advertisement

Tourist Spots: কলকাতা থেকে নামমাত্র দূরত্ব! হাতে কয়েক ঘণ্টা সময় থাকলেই ইতিহাসকে ছুঁয়ে দেখার সুযোগ, খালি হাতে ফিরবেন না

Last Updated:
Hooghly Tourist Spots: ব্যস্ত জীবন থেকে মাত্র কয়েক ঘণ্টার বিরতি নিয়ে ঘুরে আসুন হুগলি। কলকাতার কাছেই ইতিহাসকে ছুঁয়ে দেখার এমন সুযোগ আর কোথাও পাবেন না। এই ছোট সফরে আপনার প্রাপ্তি হবে অনেকখানি।
1/5
ঘুরতে যাওয়ার ইচ্ছে কার না থাকে। তবে অনেকের কাছেই তা সময় এবং খরচ ইত্যাদির কারণে সম্ভব হয়ে ওঠে না। আর সেই কারণেই আমরা আজ ঘুরতে যাওয়ার জন্য এমন একটি জায়গার খোঁজ নিয়ে হাজির, যেখানে যেতে সময় লাগবে মাত্র কয়েক ঘন্টা, খরচও হবে নামমাত্র। তাহলে আর দেরি না করে চলুন দেখে নেওয়া যাক কলকাতা থেকে নামমাত্র দূরে ইতিহাসকে ছুঁয়ে দেখার সুযোগ কোথায়।
ঘুরতে যাওয়ার ইচ্ছে কার না থাকে। তবে অনেকের কাছেই তা সময় এবং খরচ ইত্যাদির কারণে সম্ভব হয়ে ওঠে না। আর সেই কারণেই আমরা আজ ঘুরতে যাওয়ার জন্য এমন একটি জায়গার খোঁজ নিয়ে হাজির, যেখানে যেতে সময় লাগবে মাত্র কয়েক ঘন্টা, খরচও হবে নামমাত্র। তাহলে আর দেরি না করে চলুন দেখে নেওয়া যাক কলকাতা থেকে নামমাত্র দূরে ইতিহাসকে ছুঁয়ে দেখার সুযোগ কোথায়।
advertisement
2/5
কলকাতা থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে হুগলি। হুগলি হল ঐতিহাসিক জেলা। যেখানে রয়েছে পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামার ছোঁয়া। এই ঐতিহাসিক জেলা আপনাকে কখনওই খালি হাতে ফেরাবে না। এখানে রয়েছে অনেক ঘুরে দেখার জায়গা, যে সকল জায়গার সর্বত্র লেগে রয়েছে ঐতিহাসিক চিহ্ন।
কলকাতা থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে হুগলি। হুগলি হল ঐতিহাসিক জেলা। যেখানে রয়েছে পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামার ছোঁয়া। এই ঐতিহাসিক জেলা আপনাকে কখনওই খালি হাতে ফেরাবে না। এখানে রয়েছে অনেক ঘুরে দেখার জায়গা, যে সকল জায়গার সর্বত্র লেগে রয়েছে ঐতিহাসিক চিহ্ন।
advertisement
3/5
হুগলি ঘুরতে গেলে অবশ্যই ঘুরে দেখতে হবে ব্যান্ডেল চার্চ। পশ্চিমবঙ্গের যে সকল চার্চ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম প্রাচীন এই চার্চ। মাঝে এই চার্চ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৬৬০ সালে নতুন করে চার্চটি তৈরি করা হয়।
হুগলি ঘুরতে গেলে অবশ্যই ঘুরে দেখতে হবে ব্যান্ডেল চার্চ। পশ্চিমবঙ্গের যে সকল চার্চ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম প্রাচীন এই চার্চ। মাঝে এই চার্চ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৬৬০ সালে নতুন করে চার্চটি তৈরি করা হয়।
advertisement
4/5
হুগলিতে যে সকল দর্শনীয় স্থান রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম একটি হল ইমামবাড়া। হাজী মহম্মদ মহসিন ১৮৪১ সালে এই ইমামবাড়া তৈরি করিয়েছিলেন। গঙ্গা নদীর পাড়ে ২২ বিঘা জমির উপর তৈরি ইমামবাড়া ঘুরতে যান বহু মানুষ।
হুগলিতে যে সকল দর্শনীয় স্থান রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম একটি হল ইমামবাড়া। হাজী মহম্মদ মহসিন ১৮৪১ সালে এই ইমামবাড়া তৈরি করিয়েছিলেন। গঙ্গা নদীর পাড়ে ২২ বিঘা জমির উপর তৈরি ইমামবাড়া ঘুরতে যান বহু মানুষ।
advertisement
5/5
হুগলি ঘুরতে গেলে অবশ্যই আপনাকে একবার ঘুরে দেখতে হবে হংসেশ্বরী মন্দির। হুগলি নদীর তীরে ত্রিবেণী ও ব্যান্ডেলের মাঝে বাঁশবেড়িয়ায় এই মন্দির রয়েছে। অপূর্ব এবং একেবারে অনন্য ধরনের স্থাপত্য রয়েছে এই মন্দিরে। এখানে থাকা ১৩টি টাওয়ারের প্রত্যেকটি পদ্মের কুঁড়ির মতো দেখতে। নারায়ণ সান্যালের হংসেশ্বরী উপন্যাসে এই মন্দিরের উল্লেখ রয়েছে। যেখানে এই মন্দিরের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।
হুগলি ঘুরতে গেলে অবশ্যই আপনাকে একবার ঘুরে দেখতে হবে হংসেশ্বরী মন্দির। হুগলি নদীর তীরে ত্রিবেণী ও ব্যান্ডেলের মাঝে বাঁশবেড়িয়ায় এই মন্দির রয়েছে। অপূর্ব এবং একেবারে অনন্য ধরনের স্থাপত্য রয়েছে এই মন্দিরে। এখানে থাকা ১৩টি টাওয়ারের প্রত্যেকটি পদ্মের কুঁড়ির মতো দেখতে। নারায়ণ সান্যালের হংসেশ্বরী উপন্যাসে এই মন্দিরের উল্লেখ রয়েছে। যেখানে এই মন্দিরের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।
advertisement
advertisement
advertisement