advertisement

Offbeat Travel Destination: কালিম্পংয়ের একঘেয়ে জায়গায় না ঘুরে, টার্গেট করুন ভালুখোপ! প্রিয় মানুষ-পাহাড়-প্রেম মিলে ফিরতে ইচ্ছে করবে না

Last Updated:
Offbeat Travel Destination: সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫,৩০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই পাহাড়ি গ্রামটি কালিম্পং শহর থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে। এখান থেকে ডেলো, লাভা, লোলে গাঁও, সিলেরি গাঁও, ইচ্ছে গাঁও, পেডং ও ঋষিখোলার মতো পর্যটনস্থল ঘোরা যায়।
1/5
শান্ত পরিবেশে কাঞ্চনজঙ্ঘার অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করতে চাইলে আদর্শ গন্তব্য ভালুখোপ। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫,৩০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই পাহাড়ি গ্রামটি কালিম্পং শহর থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে। এখান থেকে ডেলো, লাভা, লোলে গাঁও, সিলেরি গাঁও, ইচ্ছে গাঁও, পেডং ও ঋষিখোলার মতো পর্যটনস্থল ঘোরা যায়। জঙ্গলঘেরা পথে ট্রেকিংয়ের সুযোগও রয়েছে। মালবাজার স্টেশন থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরত্ব।
শান্ত পরিবেশে কাঞ্চনজঙ্ঘার অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করতে চাইলে আদর্শ গন্তব্য ভালুখোপ। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫,৩০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই পাহাড়ি গ্রামটি কালিম্পং শহর থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে। এখান থেকে ডেলো, লাভা, লোলে গাঁও, সিলেরি গাঁও, ইচ্ছে গাঁও, পেডং ও ঋষিখোলার মতো পর্যটনস্থল ঘোরা যায়। জঙ্গলঘেরা পথে ট্রেকিংয়ের সুযোগও রয়েছে। মালবাজার স্টেশন থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরত্ব।
advertisement
2/5
মাঙ্গেরজং: উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি জেলা কালিম্পঙের অফবিট পর্যটন মানচিত্রে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে মাঙ্গেরজং। দার্জিলিং–কালিম্পঙের ভিড় এড়িয়ে প্রকৃতির কোলে নির্জন এই গ্রাম পর্যটকদের টানছে। বিস্তীর্ণ তৃণভূমি, মনোরম সূর্যোদয় ও শান্ত পরিবেশে মুগ্ধ হচ্ছেন ভ্রমণপ্রেমীরা।
মাঙ্গেরজং: উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি জেলা কালিম্পঙের অফবিট পর্যটন মানচিত্রে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে মাঙ্গেরজং। দার্জিলিং–কালিম্পঙের ভিড় এড়িয়ে প্রকৃতির কোলে নির্জন এই গ্রাম পর্যটকদের টানছে। বিস্তীর্ণ তৃণভূমি, মনোরম সূর্যোদয় ও শান্ত পরিবেশে মুগ্ধ হচ্ছেন ভ্রমণপ্রেমীরা।
advertisement
3/5
সিলেরি গাঁও: সবুজ বন ও আঁকাবাঁকা নদীর স্রোতে ঘেরা সিলেরি গাঁও প্রকৃতিপ্রেমীদের স্বর্গ। ঘন জঙ্গলের পথ পেরিয়ে পৌঁছানো যায় তিন চুলি ও রামিতে দারা ভিউপয়েন্টে, যেখানে কাঞ্চনজঙ্ঘা, সিকিম, নাথু লা ও তিস্তার মনোরম দৃশ্য ধরা দেয়। চার কিলোমিটার দূরে প্রাচীন দামসাং দুর্গের ধ্বংসাবশেষ ইতিহাসের সাক্ষী। হেঁটে যাওয়ার রোমাঞ্চ, পাহাড়ি হাওয়া, পাখির ডাক আর নীরবতা ভ্রমণকে করে স্মরণীয় ও শান্তিময় অভিজ্ঞতা। মালবাজার থেকে সিলেরি গাঁওর দূরত্ব আনুমানিক ৬৫–৭০ কিলোমিটার
সিলেরি গাঁও: সবুজ বন ও আঁকাবাঁকা নদীর স্রোতে ঘেরা সিলেরি গাঁও প্রকৃতিপ্রেমীদের স্বর্গ। ঘন জঙ্গলের পথ পেরিয়ে পৌঁছানো যায় তিন চুলি ও রামিতে দারা ভিউপয়েন্টে, যেখানে কাঞ্চনজঙ্ঘা, সিকিম, নাথু লা ও তিস্তার মনোরম দৃশ্য ধরা দেয়। চার কিলোমিটার দূরে প্রাচীন দামসাং দুর্গের ধ্বংসাবশেষ ইতিহাসের সাক্ষী। হেঁটে যাওয়ার রোমাঞ্চ, পাহাড়ি হাওয়া, পাখির ডাক আর নীরবতা ভ্রমণকে করে স্মরণীয় ও শান্তিময় অভিজ্ঞতা। মালবাজার থেকে সিলেরি গাঁওর দূরত্ব আনুমানিক ৬৫–৭০ কিলোমিটার
advertisement
4/5
ঋষিখোলা: পশ্চিমবঙ্গ–সিকিম সীমান্তে অবস্থিত ঋষিখোলা এক জনপ্রিয় অথচ অফবিট পর্যটন কেন্দ্র। ঋষি নদী দুটি রাজ্যকে বিভক্ত করেছে। পাথুরে অফরোড রাস্তা, দুর্বল নেটওয়ার্ক ও লোডশেডিং থাকলেও নিস্তরঙ্গ প্রকৃতি ও শান্ত রাত ভ্রমণকে করে তোলে অনন্য অভিজ্ঞতা।
ঋষিখোলা: পশ্চিমবঙ্গ–সিকিম সীমান্তে অবস্থিত ঋষিখোলা এক জনপ্রিয় অথচ অফবিট পর্যটন কেন্দ্র। ঋষি নদী দুটি রাজ্যকে বিভক্ত করেছে। পাথুরে অফরোড রাস্তা, দুর্বল নেটওয়ার্ক ও লোডশেডিং থাকলেও নিস্তরঙ্গ প্রকৃতি ও শান্ত রাত ভ্রমণকে করে তোলে অনন্য অভিজ্ঞতা।
advertisement
5/5
বিদ্যাং: পাখির কলতান, আকাশছোঁয়া পাহাড় আর মনভরানো প্রকৃতির টানে সময় পেলে ঘুরে আসতেই পারেন কালিম্পং বিদ্যাং। চাইলে গাড়ি নিয়ে পৌঁছে যান আলগারাহ গ্রামেও। চাঁদের আলোয় জায়গাটা হয়ে ওঠে আরও মোহময়। নদীর ধারে হাঁটা, কাঠের ঝুলন্ত সেতুতে সেলফি—সব মিলিয়ে দারুণ অভিজ্ঞতা। ভাগ্য ভাল হলে চোখে পড়বে রঙিন পাখি আর প্রজাপতিও।
বিদ্যাং: পাখির কলতান, আকাশছোঁয়া পাহাড় আর মনভরানো প্রকৃতির টানে সময় পেলে ঘুরে আসতেই পারেন কালিম্পং বিদ্যাং। চাইলে গাড়ি নিয়ে পৌঁছে যান আলগারাহ গ্রামেও। চাঁদের আলোয় জায়গাটা হয়ে ওঠে আরও মোহময়। নদীর ধারে হাঁটা, কাঠের ঝুলন্ত সেতুতে সেলফি—সব মিলিয়ে দারুণ অভিজ্ঞতা। ভাগ্য ভাল হলে চোখে পড়বে রঙিন পাখি আর প্রজাপতিও।
advertisement
advertisement
advertisement