Bankura Tourism: লাল ইট থেকে সূর্য মন্দির, বাঁকুড়ার যে চার মন্দিরে লুকিয়ে শতাব্দীর স্থাপত্য বিস্ময়, না দেখলে বড় মিস...
- Reported by:Nilanjan Banerjee
- hyperlocal
- Published by:Rukmini Mazumder
Last Updated:
এক্তেশ্বর থেকে জোড়বাংলা—বাঁকুড়ার চার ঐতিহাসিক মন্দিরে ধরা পড়ে বাংলার স্থাপত্য বিবর্তনের অনন্য ছবি।
বাঁকুড়া জেলা শুধু জঙ্গলমহল বা লোকশিল্পের জন্যই নয়, তার মন্দির স্থাপত্যের বৈচিত্র্যের জন্যও রাজ্যের ইতিহাসে এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে। প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় স্থাপত্যশৈলীর মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এই জেলার একাধিক মন্দির আজও গবেষক, পর্যটক ও ইতিহাসপ্রেমীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। এর মধ্যে একতেশ্বর শিব মন্দির, ত্রীধারা মন্দির, সোনাতপল সূর্য মন্দির ও বিষ্ণুপুরের জোরবাংলা মন্দির স্থাপত্যগত দিক থেকে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ছবি ও তথ্য নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
advertisement
advertisement
advertisement
বাঁকুড়া শহরের কাছে অবস্থিত একতেশ্বর শিব মন্দির মূলত একটি প্রাচীন শিব উপাসনাকেন্দ্র। এই মন্দিরের গঠনশৈলিতে দেখা যায় সরল রৈখিক গঠন ও প্রাচীন নাগর শৈলীর প্রভাব। উঁচু শিখর, ইট ও পাথরের ব্যবহার এবং অলঙ্করণে এই মন্দিরের স্থাপত্যে আধ্যাত্মিক গাম্ভীর্যকে আরও স্পষ্ট করে তোলে। স্থানীয়দের কাছে এটি শুধু ধর্মীয় স্থান নয়, ঐতিহাসিক পরিচয়ের প্রতীক।
advertisement
বাঁকুড়ার মন্দির স্থাপত্যের সর্বাধিক পরিচিত নিদর্শন নিঃসন্দেহে বিষ্ণুপুরের জোরবাংলা মন্দির। মল্ল রাজাদের আমলে নির্মিত এই মন্দিরে বাংলার ঘরোয়া স্থাপত্যকে মন্দির রূপে রূপান্তরিত করা হয়েছে। পাশাপাশি থাকা দুটি বাংলা চালার আদলে তৈরি কাঠামো থেকেই ‘জোরবাংলা’ নামের উৎপত্তি। টেরাকোটার সূক্ষ্ম কাজ, পৌরাণিক কাহিনির ফলক ও ইটের অলঙ্করণ এই মন্দিরকে আন্তর্জাতিক স্তরেও পরিচিত করেছে।
advertisement
এর পরেই আসে ত্রীধারা মন্দির, যা নামের মধ্যেই তার গঠনগত বৈশিষ্ট্য বহন করে। তিনটি ধারায় বিভক্ত ছাদ ও শিখর এই মন্দিরের প্রধান আকর্ষণ। ইটের গাঁথুনির উপর সূক্ষ্ম কারুকার্য ও অলঙ্করণে মধ্যযুগীয় বাংলা মন্দির স্থাপত্যের স্বাক্ষর স্পষ্ট। গবেষকদের মতে, এই মন্দিরে চালা ও রথ শৈলীর একটি সংমিশ্রণ লক্ষ্য করা যায়, যা বাঁকুড়ার স্থাপত্য বৈচিত্র্যকে তুলে ধরে।






