হারিয়েছেন ৮৫% দৃষ্টিশক্তি! জেলেই অন্ধ হওয়ার পথে ইমরান খান! আসিম মুনিরের চালে ভয়ঙ্কর দুর্দশা
- Published by:Soumendu Chakraborty
- news18 bangla
Last Updated:
ইমরান খান “প্রাতিষ্ঠানিক চিকিৎসা অবহেলা”-র কারণে স্থায়ীভাবে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। ‘ফ্রেন্ড অব দ্য কোর্ট’ হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী অ্যাডভোকেট সলমান সাফদারের প্রস্তুত করা এই প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, জেনারেল আসিম মুনিরের নেতৃত্বাধীন সামরিক প্রতিষ্ঠানের পরিকল্পিত পদক্ষেপের ফলেই পিটিআই প্রতিষ্ঠাতার ওপর এমন শারীরিক ক্ষতি করা হয়েছে, যাতে প্রচলিত ফরেনসিক প্রমাণ না থাকে।
advertisement
advertisement
সাত পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের শেষ দিক থেকে তাঁর চিকিৎসা সুবিধা পদ্ধতিগতভাবে অস্বীকার করা হয়। নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ইমরান খানের দুই চোখেই ৬/৬ স্বাভাবিক দৃষ্টি ছিল। এরপর তিনি আদিয়ালা জেলের তৎকালীন সুপারিনটেনডেন্টকে “স্থায়ী ঝাপসা ও ঘোলাটে দৃষ্টি”-র অভিযোগ জানান।
advertisement
প্রায় তিন মাস ধরে তাঁর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অনুরোধ উপেক্ষা করা হয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পরিবর্তে তাঁকে শুধু সাধারণ চোখের ড্রপ দেওয়া হয়, যা “কোনও উন্নতি ঘটায়নি।”অবহেলার জেরে শেষ পর্যন্ত তাঁর ডান চোখের দৃষ্টি সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যায়। পরিস্থিতি চরমে পৌঁছানোর পরেই পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস (পিমস)-এর চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. মুহম্মদ আরিফকে ডেকে পাঠানো হয়।
advertisement
advertisement
ভারতের শীর্ষ গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, এটি পাকিস্তানের সামরিক প্রতিষ্ঠানের তথাকথিত “নীরব নির্মূল”-এর বৃহত্তর কৌশলের অংশ। এই কৌশলে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের শারীরিক অবস্থা এমন পর্যায়ে অবনতি হতে দেওয়া হয়, যেখান থেকে আর পুরোপুরি সুস্থ হওয়া সম্ভব নয়; এরপর চিকিৎসা দেওয়া হয় শুধু তাৎক্ষণিক মৃত্যু ঠেকাতে, কিন্তু স্থায়ী অক্ষমতা নিশ্চিত করতে।
advertisement
advertisement
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান মূলত বার্ধক্যজনিত ও দাঁতের চিকিৎসা থেকেও বঞ্চিত। গত দুই বছরে একাধিক অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি নাকি কোনও দন্তচিকিৎসক দেখেননি বা নিয়মিত রক্তপরীক্ষা করাতে পারেননি। এতে একটি সম্ভাব্য “চিকিৎসা ষড়যন্ত্র”-এর আশঙ্কা আরও জোরদার হয়েছে।এই “উদ্বেগজনক” অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি ইয়াহিয়া আফ্রিদির নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্ট ১২ ফেব্রুয়ারি অবিলম্বে একটি স্বাধীন মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের নির্দেশ দিয়েছে, যা ইমরান খানের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে। পাশাপাশি তাঁকে ব্রিটেনে অবস্থানরত তাঁর দুই পুত্রের সঙ্গে কথা বলার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।









