Bollywood Gossip: তাঁর গানের দিওয়ানা বহু, ৪ বাচ্চার বাবার সঙ্গে পাগলের মতো প্রেম, দ্বিতীয়া স্ত্রী হয়ে কাটল জীবন, ৩৫ বছর ধরে শরীরে এই অংশে বাসা বেধেছে মারাত্মক রোগ
- Published by:Debalina Datta
- news18 bangla
Last Updated:
Bollywood Gossip: অসীম গুণের অধিকারী, কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে নিয়েছেন বড় সিদ্ধান্ত, পাশাপাশি শরীরেও রোগের বাসা
: তাঁর গলায় বলিউড মাতোয়ারা, উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম তাঁর গানের সুরে নেচে ওঠেননি এমন বোধহয় খুঁজে পাওয়া দুষ্কর৷ গানের জগতের সেরাদের সঙ্গে গান করার সুযোগ পেয়েছেন। লক্ষ্মীকান্ত-পেয়ারেলাল, শচীন দেব বর্মণ, লতা মঙ্গেশকর, মহম্মদ রফির মতো মহান গায়ক ও সঙ্গীতজ্ঞদের সঙ্গেও কাজ করেছেন। সঙ্গীত জীবনের ৫০ বছর কাটিয়ে ফেলেছেন । তিনি তাঁর সঙ্গীত জীবনে বহু ভাষায় গান গেয়েছেন৷ গানের সংখ্যা জানলে চোখ উঠবে কপালে৷ ৫০০০-র ও বেশি গান গেয়েছেন তিনি। তবে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে বহু বিতর্কের মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে৷ (Instagram@bollywoodtriviapc)
advertisement
হিন্দি, বাংলা, কন্নড়, ভোজপুরি, তেলেগু সহ ৪৫টিরও বেশি ভাষায় গান গেয়েছেন। তিনি লতা মঙ্গেশকর এবং কিশোর কুমারের থেকে জুনিয়র। সোনু নিগম, অনু মালিক এবং নাদিম-শ্রবণের সময় তাঁর গলায় একের পর এক সুপারহিট পেয়েছে বলিউড৷ আর নব্বইয়ের দশক পেরিয়ে এখনও সুপারহিট গান পাওয়া যায় তাঁর গলা থেকে৷ তবে এত গুণের অধিকারী হয়েও দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে একটি অসুস্থতায় ভুগছিলেন, কিন্তু এর কারণে কখনও গান করা বন্ধ করেননি। (Instagram@kavitaksub)
advertisement
এই শিল্পী যাঁর অসম্ভব গুণ হওয়া সত্ত্বেও ওঠাপড়ায় ভরা, তিনি কবিতা কৃষ্ণমূর্তি৷ তাঁর দারুণ কণ্ঠ এবং অনন্য গায়কী বহু দশক ধরে সরাসরি শ্রোতাদের হৃদয়ে তোলপাড় করেছে। তিনি ১৯৭৬ এ প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসাবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। তামিল পরিবারে জন্মানো কবিতা কৃষ্ণমূর্তির বাবা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চাকরি করতেন। গায়কের পিসি তাঁকে সঙ্গীতের জন্য অনুপ্রাণিত করেছিলেন। রবীন্দ্রসঙ্গীত শেখাও শুরু করেন। এরপর তিনি গায়ক বলরাম পুরীর কাছ থেকে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের তালিম নেন। মাত্র ৮ বছর বয়সে স্বর্ণপদক জিতে নিজের প্রতিভার পরিচয় দেন তিনি। (Instagram@kavitaksub)
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
সত্য সাই বাবার ভবিষ্যদ্বাণী সত্য প্রমাণিত হয়। তিনি বেহালাবাদক এবং সুরকার এল সুব্রামানিয়ামের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পরেই বদলে যায় সব। একটি গানের জন্য দুজনে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন। ক্রমশ তাঁদের মধ্যে দূরত্ব কমতে থাকে। এল সুব্রামানিয়াম চার সন্তানের বাবা ছিলেন। প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর তিনি একাই জীবন সংগ্রামে লড়ছিলেন৷ সুব্রামানিয়াম যখন একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাড়ির থেকে দূরে যান, তখন কবিতা তাঁর সন্তানদের সঙ্গে নিবিড় বন্ধন গড়ে তোলেন এবং তাঁদের যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি দায়িত্বও নেন। ১১ নভেম্বর ১৯৯৯ তে দুজনেই বিয়ে করেন। (Instagram@kavitaksub)
advertisement
কবিতা কৃষ্ণমূর্তি হেলথ শটসকে দেওয়া একটি সাক্ষাত্কারে বলেছিলেন যে তিনি গত ৩০ থেকে ৩৫ বছর ধরে ব্রঙ্কিয়াল সর্দি এবং সাইনাসে ভুগছেন। তিনি বলেন, '‘আমার সাইনাসের সমস্যা আছে। মাঝে মাঝে আমি হাঁপানিতে ভুগি, কিন্তু গান ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবিনি।এটি এমন একটি যুদ্ধ যা আমি অনেকবার লড়াই করেছি এবং প্রতিবারই আমি বিজয়ী হয়েছি। আমি ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞ।’’ ( Instagram@kavitaksub)









