East Bardhaman News: বাড়িতে না বানালেও চলবে, হাতের কাছে দোকান! মনভোলানো পিঠের স্বাদে মাতোয়ারা বর্ধমান
- Reported by:Sayani Sarkar
- local18
- Published by:Rachana Majumder
Last Updated:
পৌষ সংক্রান্তি মানেই বর্ধমানবাসির জন্য যেন এক নস্টালজিয়া। ঠান্ডা হিমেল বাতাস, ঘুড়ির সুতোয় টান আর সঙ্গে নানান রকমের পিঠে। এগুলি ছাড়া অসম্পূর্ণ বর্ধমানবাসির পৌষ সংক্রান্তি। কিন্তু বাড়িতে পিঠে বানানোর সময় নেই ? এবার আফসোস করতে হবে না দোকানেই মিলবে পিঠে।
বর্ধমান, সায়নী সরকার: পৌষ সংক্রান্তি মানেই বর্ধমানবাসির জন্য যেন এক নস্টালজিয়া। ঠান্ডা হিমেল বাতাস, ঘুড়ির সুতোয় টান আর সঙ্গে নানান রকমের পিঠে। এগুলি ছাড়া অসম্পূর্ণ বর্ধমানবাসির পৌষ সংক্রান্তি। বেশ কিছুদিন ধরেই ঘরে ঘরে শুরু হয় পৌষ পার্বণের আয়োজন, আর তার মধ্যমণি হল নানা ধরনের পিঠে। কিন্তু বর্তমানে কর্মব্যস্ততায় অনেকেরই সময় হয় না পিঠে বানানো আবার নবপ্রজন্মের অনেকেই জানেন না পিঠে বানাতে। কিন্তু এবার আর মন খারাপ না, দোকানেই মিলবে নানান রকমের পিঠে। আর শুধু পৌষ সংক্রান্তির দিন নয় তারপরও কিছুদিন পাওয়া যাবে এই পিঠে।
advertisement
মাঠ থেকে নতুন ধান বাড়িতে যাওয়ার পর গ্রাম বাংলায় পালিত হয় নবান্ন উৎসব।নতুন ধানের চাল গুড়ি দিয়েই হয় পিঠে পার্বণ যা আজও গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য।বাড়ির বয়স্কদের হাতের তৈরি এই পিঠে আর নলেন গুড়-র আজও বাঙালির কাছে নস্টালজিয়া। কিন্তু বর্তমান সময়ে কর্ম ব্যস্ততার জন্য অনেকেই আর তৈরি করতে পারেন না। আবার বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই জানেন না পিঠে বানানোর পদ্ধতি। তাই অনেকেরই পিঠে খাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও খেতে পান না। কিন্তু আর করতে হবে না আফসোস।
advertisement
advertisement
advertisement






