Constipation & Indigestion: ২ টো শুকনো ডুমুর ‘এভাবে’ খেলেই পেটের নোংরা সাফ গলগলিয়ে! রেহাই গ্যাস-অম্বল-বদহজম থেকেও
- Written by:Bangla Digital Desk
- news18 bangla
- Published by:Arpita Roy Chowdhury
Last Updated:
Constipation & Indigestion: সকালে কি আপনার পেট পরিষ্কার থাকে না? ভেজানো শুকনো ডুমুর আরাম দিতে পারে, জেনে নিন এগুলো খাওয়ার সঠিক উপায়।
আজকের ব্যস্ত জীবনযাত্রা এবং পরিবর্তিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং বদহজমের সমস্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেকেই সকালে মলত্যাগে সমস্যা, গ্যাস তৈরি এবং সারাদিন ভারী বোধের মতো সমস্যার সম্মুখীন হন। এমন পরিস্থিতিতে, ভেজানো শুকনো ডুমুর একটি অত্যন্ত উপকারী ঘরোয়া প্রতিকার এবং প্রাকৃতিক প্রতিকার হিসাবে বিবেচিত হয়। ডুমুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা হজম ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। রাতভর পানিতে ডুমুর ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে খেলে পেট পরিষ্কার হতে পারে।
advertisement
আয়ুর্বেদ এবং ঐতিহ্যবাহী ঘরোয়া প্রতিকারে, শুকনো ডুমুরকে পাচনতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত উপকারী বলে মনে করা হয়। ডুমুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা অন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার মল নরম করতে সাহায্য করে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে পারে। নিয়মিত ভেজানো ডুমুর খেলে পাচনতন্ত্র সক্রিয় থাকে এবং মলত্যাগ সহজ হয়। অন্ত্রের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্যও এগুলিকে কার্যকর বলে মনে করা হয়।
advertisement
নিয়মিত এবং পরিমিত পরিমাণে শুকনো ডুমুর খাওয়া সকালে পেট পরিষ্কার করতে সাহায্য করতে পারে। অনেকেই জানান যে ভেজানো ডুমুর খেলে গ্যাস, বদহজম এবং পেটের ভারী ভাব দূর হয়। এতে থাকা ফাইবার হজমশক্তি উন্নত করে বলে মনে করা হয়। যদিও এটি প্রেসক্রিপশনের ওষুধের বিকল্প নয়, এটি হালকা কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য প্রাকৃতিক সাহায্য হিসেবে কার্যকর হতে পারে। সুষম খাদ্য এবং পর্যাপ্ত জলের সাথে এটি খাওয়া সবচেয়ে উপকারী বলে মনে করা হয়।
advertisement
শুকনো ডুমুর খাওয়ার পদ্ধতিও খুবই সহজ। দুটি শুকনো ডুমুর ভাল করে ধুয়ে এক কাপ জলে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালি পেটে ডুমুর চিবিয়ে সেই জল পান করুন। এটি করলে পাচনতন্ত্র সক্রিয় হতে পারে। ৭ থেকে ১০ দিন নিয়মিত খাওয়ার পরে অনেকেই পার্থক্য লক্ষ্য করতে পারেন। তবে, প্রতিটি ব্যক্তির শারীরিক প্রকৃতি আলাদা, তাই ফলাফল ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে।
advertisement
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে শুধুমাত্র ডুমুরের উপর নির্ভর করা যথেষ্ট নয়। হজমের উন্নতির জন্য একটি সুষম জীবনধারাও অপরিহার্য। আপনার খাদ্যতালিকায় সালাদ এবং সবুজ শাকসবজি সহ দিনে কমপক্ষে ৭ থেকে ৮ গ্লাস জল পান করা এবং সকালে হালকা হাঁটা বা ব্যায়াম করা উপকারী বলে মনে করা হয়। এটি হজম ব্যবস্থাকে সক্রিয় রাখে। তদুপরি, ভাজা এবং জাঙ্ক ফুড গ্রহণ কমিয়ে দিলে পেটের সমস্যার ঝুঁকি কমে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করা যায়। সুস্থ হজমের জন্য নিয়মিত এবং সুষম খাদ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।
advertisement
ডায়াবেটিস রোগীদের ডুমুর পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত, কারণ এতে প্রাকৃতিক শর্করা থাকে। অতিরিক্ত ডুমুর খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। অতিরিক্ত ডুমুর খাওয়ার ফলে কিছু লোকের ডায়রিয়া বা পেটে অস্বস্তি হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন যে যদি তীব্র পেটে ব্যথা, রক্তাক্ত মল, বা তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্য দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকে, তাহলে ঘরোয়া প্রতিকারের উপর নির্ভর না করে অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা সমস্যার আরও ভালো সমাধান করতে পারে।
advertisement
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে ঘরোয়া প্রতিকার প্রাথমিক এবং হালকা কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য উল্লেখযোগ্য উপশম প্রদান করতে পারে, কিন্তু যদি কোষ্ঠকাঠিন্য দীর্ঘ সময় ধরে থাকে, তাহলে এটি উপেক্ষা করা উচিত নয়। এমন পরিস্থিতিতে, ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা এবং উপযুক্ত চিকিৎসা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। ডুমুরের ফাইবার পাচনতন্ত্রের উন্নতিতে সাহায্য করে, তাই এগুলিকে একটি সুষম খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। তবে, শুধুমাত্র ডুমুরের উপর নির্ভর করা ঠিক নয়। একটি সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত জল, নিয়মিত ব্যায়াম এবং একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা একটি শক্তিশালী পাচনতন্ত্র বজায় রাখতে সাহায্য করে।







