
advertisement
7/10
Generated image
আমেরাউকানা বা ক্রিম লেগবার জাতের মুরগি সাধারণত এই নীল ডিম দেয়। এদের রঙ হালকা আকাশি—মেঘের ফাঁক দিয়ে দেখা নীল আকাশের মতো কোমল আর শান্ত।
advertisement
8/10
Generated image
ওলিভ এগারস বা ইসবার (Isbar) জাতের মুরগি সাধারণত এই সবুজ ডিম দেয়। এদের রঙ হালকা জলপাই সবুজ থেকে গভীর শেড পর্যন্ত হতে পারে। আবার ওয়াইয়ানডট (Wyandotte) জাতের মুরগি হালকা গোলাপি বা ক্রিমি রঙের ডিম দেয়, যেগুলো আসলে বাদামিরই নরম শেড। কিছু বিশেষ জাতের ক্ষেত্রে প্লাম বা বেগুনি আভাযুক্ত ডিম, এমনকি স্পেকল্ড (ধব্বাদার) ডিমও দেখা যায়—যেন খোলসের ওপর প্রকৃতি নিজেই তুলির আঁচড় কেটে দিয়েছে!
advertisement
9/10
Generated image
অনেকেই মনে করেন বাদামি ডিম নাকি বেশি পুষ্টিকর এবং ভালো—কারণ এগুলোর দাম সাধারণত একটু বেশি। কিন্তু আসলে এটা একেবারেই একটি ভুল ধারণা। বাদামি ডিম দেওয়া মুরগিগুলো সাধারণত আকারে বড় হয় এবং বেশি খাবার খায়। সেই অতিরিক্ত খাদ্যব্যয়ের কারণেই বাদামি ডিমের দাম কিছুটা বেশি হয়। পুষ্টিগুণের সঙ্গে দামের সরাসরি কোনও সম্পর্ক নেই।
advertisement
10/10
 আপনি কি জানেন, মুরগিরও কান আছে? হ্যাঁ, আছে—তবে সেগুলো চোখে পড়ে না। কানের লতি হলো তাদের মাথার পাশে থাকা ছোট, মাংসল অংশ, যা সাধারণত পালকে ঢাকা থাকে। এই লতিগুলোর রঙ হতে পারে সাদা, লাল, গোলাপি বা নীল। অদ্ভুত হলেও সত্যি, অনেক ক্ষেত্রেই এই লতির রঙই ইঙ্গিত দেয় ডিমের খোলসের রঙ সম্পর্কে। সাধারণত সাদা কানের লতি থাকলে মুরগি সাদা ডিম দেয়, আর লালচে লতি থাকলে ডিম হয় বাদামি। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর পেছনে রয়েছে জেনেটিক বা বংশগত সম্পর্ক। কানের লতির রঙ নির্ধারণকারী জিন এবং ডিমের খোলসে রঞ্জক (পিগমেন্ট) তৈরির জিন একে অপরের খুব কাছাকাছি অবস্থান করে। তাই একটির বৈশিষ্ট্য অন্যটির সঙ্গে সম্পর্কিত হয়ে যায়। মানে, ডিমের রঙ শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়—তার পেছনে লুকিয়ে আছে জেনেটিক বিজ্ঞানের চমৎকার রহস্য
আপনি কি জানেন, মুরগিরও কান আছে? হ্যাঁ, আছে—তবে সেগুলো চোখে পড়ে না। কানের লতি হলো তাদের মাথার পাশে থাকা ছোট, মাংসল অংশ, যা সাধারণত পালকে ঢাকা থাকে। এই লতিগুলোর রঙ হতে পারে সাদা, লাল, গোলাপি বা নীল। অদ্ভুত হলেও সত্যি, অনেক ক্ষেত্রেই এই লতির রঙই ইঙ্গিত দেয় ডিমের খোলসের রঙ সম্পর্কে। সাধারণত সাদা কানের লতি থাকলে মুরগি সাদা ডিম দেয়, আর লালচে লতি থাকলে ডিম হয় বাদামি। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর পেছনে রয়েছে জেনেটিক বা বংশগত সম্পর্ক। কানের লতির রঙ নির্ধারণকারী জিন এবং ডিমের খোলসে রঞ্জক (পিগমেন্ট) তৈরির জিন একে অপরের খুব কাছাকাছি অবস্থান করে। তাই একটির বৈশিষ্ট্য অন্যটির সঙ্গে সম্পর্কিত হয়ে যায়। মানে, ডিমের রঙ শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়—তার পেছনে লুকিয়ে আছে জেনেটিক বিজ্ঞানের চমৎকার রহস্য
advertisement
advertisement
advertisement