advertisement

Arpita Roy| Yoga Teacher| বাদ গিয়েছে দুটি পা-ই, যোগ শিখিয়ে খ্যাতি-অর্থের পাহাড় চড়ছেন বাঙালি কন্যা...

Last Updated:
Arpita Roy| Yoga Teacher| কে বলবে তাঁর দুটি পা নেই! এক কথায় বললে স্বয়ংসম্পূর্ণা তিনি। অর্পিতার গল্প হার মানাবে সিনেমাকেও-
1/5
একজন সুস্থ সবল ব্যক্তিকে চ্যালেঞ্জ দিলে তিনি যখন তখন শীর্ষাসন করতে পারবেন না। কিন্তু অর্পিতা এই বিপজ্জনক আসন করেন যখন তখন চোখের নিমিষে। কে বলবে তাঁর দুটো পা-ই নেই!
একজন সুস্থ সবল ব্যক্তিকে চ্যালেঞ্জ দিলে তিনি যখন তখন শীর্ষাসন করতে পারবেন না। কিন্তু অর্পিতা এই বিপজ্জনক আসন করেন যখন তখন চোখের নিমিষে। কে বলবে তাঁর দুটো পা-ই নেই!
advertisement
2/5
হ্যাঁ, শুনতে অবাক লাগলেও সত্যি, ব্যারাকপুরের বাসিন্দা ৩৫ বছরের এই বাঙালি কন্যা অর্পিতা রায় আজ পুরোদস্তুর যোগশিক্ষক। তাঁর জীবন যেন কোনও সিনেমার চিত্রনাট্য।
হ্যাঁ, শুনতে অবাক লাগলেও সত্যি, ব্যারাকপুরের বাসিন্দা ৩৫ বছরের এই বাঙালি কন্যা অর্পিতা রায় আজ পুরোদস্তুর যোগশিক্ষক। তাঁর জীবন যেন কোনও সিনেমার চিত্রনাট্য।
advertisement
3/5
২০০৬ সালের ২২ এপ্রিল বন্ধুর বাইকের পিছনে বসে ব্যারাকপুর থেকে কলকাতা যাওয়ার সময় ভয়াবহ অ্যাক্সিডেন্টের মুখোমুখি হন অর্পিতা। লরি এসে সজোরে ধাক্কা মারে তাঁদের বাইকে। চিকিৎসক সব দেখে বলেন সার্জারি ছাড়া কোন উপায় নেই। দুটি পা-ই অগত্যা বাদ দিতে হয় অর্পিতার। অর্থ থাকলে দুটি পা বাঁচাতেও পারতেন অর্পিতা। কিন্তু তখন সেই সামর্থ্য তাদের ছিল না।
২০০৬ সালের ২২ এপ্রিল বন্ধুর বাইকের পিছনে বসে ব্যারাকপুর থেকে কলকাতা যাওয়ার সময় ভয়াবহ অ্যাক্সিডেন্টের মুখোমুখি হন অর্পিতা। লরি এসে সজোরে ধাক্কা মারে তাঁদের বাইকে। চিকিৎসক সব দেখে বলেন সার্জারি ছাড়া কোন উপায় নেই। দুটি পা-ই অগত্যা বাদ দিতে হয় অর্পিতার। অর্থ থাকলে দুটি পা বাঁচাতেও পারতেন অর্পিতা। কিন্তু তখন সেই সামর্থ্য তাদের ছিল না।
advertisement
4/5
এরপর শুরু হয় নতুন লড়াই। ২০১৫ থেকে যোগ শুরু করেন অর্পিতা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে দেখে মুগ্ধ হয়ে যান নেটিজেনরা। সামনে আসে তাঁর ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই।
এরপর শুরু হয় নতুন লড়াই। ২০১৫ থেকে যোগ শুরু করেন অর্পিতা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে দেখে মুগ্ধ হয়ে যান নেটিজেনরা। সামনে আসে তাঁর ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই।
advertisement
5/5
আজ অর্পিতা একজন সফল ইনস্ট্রাক্টর। কোভিডেদর সময় বহু মানুষকে যোগের মাধ্যমে সুস্থ থাকার পথ দেখিয়েছেন তিনি। হেন আসন নেই যা তিনি পারেন না। ২৫ জন নানা বয়সের ছাত্রছাত্রী নিয়মিত তাঁর কাছ থেকে যোগাভ্যাস শেখে। পা নেই বলেও অর্পিতার আফশোসও নেই আজ। হাসিমুখে তিনি বলতে পারেন, হাম কিসিসে কম নেহি।
আজ অর্পিতা একজন সফল ইনস্ট্রাক্টর। কোভিডেদর সময় বহু মানুষকে যোগের মাধ্যমে সুস্থ থাকার পথ দেখিয়েছেন তিনি। হেন আসন নেই যা তিনি পারেন না। ২৫ জন নানা বয়সের ছাত্রছাত্রী নিয়মিত তাঁর কাছ থেকে যোগাভ্যাস শেখে। পা নেই বলেও অর্পিতার আফশোসও নেই আজ। হাসিমুখে তিনি বলতে পারেন, হাম কিসিসে কম নেহি।
advertisement
advertisement
advertisement