advertisement

Brain-Eating Ameobas: 'ঘিলুখেকো অ্যামিবা' নাক,মুখ দিয়ে ঢুকে সটান ব্রেনে বাসা বাঁধে, শেষ করে দেয় মস্তিষ্কের কোষ, স্নায়ু...কোন উপসর্গে সাবধান হবেন, কীভাবে নিজেকে বাঁচাবেন? পড়ুন

Last Updated:
এক বার নাক বা মুখ দিয়ে শরীরে ঢুকলে সোজা মস্তিষ্কে গিয়ে বাসা বাঁধে এই অ্যামিবা। মস্তিষ্কের কোষ ও স্নায়ু শেষ করে দেয়।
1/8
মগজখেকো অ্যামিবার বৈজ্ঞানিক নাম Naegleria fowleri। এটি একটি অতি ক্ষুদ্র, এককোষী জীব, যা উষ্ণ মিষ্টি জলে এবং মাটিতে পাওয়া যায়। এই অ্যামিবা আসলে মানুষের মস্তিষ্ক 'খায়' না, তবে Naegleria দ্বারা সংক্রমিত হলে মস্তিষ্কের মারাত্মক ক্ষতি হয়, মৃত্যুও হতে পারে। এই রোগটিকে বলা হয় প্রাইমারি অ্যামিবিক মেনিনজোএনসেফালাইটিস (Primary Amebic Meningoencephalitis বা PAM)।
মগজখেকো অ্যামিবার বৈজ্ঞানিক নাম Naegleria fowleri। এটি একটি অতি ক্ষুদ্র, এককোষী জীব, যা উষ্ণ মিষ্টি জলে এবং মাটিতে পাওয়া যায়।এই অ্যামিবা আসলে মানুষের মস্তিষ্ক 'খায়' না, তবে Naegleria দ্বারা সংক্রমিত হলে মস্তিষ্কের মারাত্মক ক্ষতি হয়, মৃত্যুও হতে পারে। এই রোগটিকে বলা হয় প্রাইমারি অ্যামিবিক মেনিনজোএনসেফালাইটিস (Primary Amebic Meningoencephalitis বা PAM)।
advertisement
2/8
এক বার নাক বা মুখ দিয়ে শরীরে ঢুকলে সোজা মস্তিষ্কে গিয়ে বাসা বাঁধে এই অ্যামিবা। মস্তিষ্কের কোষ ও স্নায়ু শেষ করে দেয়। প্রাণঘাতী অ্যামিবার সংক্রমণে গতবছর কেরলে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছিল ৬৯ জনে। মৃত্যু হয়েছিল ১৯ জনের। বদ্ধ জলাশয়, হ্রদ, পুকুর, সুইমিং পুল থেকে অ্যামিবা ছড়াচ্ছে বলে সাবধান করে স্বাস্থ্য দফতর।
এক বার নাক বা মুখ দিয়ে শরীরে ঢুকলে সোজা মস্তিষ্কে গিয়ে বাসা বাঁধে এই অ্যামিবা। মস্তিষ্কের কোষ ও স্নায়ু শেষ করে দেয়। প্রাণঘাতী অ্যামিবার সংক্রমণে গতবছর কেরলে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছিল ৬৯ জনে। মৃত্যু হয়েছিল ১৯ জনের। বদ্ধ জলাশয়, হ্রদ, পুকুর, সুইমিং পুল থেকে অ্যামিবা ছড়াচ্ছে বলে সাবধান করে স্বাস্থ্য দফতর।
advertisement
3/8
Naegleria সংক্রমণের উপসর্গ অ্যামিবার সংস্পর্শে আসার ২৪ ঘণ্টা থেকে ১৪ দিনের মধ্যে যে কোনও সময় দেখা দিতে পারে। প্রাথমিক উপসর্গগুলো মেনিনজাইটিসের মতো, যেমন— জ্বর, তীব্র মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব বা বমি। প্রাথমিক উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর সংক্রমণটি খুব দ্রুত গুরুতর হয়ে ওঠে। পরবর্তী পর্যায়ের উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে— ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, আলোতে অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা , বিভ্রান্তি, ভারসাম্য হারানো , হ্যালুসিনেশন, খিঁচুনি। কীভাবে এই সংক্রমণ থেকে বাঁচবেন?
Naegleria সংক্রমণের উপসর্গ অ্যামিবার সংস্পর্শে আসার ২৪ ঘণ্টা থেকে ১৪ দিনের মধ্যে যে কোনও সময় দেখা দিতে পারে।প্রাথমিক উপসর্গগুলো মেনিনজাইটিসের মতো, যেমন—জ্বর,তীব্র মাথাব্যথা,বমি বমি ভাব বা বমি।প্রাথমিক উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর সংক্রমণটি খুব দ্রুত গুরুতর হয়ে ওঠে।পরবর্তী পর্যায়ের উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে—ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া,আলোতে অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা, বিভ্রান্তি,ভারসাম্য হারানো, খিঁচুনি। কীভাবে এই সংক্রমণ থেকে বাঁচবেন?
advertisement
4/8
উষ্ণ আবহাওয়ায় বিশেষ করে মিষ্টি জলের হ্রদ, নদী বা ঝর্ণায় সাঁতার কাটা বা লাফ দেওয়া এড়িয়ে চলুন।

যদি মিষ্টি জলে সাঁতার কাটতেই হয়, তাহলে মাথা জলের উপরে রাখার চেষ্টা করুন। নাকের ক্লিপ ব্যবহার করতে পারেন বা আঙুল দিয়ে নাক চেপে ধরুন।
উষ্ণ আবহাওয়ায় বিশেষ করে মিষ্টি জলের হ্রদ, নদী বা ঝর্ণায় সাঁতার কাটা বা লাফ দেওয়া এড়িয়ে চলুন।যদি মিষ্টি জলে সাঁতার কাটতেই হয়, তাহলে মাথা জলের উপরে রাখার চেষ্টা করুন। নাকের ক্লিপ ব্যবহার করতে পারেন বা আঙুল দিয়ে নাক চেপে ধরুন।
advertisement
5/8
মিষ্টি জলে সাঁতার কাটার সময় জলের তলায় জমে থাকা পলি বা কাদা পা দিয়ে নাড়াচাড়া করা এড়িয়ে চলুন।কেবলমাত্র সঠিকভাবে জীবাণুমুক্ত করা (ডিসইনফেক্টেড) সুইমিং পুলেই সাঁতার কাটুন।
মিষ্টি জলে সাঁতার কাটার সময় জলের তলায় জমে থাকা পলি বা কাদা পা দিয়ে নাড়াচাড়া করা এড়িয়ে চলুন।কেবলমাত্র সঠিকভাবে জীবাণুমুক্ত করা (ডিসইনফেক্টেড) সুইমিং পুলেই সাঁতার কাটুন।
advertisement
6/8
পুকুর বা বদ্ধ জলাশয়ের জলে স্নান না করাই ভাল। উষ্ণ প্রস্রবণে স্নান করার সময়ে সাবধান হতে হবে। জল যেন কোনও ভাবেই নাক বা মুখ দিয়ে না ঢোকে।
পুকুর বা বদ্ধ জলাশয়ের জলে স্নান না করাই ভাল। উষ্ণ প্রস্রবণে স্নান করার সময়ে সাবধান হতে হবে। জল যেন কোনও ভাবেই নাক বা মুখ দিয়ে না ঢোকে।
advertisement
7/8
হ্রদ, নদী, বা পুকুরে সাঁতার কাটার সময় নাক বন্ধ রাখুন। সুইমিং পুলের জল অপরিষ্কার হলে বা তাতে পর্যাপ্ত ক্লোরিন না থাকলে সেখানে সাঁতার কাটবেন না।
হ্রদ, নদী, বা পুকুরে সাঁতার কাটার সময় নাক বন্ধ রাখুন। সুইমিং পুলের জল অপরিষ্কার হলে বা তাতে পর্যাপ্ত ক্লোরিন না থাকলে সেখানে সাঁতার কাটবেন না।
advertisement
8/8
যে জলে স্রোত আছে, সেখানে সাধারণত অ্যামিবা থাকে না। তবে সম্পূর্ণ ডুব দিয়ে স্নান না করাই ভাল।
যে জলে স্রোত আছে, সেখানে সাধারণত অ্যামিবা থাকে না। তবে সম্পূর্ণ ডুব দিয়ে স্নান না করাই ভাল।
advertisement
advertisement
advertisement