ফোর্ড-শ্রেণীর বিমানবাহী জাহাজ, বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী, এই ১ ট্রিলিয়ন ডলারের জলযানে ২৫ বছর ধরে জ্বালানির প্রয়োজন নেই !

Last Updated:
Gerald R Ford-class Carrier: যখন এই ১০০,০০০ টনের দানব সমুদ্রের ঢেউয়ের মধ্য দিয়ে প্রায় উড়ে যায়, তখন শত্রু জাতির রাডার কাঁপে এবং স্যাটেলাইটগুলি এর উপর স্থির থাকে। এটিকে সমুদ্রে একটি অজেয় দুর্গ বলা ভুল হবে না, কারণ এটিকে রক্ষা করার জন্য মোতায়েন করা ক্ষেপণাস্ত্র এবং লেজার বন্দুকগুলি এমনকি, একটি পাখিকেও উড়তে বাধা দেয়। এটি কেবল একটি জাহাজ নয়, বরং আমেরিকার গর্বের প্রতীক, এমন একটি কীর্তি যা বর্তমানে বিশ্বের অন্য কোনও সামরিক বাহিনী চ্যালেঞ্জ করার সাহস করে না।
1/10
কল্পনা করা যাক সমুদ্রের তলদেশে ভাসমান লোহার এক পাহাড়ের, যা একক নির্দেশে বিশ্বের যে কোনও কোণে ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে সক্ষম। এটি কোনও হলিউড সিনেমার দৃশ্য নয়, বরং মার্কিন নৌবাহিনীর জেরাল্ড আর. ফোর্ড বিমানবাহী জাহাজ। যখন এই ১০০,০০০ টনের দানব সমুদ্রের ঢেউয়ের মধ্য দিয়ে প্রায় উড়ে যায়, তখন শত্রু জাতির রাডার কাঁপে এবং স্যাটেলাইটগুলি এর উপর স্থির থাকে। এটিকে সমুদ্রে একটি অজেয় দুর্গ বলা ভুল হবে না, কারণ এটিকে রক্ষা করার জন্য মোতায়েন করা ক্ষেপণাস্ত্র এবং লেজার বন্দুকগুলি এমনকি, একটি পাখিকেও উড়তে বাধা দেয়। এটি কেবল একটি জাহাজ নয়, বরং আমেরিকার গর্বের প্রতীক, এমন একটি কীর্তি যা বর্তমানে বিশ্বের অন্য কোনও সামরিক বাহিনী চ্যালেঞ্জ করার সাহস করে না।
কল্পনা করা যাক সমুদ্রের তলদেশে ভাসমান লোহার এক পাহাড়ের, যা একক নির্দেশে বিশ্বের যে কোনও কোণে ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে সক্ষম। এটি কোনও হলিউড সিনেমার দৃশ্য নয়, বরং মার্কিন নৌবাহিনীর জেরাল্ড আর. ফোর্ড বিমানবাহী জাহাজ। যখন এই ১০০,০০০ টনের দানব সমুদ্রের ঢেউয়ের মধ্য দিয়ে প্রায় উড়ে যায়, তখন শত্রু জাতির রাডার কাঁপে এবং স্যাটেলাইটগুলি এর উপর স্থির থাকে। এটিকে সমুদ্রে একটি অজেয় দুর্গ বলা ভুল হবে না, কারণ এটিকে রক্ষা করার জন্য মোতায়েন করা ক্ষেপণাস্ত্র এবং লেজার বন্দুকগুলি এমনকি, একটি পাখিকেও উড়তে বাধা দেয়। এটি কেবল একটি জাহাজ নয়, বরং আমেরিকার গর্বের প্রতীক, এমন একটি কীর্তি যা বর্তমানে বিশ্বের অন্য কোনও সামরিক বাহিনী চ্যালেঞ্জ করার সাহস করে না।
advertisement
2/10
ফোর্ড ক্লাসের অতুলনীয় বৈশিষ্ট্য: ফোর্ড-ক্লাস বিমানবাহী জাহাজগুলি তাদের নিমিটজ-ক্লাস পূর্বসূরীদের তুলনায় অনেক বেশি উন্নত। এর সবচেয়ে বড় সাফল্য হল EMALS (ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক এয়ারক্রাফ্ট লঞ্চ সিস্টেম)। পূর্বে বাষ্প ব্যবহার করে বিমান উৎক্ষেপণ করা হত, কিন্তু এখন শক্তিশালী চৌম্বকীয় তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়, যা ভারী এবং হালকা উভয় বিমানের (ড্রোন) দ্রুত উৎক্ষেপণের অনুমতি দেয়। (Photo Credit: US Navy)
ফোর্ড ক্লাসের অতুলনীয় বৈশিষ্ট্য: ফোর্ড-ক্লাস বিমানবাহী জাহাজগুলি তাদের নিমিটজ-ক্লাস পূর্বসূরীদের তুলনায় অনেক বেশি উন্নত। এর সবচেয়ে বড় সাফল্য হল EMALS (ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক এয়ারক্রাফ্ট লঞ্চ সিস্টেম)। পূর্বে বাষ্প ব্যবহার করে বিমান উৎক্ষেপণ করা হত, কিন্তু এখন শক্তিশালী চৌম্বকীয় তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়, যা ভারী এবং হালকা উভয় বিমানের (ড্রোন) দ্রুত উৎক্ষেপণের অনুমতি দেয়। (Photo Credit: US Navy)
advertisement
3/10
অগ্নিশক্তি: জাহাজটি দিনে ১৬০ থেকে ২২০টি উড়োজাহাজ পরিচালনা করতে পারে। এটি F-35C এবং F/A-18E/F সুপার হর্নেট-সহ ৭৫টিরও বেশি যুদ্ধবিমান বহন করে। অটোমেশন: উন্নত প্রযুক্তির কারণে এটির জন্য নিমিটজ শ্রেণীর তুলনায় ৭০০ থেকে ১,০০০ জন কম কর্মী প্রয়োজন, যা পরিচালনা খরচ কমিয়ে দেয়।
অগ্নিশক্তি: জাহাজটি দিনে ১৬০ থেকে ২২০টি উড়োজাহাজ পরিচালনা করতে পারে। এটি F-35C এবং F/A-18E/F সুপার হর্নেট-সহ ৭৫টিরও বেশি যুদ্ধবিমান বহন করে।অটোমেশন: উন্নত প্রযুক্তির কারণে এটির জন্য নিমিটজ শ্রেণীর তুলনায় ৭০০ থেকে ১,০০০ জন কম কর্মী প্রয়োজন, যা পরিচালনা খরচ কমিয়ে দেয়।
advertisement
4/10
A1B নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর: এটি দুটি শক্তিশালী নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর দিয়ে সজ্জিত, যা এটিকে সীমাহীন পরিসর দেয়। এটি জ্বালানি ছাড়াই ২৫ বছর ধরে সমুদ্রে থাকতে পারে। ডুয়াল রাডার সিস্টেম: এতে একটি ডুয়াল ব্যান্ড রাডার (DBR) রয়েছে, যা অনেক দূর থেকে শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্র এবং বিমান ট্র্যাক করে। খরচ এবং মালিকানা: ফোর্ড ক্লাসকে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সামরিক প্রকল্প হিসাবে বিবেচনা করা হয়। প্রথম USS Gerald R. Ford (CVN 78) তৈরিতে প্রায় ১৩.৩ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ১.১ লাখ কোটি টাকা) খরচ হয়েছে। গবেষণা ও উন্নয়নে (R&D) আরও ৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয়েছে। ফোর্ড ক্লাস কোন দেশগুলির আছে: বর্তমানে শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এই প্রযুক্তি রয়েছে। মার্কিন নৌবাহিনী মোট ১০টি ফোর্ড-শ্রেণীর রণতরী তৈরির পরিকল্পনা করছে। (Photo: AP)
A1B নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর: এটি দুটি শক্তিশালী নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর দিয়ে সজ্জিত, যা এটিকে সীমাহীন পরিসর দেয়। এটি জ্বালানি ছাড়াই ২৫ বছর ধরে সমুদ্রে থাকতে পারে।ডুয়াল রাডার সিস্টেম: এতে একটি ডুয়াল ব্যান্ড রাডার (DBR) রয়েছে, যা অনেক দূর থেকে শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্র এবং বিমান ট্র্যাক করে। খরচ এবং মালিকানা: ফোর্ড ক্লাসকে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সামরিক প্রকল্প হিসাবে বিবেচনা করা হয়। প্রথম USS Gerald R. Ford (CVN 78) তৈরিতে প্রায় ১৩.৩ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ১.১ লাখ কোটি টাকা) খরচ হয়েছে। গবেষণা ও উন্নয়নে (R&D) আরও ৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয়েছে। ফোর্ড ক্লাস কোন দেশগুলির আছে: বর্তমানে শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এই প্রযুক্তি রয়েছে। মার্কিন নৌবাহিনী মোট ১০টি ফোর্ড-শ্রেণীর রণতরী তৈরির পরিকল্পনা করছে। (Photo: AP)
advertisement
5/10
১. ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড (সিভিএন ৭৮): বর্তমানে পরিষেবায় রয়েছে। ২. ইউএসএস জন এফ. কেনেডি (সিভিএন ৭৯): পরীক্ষার চূড়ান্ত পর্যায়ে। ৩. ইউএসএস এন্টারপ্রাইজ (সিভিএন ৮০) এবং ইউএসএস ডরিস মিলার (সিভিএন ৮১): নির্মাণাধীন।
১. ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড (সিভিএন ৭৮): বর্তমানে পরিষেবায় রয়েছে। ২. ইউএসএস জন এফ. কেনেডি (সিভিএন ৭৯): পরীক্ষার চূড়ান্ত পর্যায়ে। ৩. ইউএসএস এন্টারপ্রাইজ (সিভিএন ৮০) এবং ইউএসএস ডরিস মিলার (সিভিএন ৮১): নির্মাণাধীন।
advertisement
6/10
ভূ-রাজনীতি: সমুদ্র থেকে একটি 'সুপারপাওয়ার' বার্তা: ভূ-রাজনীতিতে ফোর্ড শ্রেণী একটি কূটনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। যখনই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে কোনও দেশকে (যেমন চিন বা ইরান) সতর্ক করার প্রয়োজন হয়, তখনই তারা সেই অঞ্চলে তার বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করে। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরে চিনকে চ্যালেঞ্জ করা: দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবেলায় ফোর্ড শ্রেণী একটি প্রধান অস্ত্র। এটি তাইওয়ানের নিরাপত্তা এবং মুক্ত বাণিজ্য রুট নিশ্চিত করার একটি মূল হাতিয়ার।ক্ষমতার ভারসাম্য: একটি ফোর্ড-শ্রেণীর রণতরী একটি সম্পূর্ণ রণতরী স্ট্রাইক গ্রুপ বহন করে, যার মধ্যে রয়েছে ডেস্ট্রয়ার, সাবমেরিন এবং ক্রুজার। এটি একটি ছোট দেশের পুরো বিমান বাহিনীকে এককভাবে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে। এটি কি ভবিষ্যতের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত? হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের যুগে এত দামি জাহাজ নিরাপদ কি না তা নিয়েও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে বিতর্ক রয়েছে। চিন এবং রাশিয়ার মতো দেশগুলি এখন ক্যারিয়ার-কিলার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে। তবে, ফোর্ড ক্লাসের কাছে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং লেজার অস্ত্র রয়েছে, যা একটি প্রতিরক্ষামূলক ঢাল প্রদান করে। ফোর্ড ক্লাস কেবল একটি জাহাজ নয়, বরং আমেরিকান প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের প্রতীক। উচ্চ ব্যয় সত্ত্বেও এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বব্যাপী শক্তির লড়াইয়ে এমন একটি স্থান দেয় যা বর্তমানে কোনও দেশের পক্ষে অতিক্রম করা অসম্ভব। এটি ২০২৬ এবং তার পরেও মার্কিন নৌবাহিনীর মেরুদণ্ড হিসাবে কার্যকর থাকবে।
ভূ-রাজনীতি: সমুদ্র থেকে একটি 'সুপারপাওয়ার' বার্তা: ভূ-রাজনীতিতে ফোর্ড শ্রেণী একটি কূটনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। যখনই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে কোনও দেশকে (যেমন চিন বা ইরান) সতর্ক করার প্রয়োজন হয়, তখনই তারা সেই অঞ্চলে তার বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করে। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরে চিনকে চ্যালেঞ্জ করা: দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবেলায় ফোর্ড শ্রেণী একটি প্রধান অস্ত্র। এটি তাইওয়ানের নিরাপত্তা এবং মুক্ত বাণিজ্য রুট নিশ্চিত করার একটি মূল হাতিয়ার।ক্ষমতার ভারসাম্য: একটি ফোর্ড-শ্রেণীর রণতরী একটি সম্পূর্ণ রণতরী স্ট্রাইক গ্রুপ বহন করে, যার মধ্যে রয়েছে ডেস্ট্রয়ার, সাবমেরিন এবং ক্রুজার। এটি একটি ছোট দেশের পুরো বিমান বাহিনীকে এককভাবে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে। এটি কি ভবিষ্যতের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত? হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের যুগে এত দামি জাহাজ নিরাপদ কি না তা নিয়েও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে বিতর্ক রয়েছে। চিন এবং রাশিয়ার মতো দেশগুলি এখন ক্যারিয়ার-কিলার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে। তবে, ফোর্ড ক্লাসের কাছে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং লেজার অস্ত্র রয়েছে, যা একটি প্রতিরক্ষামূলক ঢাল প্রদান করে। ফোর্ড ক্লাস কেবল একটি জাহাজ নয়, বরং আমেরিকান প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের প্রতীক। উচ্চ ব্যয় সত্ত্বেও এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বব্যাপী শক্তির লড়াইয়ে এমন একটি স্থান দেয় যা বর্তমানে কোনও দেশের পক্ষে অতিক্রম করা অসম্ভব। এটি ২০২৬ এবং তার পরেও মার্কিন নৌবাহিনীর মেরুদণ্ড হিসাবে কার্যকর থাকবে।
advertisement
7/10
ফোর্ড ক্লাস এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার সম্পর্কে ৫ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: ১) ফোর্ড ক্লাস কেন বিশ্বের অন্যান্য বিমান বাহক থেকে আলাদা: এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল EMALS (ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক এয়ারক্রাফ্ট লঞ্চ সিস্টেম)। যদিও পুরনো বিমান বাহক বিমান চালনার জন্য বাষ্প ব্যবহার করত, ফোর্ড ক্লাস শক্তিশালী চৌম্বকীয় তরঙ্গ ব্যবহার করে। এটি কেবল বিমানের গতি বাড়ায় না বরং হালকা ওজনের ড্রোনগুলির সহজ স্থাপনার অনুমতি দেয়।২) এই যুদ্ধজাহাজের মোট খরচ কত এবং এটি তৈরিতে কত সময় লেগেছে: এর পূর্বসূরী ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ডের (সিভিএন ৭৮) খরচ ছিল প্রায় ১৩.৩ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ১.১ লাখ কোটি টাকা)। এর নির্মাণে প্রায় ১২ বছর সময় লেগেছে। এটিকে এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এবং উন্নত সামরিক প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
ফোর্ড ক্লাস এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার সম্পর্কে ৫ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: ১) ফোর্ড ক্লাস কেন বিশ্বের অন্যান্য বিমান বাহক থেকে আলাদা: এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল EMALS (ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক এয়ারক্রাফ্ট লঞ্চ সিস্টেম)। যদিও পুরনো বিমান বাহক বিমান চালনার জন্য বাষ্প ব্যবহার করত, ফোর্ড ক্লাস শক্তিশালী চৌম্বকীয় তরঙ্গ ব্যবহার করে। এটি কেবল বিমানের গতি বাড়ায় না বরং হালকা ওজনের ড্রোনগুলির সহজ স্থাপনার অনুমতি দেয়।২) এই যুদ্ধজাহাজের মোট খরচ কত এবং এটি তৈরিতে কত সময় লেগেছে: এর পূর্বসূরী ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ডের (সিভিএন ৭৮) খরচ ছিল প্রায় ১৩.৩ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ১.১ লাখ কোটি টাকা)। এর নির্মাণে প্রায় ১২ বছর সময় লেগেছে। এটিকে এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এবং উন্নত সামরিক প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
advertisement
8/10
৩) ফোর্ড-ক্লাসের কি জ্বালানি প্রয়োজন: না, এটি দুটি পারমাণবিক চুল্লি (A1B পারমাণবিক চুল্লি) দ্বারা চালিত। অতএব, এতে ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে জ্বালানি ভরার প্রয়োজন হয় না। এটি সমুদ্রে সীমাহীন দূরত্বে অবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করতে পারে, যা এটিকে তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্বের যে কোনও কোণে পৌঁছানোর ক্ষমতা দেয়।
৩) ফোর্ড-ক্লাসের কি জ্বালানি প্রয়োজন: না, এটি দুটি পারমাণবিক চুল্লি (A1B পারমাণবিক চুল্লি) দ্বারা চালিত। অতএব, এতে ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে জ্বালানি ভরার প্রয়োজন হয় না। এটি সমুদ্রে সীমাহীন দূরত্বে অবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করতে পারে, যা এটিকে তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্বের যে কোনও কোণে পৌঁছানোর ক্ষমতা দেয়।
advertisement
9/10
৪) এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কী? এটি কি ক্ষেপণাস্ত্র দ্বারা ডুবিয়ে দেওয়া যেতে পারে? ফোর্ড-ক্লাস একটি দুর্ভেদ্য দুর্গের মতো। এটি একটি ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ (ধ্বংসকারী এবং সাবমেরিন) দ্বারা বেষ্টিত। জাহাজটি নিজেই উন্নত ডুয়াল-ব্যান্ড রাডার (ডিবিআর) এবং ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সজ্জিত। যদিও চিন ক্যারিয়ার-কিলার ক্ষেপণাস্ত্রের মালিক বলে দাবি করে, ফোর্ডের ইলেকট্রনিক যুদ্ধ প্রযুক্তি এবং লেজার অস্ত্র এটিকে কার্যত অজেয় করে তুলেছে।
৪) এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কী? এটি কি ক্ষেপণাস্ত্র দ্বারা ডুবিয়ে দেওয়া যেতে পারে? ফোর্ড-ক্লাস একটি দুর্ভেদ্য দুর্গের মতো। এটি একটি ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ (ধ্বংসকারী এবং সাবমেরিন) দ্বারা বেষ্টিত। জাহাজটি নিজেই উন্নত ডুয়াল-ব্যান্ড রাডার (ডিবিআর) এবং ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সজ্জিত। যদিও চিন ক্যারিয়ার-কিলার ক্ষেপণাস্ত্রের মালিক বলে দাবি করে, ফোর্ডের ইলেকট্রনিক যুদ্ধ প্রযুক্তি এবং লেজার অস্ত্র এটিকে কার্যত অজেয় করে তুলেছে।
advertisement
10/10
৫) জিওপলিটিক্স এই কথাটির তাৎপর্য কী? এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য শক্তি প্রদর্শনের একটি হাতিয়ার। এর উপস্থিতিই একটি অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিকে বদলে দিতে পারে। চিনের সঙ্গে বর্তমান উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যে এটি দক্ষিণ চিন সাগর এবং তাইওয়ানের নিরাপত্তার জন্য আমেরিকার সবচেয়ে মারাত্মক অস্ত্র। এটি সমুদ্রে আমেরিকার আধিপত্যের উজ্জ্বল প্রমাণ।
৫) জিওপলিটিক্স এই কথাটির তাৎপর্য কী? এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য শক্তি প্রদর্শনের একটি হাতিয়ার। এর উপস্থিতিই একটি অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিকে বদলে দিতে পারে। চিনের সঙ্গে বর্তমান উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যে এটি দক্ষিণ চিন সাগর এবং তাইওয়ানের নিরাপত্তার জন্য আমেরিকার সবচেয়ে মারাত্মক অস্ত্র। এটি সমুদ্রে আমেরিকার আধিপত্যের উজ্জ্বল প্রমাণ।
advertisement
advertisement
advertisement