advertisement

Cancer From Drinking Water: বাড়ির রান্না ও খাওয়ার জলে এই ভয়ঙ্কর জিনিস নেই তো! সাবধান, অজান্তেই কুঁড়ে কুঁড়ে শেষ হচ্ছে শরীর, অবহেলার হবে ভয়ঙ্কর ক্ষতি....

Last Updated:
Cancer From Drinking Water: জল পরিষ্কারের জন্য ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করেন! জলের দোষ কাটলেও শরীরের ১২টা বাজছে, শরীরে ঘর বাঁধছে এই মারণ রোগ...
1/8
আবাসন বা বাড়ির জলের ট্যাঙ্ক পরিষ্কারের জন্য ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয় কিনা, সেই প্রশ্নটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত, ব্লিচিং পাউডারকে একটি শক্তিশালী জীবাণুনাশক হিসেবেই দেখা হয়, যা জলকে পরিশোধিত করতেও ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এর ব্যবহার নিরাপদ কিনা, তা নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন থাকে। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই জানেন না, জলে ব্লিচিং মেশালে কী ধরনের রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া ঘটে। এর ফলে যে সমস্ত রাসায়নিক উপাদান তৈরি হয়, সেগুলি দীর্ঘমেয়াদে গুরুতর অসুস্থতার কারণ হতে পারে।
আবাসন বা বাড়ির জলের ট্যাঙ্ক পরিষ্কারের জন্য ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয় কিনা, সেই প্রশ্নটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত, ব্লিচিং পাউডারকে একটি শক্তিশালী জীবাণুনাশক হিসেবেই দেখা হয়, যা জলকে পরিশোধিত করতেও ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এর ব্যবহার নিরাপদ কিনা, তা নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন থাকে। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই জানেন না, জলে ব্লিচিং মেশালে কী ধরনের রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া ঘটে। এর ফলে যে সমস্ত রাসায়নিক উপাদান তৈরি হয়, সেগুলি দীর্ঘমেয়াদে গুরুতর অসুস্থতার কারণ হতে পারে।
advertisement
2/8
ক্লোরিনযুক্ত পানীয় জল ক্যানসারের বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকি বাড়াতে পারে! একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, ক্লোরিনযুক্ত পানীয় জল বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। গবেষকরা জানিয়েছেন, পানীয় জলে ব্যবহৃত ক্লোরিনের ফলে কিছু ক্ষতিকর উপাদান তৈরি হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে শরীরে সঞ্চিত হয়ে ক্যানসার সৃষ্টির ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
ক্লোরিনযুক্ত পানীয় জল ক্যানসারের বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকি বাড়াতে পারে! একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, ক্লোরিনযুক্ত পানীয় জল বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। গবেষকরা জানিয়েছেন, পানীয় জলে ব্যবহৃত ক্লোরিনের ফলে কিছু ক্ষতিকর উপাদান তৈরি হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে শরীরে সঞ্চিত হয়ে ক্যানসার সৃষ্টির ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
advertisement
3/8
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স ২০২৩ সাল থেকে ব্লিচিং পাউডারের ক্ষতিকর দিকগুলো নিয়ে গবেষণা করছে। তাদের এই গবেষণামূলক প্রতিবেদন 'পাব মেড' জার্নালে 'ব্লিচ টক্সিসিটি' নামে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকরা সেখানে জানিয়েছেন, জল পরিশুদ্ধ করতে বা জীবাণুনাশক হিসেবে ব্লিচিং পাউডারের অতিরিক্ত ব্যবহার ক্যানসার, লিভারে বিষক্রিয়া এবং শ্বাসনালিতে সংক্রমণের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স ২০২৩ সাল থেকে ব্লিচিং পাউডারের ক্ষতিকর দিকগুলো নিয়ে গবেষণা করছে। তাদের এই গবেষণামূলক প্রতিবেদন 'পাব মেড' জার্নালে 'ব্লিচ টক্সিসিটি' নামে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকরা সেখানে জানিয়েছেন, জল পরিশুদ্ধ করতে বা জীবাণুনাশক হিসেবে ব্লিচিং পাউডারের অতিরিক্ত ব্যবহার ক্যানসার, লিভারে বিষক্রিয়া এবং শ্বাসনালিতে সংক্রমণের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
advertisement
4/8
ব্লিচিং পাউডারে সাধারণত ৩ থেকে ৮ শতাংশ ক্যালসিয়াম হাইপোক্লোরাইট থাকে, পাশাপাশি থাকে সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড। যখন ব্লিচিং পাউডার অন্য কোনও জীবাণুনাশক তরল বা ভিনিগারের সঙ্গে মেশে, তখন এটি বিষাক্ত ক্লোরিন গ্যাস তৈরি করে। ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করার সময় অনেক সময় ব্লিচিং পাউডারের সঙ্গে এই ধরনের তরল মেশানো হয়। এতে উৎপন্ন ক্লোরিন গ্যাস জীবাণু ধ্বংস করলেও, যদি তা জলের মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে, তাহলে শ্বাসনালিতে তীব্র প্রদাহ তৈরি করতে পারে। এর ফলে চোখ, নাক ও ফুসফুসে বিষক্রিয়া দেখা দিতে পারে, হতে পারে মারাত্মক শ্বাসকষ্ট। হাঁপানি বা সিওপিডির রোগীদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও জটিল ও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।
ব্লিচিং পাউডারে সাধারণত ৩ থেকে ৮ শতাংশ ক্যালসিয়াম হাইপোক্লোরাইট থাকে, পাশাপাশি থাকে সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড। যখন ব্লিচিং পাউডার অন্য কোনও জীবাণুনাশক তরল বা ভিনিগারের সঙ্গে মেশে, তখন এটি বিষাক্ত ক্লোরিন গ্যাস তৈরি করে। ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করার সময় অনেক সময় ব্লিচিং পাউডারের সঙ্গে এই ধরনের তরল মেশানো হয়। এতে উৎপন্ন ক্লোরিন গ্যাস জীবাণু ধ্বংস করলেও, যদি তা জলের মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে, তাহলে শ্বাসনালিতে তীব্র প্রদাহ তৈরি করতে পারে। এর ফলে চোখ, নাক ও ফুসফুসে বিষক্রিয়া দেখা দিতে পারে, হতে পারে মারাত্মক শ্বাসকষ্ট। হাঁপানি বা সিওপিডির রোগীদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও জটিল ও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।
advertisement
5/8
এই ধরনের জল দীর্ঘসময় পান করলে বিশেষ করে পাকস্থলি, প্রোস্টেট, এবং মূত্রাশয়ের ক্যানসারের সম্ভাবনা বাড়ে। গবেষণাটি প্রমাণ করেছে যে, ক্লোরিনের প্রভাব শরীরে নানা স্বাস্থ্যগত জটিলতা তৈরি করতে পারে! তাই বিশেষজ্ঞরা সুপারিশ করছেন যে, নিরাপদ এবং বিশুদ্ধ পানীয় জল পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই ধরনের জল দীর্ঘসময় পান করলে বিশেষ করে পাকস্থলি, প্রোস্টেট, এবং মূত্রাশয়ের ক্যানসারের সম্ভাবনা বাড়ে। গবেষণাটি প্রমাণ করেছে যে, ক্লোরিনের প্রভাব শরীরে নানা স্বাস্থ্যগত জটিলতা তৈরি করতে পারে! তাই বিশেষজ্ঞরা সুপারিশ করছেন যে, নিরাপদ এবং বিশুদ্ধ পানীয় জল পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
advertisement
6/8
সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার অমিত নন্দীর কথা অনুযায়ী, "ব্লিচিং পাউডার দিয়ে বাড়ির জলের ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করলে তাতে অনেক বেশি পরিষ্কার হলেও শরীরের জন্য আদতেও সেটি ভালো নয়। খুব ভালো করে ট্যাংক জল দিয়ে ধুয়ে নেওয়ার পরেও ব্লিচিং পাউডারের ছোট ছোট মলিকিউল থেকে যায় ট্যাংকের মধ্যে। আর সেগুলি মেসে পরিশ্রুত জলের মধ্যে। এবং পরে সেই জল ব্যবহার করার পর মানবদেহে একাধিক রোগের বাসা বাঁধতে পারে। লিভারে সমস্যা, শ্বাসনালীর সমস্যা এমনকি ক্যান্সারের মত মারণ রোগও বাসা বাঁধতে পারে মানব দেহে, তাই ব্লিচিং পাউডারের মতো রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার না করে তার বিকল্প হিসেবে ক্লোরিন ডাই অক্সাইড, বেকিং সোডা, ভিনিগার ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতে পারে"।
সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার অমিত নন্দীর কথা অনুযায়ী, "ব্লিচিং পাউডার দিয়ে বাড়ির জলের ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করলে তাতে অনেক বেশি পরিষ্কার হলেও শরীরের জন্য আদতেও সেটি ভালো নয়। খুব ভালো করে ট্যাংক জল দিয়ে ধুয়ে নেওয়ার পরেও ব্লিচিং পাউডারের ছোট ছোট মলিকিউল থেকে যায় ট্যাংকের মধ্যে। আর সেগুলি মেসে পরিশ্রুত জলের মধ্যে। এবং পরে সেই জল ব্যবহার করার পর মানবদেহে একাধিক রোগের বাসা বাঁধতে পারে। লিভারে সমস্যা, শ্বাসনালীর সমস্যা এমনকি ক্যান্সারের মত মারণ রোগও বাসা বাঁধতে পারে মানব দেহে, তাই ব্লিচিং পাউডারের মতো রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার না করে তার বিকল্প হিসেবে ক্লোরিন ডাই অক্সাইড, বেকিং সোডা, ভিনিগার ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতে পারে"।
advertisement
7/8
ব্লিচিং পাউডারের বিকল্প হিসেবে ইউভি ডিজ়ইনফেকশন বা ক্লোরিন ডাইঅক্সাইড ব্যবহার করা যেতে পারে। অথবা হাইড্রোজেন পারক্সাইড, বেকিং সোডা, ভিনিগার ব্যবহার করা যেতে পারে। অথবা গরম জলে ডিটারজেন্ট মিশিয়ে তা দিয়ে ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করলে আর বিষক্রিয়ার ভয় থাকে না।
ব্লিচিং পাউডারের বিকল্প হিসেবে ইউভি ডিজ়ইনফেকশন বা ক্লোরিন ডাইঅক্সাইড ব্যবহার করা যেতে পারে। অথবা হাইড্রোজেন পারক্সাইড, বেকিং সোডা, ভিনিগার ব্যবহার করা যেতে পারে। অথবা গরম জলে ডিটারজেন্ট মিশিয়ে তা দিয়ে ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করলে আর বিষক্রিয়ার ভয় থাকে না।
advertisement
8/8
জল ফুঁটিয়ে নিয়ে খেতে পারেন এতে শরীরের উপকার হয়! তবে ক্লোরিনযুক্ত জল কোনওভাবেই খাবেন না!
জল ফুঁটিয়ে নিয়ে খেতে পারেন এতে শরীরের উপকার হয়! তবে ক্লোরিনযুক্ত জল কোনওভাবেই খাবেন না!
advertisement
advertisement
advertisement