Cancer: ক্যানসারে আক্রান্ত! তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন? কারণটা কী? জানালেন বিশেষজ্ঞ
- Reported by:BENGALI NEWS18
- trending desk
- Written by:Trending Desk
Last Updated:
Cancer: মুম্বইয়ের এইমস-এর ক্যানসার সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. সুপ্রিয়া বম্বরকরের মতে, ক্যানসারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে কোষ্ঠকাঠিন্য একটি সাধারণ সমস্যা, তবুও এটি প্রায়শই উপেক্ষা করা হয়।
advertisement
মুম্বইয়ের এইমস-এর ক্যানসার সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. সুপ্রিয়া বম্বরকরের মতে, ক্যানসারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে কোষ্ঠকাঠিন্য একটি সাধারণ সমস্যা, তবুও এটি প্রায়শই উপেক্ষা করা হয়। ক্যানসার চিকিৎসার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, শারীরিক কার্যকলাপ হ্রাস, অপর্যাপ্ত জল গ্রহণ এবং মানসিক চাপ হল অনেক রোগীর কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় পড়ার প্রধান কারণ। এই কারণেই ক্যানসার রোগীদের কোষ্ঠকাঠিন্য কীভাবে পরিচালনা করতে হয় এবং তাদের পাচনতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে হয় তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ।
advertisement
advertisement
কেমোথেরাপি, সার্জারি, ওষুধ এবং রেডিয়েশন থেরাপির মতো ক্যানসারের চিকিৎসার সময় রোগীরা প্রায়শই ক্লান্তি এবং বমির মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুভব করেন। এই সময় কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেওয়া খুব সাধারণ বিষয়। ক্যানসার এবং এর চিকিৎসা শরীরে বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে পারে, যা মলত্যাগকে ধীর করে দেয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের দিকে পরিচালিত করে।
advertisement
ক্যানসার রোগীদের কোষ্ঠকাঠিন্যের পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে। পেনকিলার, কেমোথেরাপির ওষুধ এবং বমি বমি ভাব প্রতিরোধী ওষুধ অন্ত্রের নড়াচড়া কমিয়ে দিতে পারে। শারীরিক ক্রিয়াকলাপের অভাব আরেকটি প্রধান কারণ, কারণ রোগীরা প্রায়শই দুর্বলতা এবং ক্লান্তির কারণে বিছানায় পড়ে থাকেন, যা হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়।
advertisement
অনেক রোগী ক্ষুধা কম থাকা, বমি বমি ভাব বা বমি হওয়ার কারণে কম খান, যার ফলে ফাইবার গ্রহণের পরিমাণ কমে যায়। এছাড়াও, মুখের ঘা, বমি বা অতিরিক্ত ক্লান্তি তাঁদের পর্যাপ্ত জল পানে বাধা দিতে পারে, যা কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়। এই অসুস্থতার সঙ্গে সম্পর্কিত মানসিক চাপ এবং উদ্বেগও অন্ত্রের কার্যকারিতাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। যদি কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রাথমিক চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি তীব্র পেটে ব্যথা, পাইলস বা পায়ুপথে ফাটল সৃষ্টি করতে পারে।
advertisement
ক্যানসার রোগীদের প্রতিদিন পর্যাপ্ত জল পান করা উচিত, কারণ এটি মলত্যাগ সহজ করতে সাহায্য করে। রোগীর অবস্থার উপর নির্ভর করে ডাক্তাররা ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার এবং হালকা শারীরিক কার্যকলাপ যেমন অল্প হাঁটা বা সাধারণ ব্যায়াম করার পরামর্শ দেন। কোষ্ঠকাঠিন্যের ওষুধ কখনই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া উচিত নয়।
advertisement






