advertisement

Dol Purnima Destinations: ভিড়ভাট্টা ভুলে নিরিবিলিতে দোল উদযাপন! আপনার গন্তব্য হোক হুগলির এই জায়গা, শান্তি পাবেন গ্যারান্টি

Last Updated:
Dol Purnima Destinations: দোলের কোলাহল থেকে দূরে নিরিবিলি এক টুকরো শান্তি। হুগলির প্রাচীন সপ্তগ্রামের শ্রী উদ্ধারণ দত্তের ঠাকুরবাড়ি আপনার দোল উৎসবকে করে তুলবে স্মরণীয় এবং প্রশান্তিময়।
1/5
দোলে ঘুরতে যাওয়ার জন্য যারা এখন থেকেই প্ল্যান করছেন তাদের জন্য হাতের কাছেই শান্তির জায়গা হতে পারে হুগলি। হুগলির একটি জায়গা, যেখানে মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য ঘুরতে গেলেই মন জুড়িয়ে যাবে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
দোলে ঘুরতে যাওয়ার জন্য যারা এখন থেকেই প্ল্যান করছেন তাদের জন্য হাতের কাছেই শান্তির জায়গা হতে পারে হুগলি। হুগলির একটি জায়গা, যেখানে মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য ঘুরতে গেলেই মন জুড়িয়ে যাবে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
advertisement
2/5
দোলে শান্তির খোঁজে ঘুরতে যাওয়ার জন্য যে জায়গার কথা বলা হচ্ছে সেই জায়গাটি হল আদি সপ্তগ্রাম। হুগলির আদি সপ্তগ্রামে রয়েছে উদ্ধারণ দত্তের ঠাকুরবাড়ি। উদ্ধারণ দত্তের ঠাকুরবাড়িতে ঘুরতে যাওয়া জন্য কলকাতার বাসিন্দাদের খুব বেশি কষ্ট করতেও হবে না। কেননা কলকাতা থেকে আদি সপ্তগ্রামের দূরত্ব ৪০ থেকে ৪৫ কিলোমিটার।
দোলে শান্তির খোঁজে ঘুরতে যাওয়ার জন্য যে জায়গার কথা বলা হচ্ছে সেই জায়গাটি হল আদি সপ্তগ্রাম। হুগলির আদি সপ্তগ্রামে রয়েছে উদ্ধারণ দত্তের ঠাকুরবাড়ি। উদ্ধারণ দত্তের ঠাকুরবাড়িতে ঘুরতে যাওয়া জন্য কলকাতার বাসিন্দাদের খুব বেশি কষ্ট করতেও হবে না। কেননা কলকাতা থেকে আদি সপ্তগ্রামের দূরত্ব ৪০ থেকে ৪৫ কিলোমিটার।
advertisement
3/5
এখানকার এই ঠাকুরবাড়িতে ভোগের ব্যবস্থা থাকে। তবে এই বছর দোলের দিন খাওয়া-দাওয়ার বন্দোবস্ত থাকছে না। যে কারণে কেউ যদি ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করেন তাহলে বাড়ি থেকে অথবা অন্য কোথাও থেকে খেয়ে যাওয়াই ভাল, কেননা মন্দির চত্বরের বাইরে সেইভাবে খাওয়া-দাওয়ার বন্দোবস্ত নেই। পাশাপাশি যে সকল দোকান রয়েছে সেগুলি দলের দিন বন্ধ থাকার সম্ভাবনাই বেশি।
এখানকার এই ঠাকুরবাড়িতে ভোগের ব্যবস্থা থাকে। তবে এই বছর দোলের দিন খাওয়া-দাওয়ার বন্দোবস্ত থাকছে না। যে কারণে কেউ যদি ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করেন তাহলে বাড়ি থেকে অথবা অন্য কোথাও থেকে খেয়ে যাওয়াই ভাল, কেননা মন্দির চত্বরের বাইরে সেইভাবে খাওয়া-দাওয়ার বন্দোবস্ত নেই। পাশাপাশি যে সকল দোকান রয়েছে সেগুলি দলের দিন বন্ধ থাকার সম্ভাবনাই বেশি।
advertisement
4/5
দোলের দিনের পরিবর্তে এই বছর ২৩ মার্চ খাওয়া-দাওয়ার বন্দোবস্ত থাকবে। সকাল থেকে সন্ধে চা-কফি ছাড়াও রয়েছে মধ্যাহ্নভোজনের বন্দোবস্ত। তবে এর জন্য আগাম কুপন কাটতে হবে। কুপনের জন্য মাথাপিছু খরচ হবে ৪০০ টাকা। তবে আদি সপ্তগ্রাম যাওয়ার পথে জাতীয় সড়ক ও স্টেশনের কাছে অনেক খাবারের দোকান রয়েছে।
দোলের দিনের পরিবর্তে এই বছর ২৩ মার্চ খাওয়া-দাওয়ার বন্দোবস্ত থাকবে। সকাল থেকে সন্ধে চা-কফি ছাড়াও রয়েছে মধ্যাহ্নভোজনের বন্দোবস্ত। তবে এর জন্য আগাম কুপন কাটতে হবে। কুপনের জন্য মাথাপিছু খরচ হবে ৪০০ টাকা। তবে আদি সপ্তগ্রাম যাওয়ার পথে জাতীয় সড়ক ও স্টেশনের কাছে অনেক খাবারের দোকান রয়েছে।
advertisement
5/5
হাওড়া থেকে বর্ধমান যাওয়ার মেইন লাইনের যেকোনও লোকাল ট্রেন ধরলেই আদি সপ্তগ্রাম স্টেশন পৌঁছনো যায়। সেখান থেকে টোটো করে মাত্র পাঁচ মিনিটেই পৌঁছে যেতে পারবেন চৈতন্য ও নিত্যানন্দ স্মৃতি বিজড়িত উদ্ধারণ দত্তের ঠাকুরবাড়ি। তবে ব্যক্তিগত গাড়িতে গেলে আড়াই ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।
হাওড়া থেকে বর্ধমান যাওয়ার মেইন লাইনের যেকোনও লোকাল ট্রেন ধরলেই আদি সপ্তগ্রাম স্টেশন পৌঁছনো যায়। সেখান থেকে টোটো করে মাত্র পাঁচ মিনিটেই পৌঁছে যেতে পারবেন চৈতন্য ও নিত্যানন্দ স্মৃতি বিজড়িত উদ্ধারণ দত্তের ঠাকুরবাড়ি। তবে ব্যক্তিগত গাড়িতে গেলে আড়াই ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।
advertisement
advertisement
advertisement