advertisement

East Medinipur News: দিঘায় এসে জগন্নাথ মন্দির তো দেখেছেন! কিন্তু দিঘার অদূরে বাংলা-ওড়িশা সীমান্তে এই প্রাচীন মন্দিরটি না দেখলে আপনি বড় মিস করেছেন

Last Updated:
জগন্নাথ মন্দিরের বাইরে দিঘার অদূরে লুকিয়ে থাকা আরেক ঐতিহ্যবাহী তীর্থ। দেখতে তো হবে একবার৷ দিঘা ট্যুর এই মন্দির দর্শন ছাড়া বৃথা!
1/6
দিঘা ভ্রমণে এসে জগন্নাথ মন্দির তো অনেকেই দেখেছেন। কিন্তু দিঘার কাছেই থাকা আরেকটি প্রাচীন মন্দির না দেখলেই আপনি বড় মিস করেছেন। ওড়িশার বালেশ্বর জেলার চন্দনেশ্বরে অবস্থিত এই শিব মন্দিরটি ইতিহাস ও ধর্মীয় গুরুত্বে সমৃদ্ধ। প্রতিদিন শত শত ভক্ত এখানে পুজো দিতে আসেন। ওড়িশা-বঙ্গ সীমান্তে অবস্থান হওয়ায় দিঘার পর্যটকদের কাছে এটি অর্ধ দিনের আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থান হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
দিঘা ভ্রমণে এসে জগন্নাথ মন্দির তো অনেকেই দেখেছেন। কিন্তু দিঘার কাছেই থাকা আরেকটি প্রাচীন মন্দির না দেখলেই আপনি বড় মিস করেছেন। ওড়িশার বালেশ্বর জেলার চন্দনেশ্বরে অবস্থিত এই শিব মন্দিরটি ইতিহাস ও ধর্মীয় গুরুত্বে সমৃদ্ধ। প্রতিদিন শত শত ভক্ত এখানে পুজো দিতে আসেন। ওড়িশা-বঙ্গ সীমান্তে অবস্থান হওয়ায় দিঘার পর্যটকদের কাছে এটি অর্ধ দিনের আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থান হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
advertisement
2/6
চন্দনেশ্বর মন্দিরটি ওড়িশায় অবস্থিত হলেও পশ্চিমবঙ্গের সমুদ্র সৈকত শহর দিঘা থেকে কাছেই রয়েছে। ওড়িশার দিক থেকে নিকটতম শহর ও রেলস্টেশন হল জলেশ্বর। সড়কপথে যাতায়াত খুবই সহজ। জাতীয় সড়ক ১১৬বি ধরে যাত্রা করলে চন্দনেশ্বর গোলচত্বর পেরিয়ে চন্দনেশ্বর-তালসারি রোডে ঢুকতে হয়। প্রায় দুইশো মিটার যাওয়ার পর ডান দিকেই চোখে পড়ে প্রাচীন এই শিব মন্দিরটি।
চন্দনেশ্বর মন্দিরটি ওড়িশায় অবস্থিত হলেও পশ্চিমবঙ্গের সমুদ্র সৈকত শহর দিঘা থেকে কাছেই রয়েছে। ওড়িশার দিক থেকে নিকটতম শহর ও রেলস্টেশন হল জলেশ্বর। সড়কপথে যাতায়াত খুবই সহজ। জাতীয় সড়ক ১১৬বি ধরে যাত্রা করলে চন্দনেশ্বর গোলচত্বর পেরিয়ে চন্দনেশ্বর-তালসারি রোডে ঢুকতে হয়। প্রায় দুইশো মিটার যাওয়ার পর ডান দিকেই চোখে পড়ে প্রাচীন এই শিব মন্দিরটি।
advertisement
3/6
মন্দিরটি আকারে ছোট হলেও এর প্রাঙ্গণ বেশ বড় এবং খোলামেলা। পোড়া ইট দিয়ে তৈরি বারো-চালা স্থাপত্যই এই মন্দিরের প্রধান আকর্ষণ। বাংলায় উদ্ভূত এই স্থাপত্যরীতি খুব কম মন্দিরেই দেখা যায়। প্রধান মন্দির ও তার প্রতিরূপ মিলিয়ে মোট বারোটি ছাদ রয়েছে। মূল ছাদের প্রান্ত ও কেন্দ্রে ছোট চূড়া দেখা যায়। এই ধরণকে রত্ন বা পিনাকল্ড স্টাইলও বলা হয়।
মন্দিরটি আকারে ছোট হলেও এর প্রাঙ্গণ বেশ বড় এবং খোলামেলা। পোড়া ইট দিয়ে তৈরি বারো-চালা স্থাপত্যই এই মন্দিরের প্রধান আকর্ষণ। বাংলায় উদ্ভূত এই স্থাপত্যরীতি খুব কম মন্দিরেই দেখা যায়। প্রধান মন্দির ও তার প্রতিরূপ মিলিয়ে মোট বারোটি ছাদ রয়েছে। মূল ছাদের প্রান্ত ও কেন্দ্রে ছোট চূড়া দেখা যায়। এই ধরণকে রত্ন বা পিনাকল্ড স্টাইলও বলা হয়।
advertisement
4/6
মন্দির চত্বরে মূলত দুটি গুরুত্বপূর্ণ কাঠামো রয়েছে। প্রথমটি নাট মন্দির বা নৃত্যশালা হিসেবে পরিচিত। দ্বিতীয় মন্দিরেই অবস্থান করছে শিবলিঙ্গ। লিঙ্গটি চোখে দেখা যায় না। এটি পবিত্র জলে ভরা একটি গর্তের ভিতরে মাটির গভীরে অবস্থিত। প্রাঙ্গণে আরও কয়েকটি ছোট মন্দির ও কাঠামো রয়েছে, যা দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে।
মন্দির চত্বরে মূলত দুটি গুরুত্বপূর্ণ কাঠামো রয়েছে। প্রথমটি নাট মন্দির বা নৃত্যশালা হিসেবে পরিচিত। দ্বিতীয় মন্দিরেই অবস্থান করছে শিবলিঙ্গ। লিঙ্গটি চোখে দেখা যায় না। এটি পবিত্র জলে ভরা একটি গর্তের ভিতরে মাটির গভীরে অবস্থিত। প্রাঙ্গণে আরও কয়েকটি ছোট মন্দির ও কাঠামো রয়েছে, যা দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে।
advertisement
5/6
দিঘা থেকে মন্দির দর্শনে আসা এক পর্যটক নিবেদিতা দাসের কথায়, “সমুদ্রের ভিড় থেকে একটু দূরে এসে এখানে আলাদা শান্তি পেলাম। মন্দিরের স্থাপত্য খুব সুন্দর লেগেছে। বারো-চালা গঠন আগে কোথাও দেখিনি। প্রাঙ্গণটা খোলামেলা, বসে থাকার জায়গাও আছে। মন্দিরটির গল্প শুনে ভাল লেগেছে। দিঘা বেড়াতে এলে এই মন্দির অবশ্যই দেখা উচিত।”
দিঘা থেকে মন্দির দর্শনে আসা এক পর্যটক নিবেদিতা দাসের কথায়, “সমুদ্রের ভিড় থেকে একটু দূরে এসে এখানে আলাদা শান্তি পেলাম। মন্দিরের স্থাপত্য খুব সুন্দর লেগেছে। বারো-চালা গঠন আগে কোথাও দেখিনি। প্রাঙ্গণটা খোলামেলা, বসে থাকার জায়গাও আছে। মন্দিরটির গল্প শুনে ভাল লেগেছে। দিঘা বেড়াতে এলে এই মন্দির অবশ্যই দেখা উচিত।”
advertisement
6/6
ওড়িয়া মাসের চৈত্রে এই মন্দিরে বসে বিখ্যাত চরক মেলা। মার্চের মাঝামাঝি থেকে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত এই উৎসব ঘিরে ব্যাপক ভিড় হয়। লক্ষ লক্ষ ভক্ত বিভিন্ন এলাকা থেকে এখানে আসেন। এই সময় বিশেষ পুজো ও নির্দিষ্ট আচার-অনুষ্ঠান পালিত হয়। চৈত্র মাসের শেষ দিনে ভক্তসমাগম সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ধর্মীয় উৎসবের পাশাপাশি এটি পর্যটন আকর্ষণ হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
ওড়িয়া মাসের চৈত্রে এই মন্দিরে বসে বিখ্যাত চরক মেলা। মার্চের মাঝামাঝি থেকে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত এই উৎসব ঘিরে ব্যাপক ভিড় হয়। লক্ষ লক্ষ ভক্ত বিভিন্ন এলাকা থেকে এখানে আসেন। এই সময় বিশেষ পুজো ও নির্দিষ্ট আচার-অনুষ্ঠান পালিত হয়। চৈত্র মাসের শেষ দিনে ভক্তসমাগম সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ধর্মীয় উৎসবের পাশাপাশি এটি পর্যটন আকর্ষণ হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
advertisement
advertisement
advertisement