Bankura Tourism: লাল মাটি, শালবন আর পাহাড়ের ডাক...! জঙ্গলমহলের ৫ গোপন সৌন্দর্য চিনে নিন, সপ্তাহান্তে ঘুরে আসুন

Last Updated:
Bankura Tourism: বাঁকুড়া জঙ্গলমহল মানেই লাল মাটির পথ, শাল-পলাশের বন, পাহাড় আর আদিবাসী সংস্কৃতির নিবিড় ছোঁয়া। জেলার উত্তর-পশ্চিম ও পশ্চিম প্রান্ত জুড়ে বিস্তৃত এই জঙ্গলমহল এলাকায় প্রকৃতি আজও অনেকটাই অক্ষত।
1/6
*বাঁকুড়া জঙ্গলমহল মানেই লাল মাটির পথ, শাল-পলাশের বন, পাহাড় আর আদিবাসী সংস্কৃতির নিবিড় ছোঁয়া। জেলার উত্তর-পশ্চিম ও পশ্চিম প্রান্ত জুড়ে বিস্তৃত এই জঙ্গলমহল এলাকায় প্রকৃতি আজও অনেকটাই অক্ষত।
*বাঁকুড়া জঙ্গলমহল মানেই লাল মাটির পথ, শাল-পলাশের বন, পাহাড় আর আদিবাসী সংস্কৃতির নিবিড় ছোঁয়া। জেলার উত্তর-পশ্চিম ও পশ্চিম প্রান্ত জুড়ে বিস্তৃত এই জঙ্গলমহল এলাকায় প্রকৃতি আজও অনেকটাই অক্ষত।
advertisement
2/6
*তালবেড়িয়া বাঁকুড়া জঙ্গলমহলের এক অফবিট, শান্ত প্রকৃতির ঠিকানা। শাল-পলাশে ঘেরা লাল মাটির পথ, পাহাড়ি পরিবেশ আর বিস্তীর্ণ জলাশয় মিলিয়ে তালবেড়িয়ার সৌন্দর্য আলাদা করে নজর কাড়ে। তালবেড়িয়া বাঁধকে ঘিরে গড়ে ওঠা প্রাকৃতিক দৃশ্য বর্ষা ও শীতকালে আরও মনোমুগ্ধকর হয়ে ওঠে। ভোরের কুয়াশা, নীল আকাশের প্রতিফলন জলরাশিতে আর সন্ধ্যার সূর্যাস্ত—সব মিলিয়ে তালবেড়িয়া প্রকৃতিপ্রেমী ও ফটোগ্রাফারদের জন্য আদর্শ স্থান। পর্যটকের ভিড় কম হওয়ায় এখানে নিঃশব্দে প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটানো যায়।
*তালবেড়িয়া বাঁকুড়া জঙ্গলমহলের এক অফবিট, শান্ত প্রকৃতির ঠিকানা। শাল-পলাশে ঘেরা লাল মাটির পথ, পাহাড়ি পরিবেশ আর বিস্তীর্ণ জলাশয় মিলিয়ে তালবেড়িয়ার সৌন্দর্য আলাদা করে নজর কাড়ে। তালবেড়িয়া বাঁধকে ঘিরে গড়ে ওঠা প্রাকৃতিক দৃশ্য বর্ষা ও শীতকালে আরও মনোমুগ্ধকর হয়ে ওঠে। ভোরের কুয়াশা, নীল আকাশের প্রতিফলন জলরাশিতে আর সন্ধ্যার সূর্যাস্ত—সব মিলিয়ে তালবেড়িয়া প্রকৃতিপ্রেমী ও ফটোগ্রাফারদের জন্য আদর্শ স্থান। পর্যটকের ভিড় কম হওয়ায় এখানে নিঃশব্দে প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটানো যায়।
advertisement
3/6
*ঘন শালবন, লাল মাটির পথ আর পাখির কলতান—সব মিলিয়ে এক খাঁটি জঙ্গলমহল অভিজ্ঞতা। সকালের দিকে বনভ্রমণ বা ছোট ট্রেকের জন্য দারুণ জায়গা। প্রকৃতির সঙ্গে নিঃশব্দে সময় কাটাতে চাইলে এই বন আদর্শ।
*ঘন শালবন, লাল মাটির পথ আর পাখির কলতান—সব মিলিয়ে এক খাঁটি জঙ্গলমহল অভিজ্ঞতা। সকালের দিকে বনভ্রমণ বা ছোট ট্রেকের জন্য দারুণ জায়গা। প্রকৃতির সঙ্গে নিঃশব্দে সময় কাটাতে চাইলে এই বন আদর্শ।
advertisement
4/6
*রাইপুর ব্লকের বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল জঙ্গলমহলের একেবারে আসল রূপ তুলে ধরে। পাহাড়, জঙ্গল আর আদিবাসী গ্রাম মিলিয়ে এই এলাকা প্রকৃতি ও লোকসংস্কৃতি দুটোরই স্বাদ দেয়। ভিড়হীন পরিবেশ এখানকার বড় আকর্ষণ।
*রাইপুর ব্লকের বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল জঙ্গলমহলের একেবারে আসল রূপ তুলে ধরে। পাহাড়, জঙ্গল আর আদিবাসী গ্রাম মিলিয়ে এই এলাকা প্রকৃতি ও লোকসংস্কৃতি দুটোরই স্বাদ দেয়। ভিড়হীন পরিবেশ এখানকার বড় আকর্ষণ।
advertisement
5/6
*ঘন বন, লাল মাটির পথ আর নির্জন গ্রাম নিয়ে গঠিত সিমলিপাল জঙ্গলমহলের শান্ত এক কোণ। এখানে বড় পর্যটন কাঠামো না থাকলেও প্রকৃতির নীরব সৌন্দর্যই আসল সম্পদ। যারা অফবিট জঙ্গল ট্রিপ পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য উপযুক্ত।
*ঘন বন, লাল মাটির পথ আর নির্জন গ্রাম নিয়ে গঠিত সিমলিপাল জঙ্গলমহলের শান্ত এক কোণ। এখানে বড় পর্যটন কাঠামো না থাকলেও প্রকৃতির নীরব সৌন্দর্যই আসল সম্পদ। যারা অফবিট জঙ্গল ট্রিপ পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য উপযুক্ত।
advertisement
6/6
*সুতানের জঙ্গল বাঁকুড়া জঙ্গলমহলের এক নির্জন ও শান্ত প্রাকৃতিক ভূখণ্ড। শাল-পলাশে ঘেরা এই বনাঞ্চলে ঢুকলেই শহরের কোলাহল যেন মুহূর্তে হারিয়ে যায়। লাল মাটির পথ, পাখির ডাক আর বাতাসে ভেসে আসা বনজ গন্ধ মন ও শরীর দু’টোকেই আলাদা প্রশান্তি দেয়। পর্যটকের ভিড় কম থাকায় সুতানের জঙ্গল আজও তার নিস্তব্ধতা ধরে রেখেছে। এই জঙ্গল প্রসঙ্গে পরিবেশপ্রেমী সুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সুতানের জঙ্গল আজও মানুষের কাছে এক নিস্তব্ধ জায়গা। শহর থেকে বহু দূরে। স্বাস্থ্য ফিরে পেতে এর থেকে ভালো জায়গার হতে পারেনা।”
*সুতানের জঙ্গল বাঁকুড়া জঙ্গলমহলের এক নির্জন ও শান্ত প্রাকৃতিক ভূখণ্ড। শাল-পলাশে ঘেরা এই বনাঞ্চলে ঢুকলেই শহরের কোলাহল যেন মুহূর্তে হারিয়ে যায়। লাল মাটির পথ, পাখির ডাক আর বাতাসে ভেসে আসা বনজ গন্ধ মন ও শরীর দু’টোকেই আলাদা প্রশান্তি দেয়। পর্যটকের ভিড় কম থাকায় সুতানের জঙ্গল আজও তার নিস্তব্ধতা ধরে রেখেছে। এই জঙ্গল প্রসঙ্গে পরিবেশপ্রেমী সুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সুতানের জঙ্গল আজও মানুষের কাছে এক নিস্তব্ধ জায়গা। শহর থেকে বহু দূরে। স্বাস্থ্য ফিরে পেতে এর থেকে ভালো জায়গার হতে পারেনা।”
advertisement
advertisement
advertisement