advertisement

আশির দশকের ‘ধুরন্ধর’ নায়ক এই ২০টি ছবি দিয়ে বলিউড কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন ! অমিতাভ বচ্চনের সিংহাসন টলতে শুরু করেছিল

Last Updated:
অমিতাভ বচ্চন নিজেও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন যে বিনোদ খান্নার ব্যক্তিত্ব সবসময়ই তাঁকে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে ফেলেছিল।
1/7
সত্তর ও আশির দশক ছিল ‘অ্যাংরি ইয়াং ম্যান’ অমিতাভ বচ্চনের যুগ, কিন্তু এমন একজন অভিনেতা ছিলেন যিনি বিগ বি-কে জোর টক্কর দিয়েছিলেন। সেই অভিনেতার নাম বিনোদ খান্না। সম্প্রতি তাঁর ছেলে অক্ষয় খান্নাকে নিয়ে আলোচনা সর্বত্র, কিন্তু বাবাও বলতে গেলে ‘ধুরন্ধর’ অভিনেতা!
সত্তর ও আশির দশক ছিল ‘অ্যাংরি ইয়াং ম্যান’ অমিতাভ বচ্চনের যুগ, কিন্তু এমন একজন অভিনেতা ছিলেন যিনি বিগ বি-কে জোর টক্কর দিয়েছিলেন। সেই অভিনেতার নাম বিনোদ খান্না। সম্প্রতি তাঁর ছেলে অক্ষয় খান্নাকে নিয়ে আলোচনা সর্বত্র, কিন্তু বাবাও বলতে গেলে ‘ধুরন্ধর’ অভিনেতা!
advertisement
2/7
বিনোদ খান্নার সাফল্য এতটাই ব্যতিক্রমী ছিল যে চলচ্চিত্র সমালোচক এবং বাণিজ্য বিশ্লেষকরা তাঁকে ‘পরবর্তী এক নম্বর’ হিসেবে ঘোষণা করেন। এই প্রতিবেদনে কথা হচ্ছে সেই ২০টি ছবির কথা, যেগুলোর মাধ্যমে বিনোদ খান্না বলিউডে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। বিনোদ খান্না খলনায়ক হিসেবে তাঁর অভিনয়জীবন শুরু করলেও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি শীঘ্রই প্রধান নায়ক হয়ে ওঠেন। এই চলচ্চিত্রগুলো বক্স অফিসে রেকর্ড পরিমাণ আয় করেছিল।
বিনোদ খান্নার সাফল্য এতটাই ব্যতিক্রমী ছিল যে চলচ্চিত্র সমালোচক এবং বাণিজ্য বিশ্লেষকরা তাঁকে ‘পরবর্তী এক নম্বর’ হিসেবে ঘোষণা করেন। এই প্রতিবেদনে কথা হচ্ছে সেই ২০টি ছবির কথা, যেগুলোর মাধ্যমে বিনোদ খান্না বলিউডে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। বিনোদ খান্না খলনায়ক হিসেবে তাঁর অভিনয়জীবন শুরু করলেও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি শীঘ্রই প্রধান নায়ক হয়ে ওঠেন। এই চলচ্চিত্রগুলো বক্স অফিসে রেকর্ড পরিমাণ আয় করেছিল।
advertisement
3/7
কেরিয়ারের শুরুতে তিনি ‘মুকদ্দর কা সিকন্দর’ ছবিতে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করলেও পর্দায় তাঁর উপস্থিতি দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছিল। একইভাবে, ‘অমর আকবর অ্যান্টনি’-তে অমর চরিত্রে তাঁর সরলতা এবং ‘হেরা ফেরি’-তে অ্যাকশন ও কমেডির মিশ্রণ প্রমাণ করেছিল যে তিনি যে কোনও বড় তারকার প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারেন। ‘পরভরিশ’-এ তাঁর অভিনয় প্রধান চরিত্রের চেয়েও বেশি মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল, অন্য দিকে, ফিরোজ খানের সঙ্গে ‘কুরবানি’ তাঁকে চূড়ান্ত স্টাইল আইকন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
কেরিয়ারের শুরুতে তিনি ‘মুকদ্দর কা সিকন্দর’ ছবিতে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করলেও পর্দায় তাঁর উপস্থিতি দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছিল। একইভাবে, ‘অমর আকবর অ্যান্টনি’-তে অমর চরিত্রে তাঁর সরলতা এবং ‘হেরা ফেরি’-তে অ্যাকশন ও কমেডির মিশ্রণ প্রমাণ করেছিল যে তিনি যে কোনও বড় তারকার প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারেন। ‘পরভরিশ’-এ তাঁর অভিনয় প্রধান চরিত্রের চেয়েও বেশি মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল, অন্য দিকে, ফিরোজ খানের সঙ্গে ‘কুরবানি’ তাঁকে চূড়ান্ত স্টাইল আইকন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
advertisement
4/7
‘খুন পসিনা’-র মতো ছবিতে অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্ব প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের শিস আদায় করে ছেড়েছিল, আবার 'দ্য বার্নিং ট্রেন'-এর মতো বহু-তারকাখচিত ছবিতেও তিনি সগৌরবে নিজের নায়কোচিত ভাবমূর্তি বজায় রেখেছিলেন। ‘হাত কি সাফাই’ ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতার ফিল্ম  ফেয়ার পুরস্কার জিতেছিলেন এবং ‘মেরা গাঁও মেরা দেশ’ ছবিতে খলনায়ক ডাকাত জব্বর সিং-এর ভূমিকায় অভিনয় করেও ঘরে ঘরে জনপ্রিয়তা লাভ করেন।
‘খুন পসিনা’-র মতো ছবিতে অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্ব প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের শিস আদায় করে ছেড়েছিল, আবার 'দ্য বার্নিং ট্রেন'-এর মতো বহু-তারকাখচিত ছবিতেও তিনি সগৌরবে নিজের নায়কোচিত ভাবমূর্তি বজায় রেখেছিলেন। ‘হাত কি সাফাই’ ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতার ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কার জিতেছিলেন এবং ‘মেরা গাঁও মেরা দেশ’ ছবিতে খলনায়ক ডাকাত জব্বর সিং-এর ভূমিকায় অভিনয় করেও ঘরে ঘরে জনপ্রিয়তা লাভ করেন।
advertisement
5/7
‘ইনতিহান’ ছবিতে একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে তাঁর সরলতা সকলের মন জয় করে নেয়। আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে 'ইনসাফ' ছবি দিয়ে তিনি বক্স অফিসে ব্যাপক সাড়া ফেলেন, যা তাঁর জনপ্রিয়তাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। 'দয়াবান'-এ তাঁর গাম্ভীর্যপূর্ণ অভিনয় এবং 'জুর্ম'-এর গান 'জব কোই বাত বিগড় যায়ে' তাঁর রোম্যান্টিক ভাবমূর্তিকে পুনরুজ্জীবিত করে। 'চাঁদনি' ছবিতে এক হৃদয়ভাঙা প্রেমিকের ভূমিকায় এবং 'পার্টিশন' ও 'ক্ষত্রিয়'-এর মতো ছবিতে বলিষ্ঠ শৈলী দিয়ে তিনি দর্শকদের মুগ্ধ করেছিলেন।
‘ইনতিহান’ ছবিতে একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে তাঁর সরলতা সকলের মন জয় করে নেয়। আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে 'ইনসাফ' ছবি দিয়ে তিনি বক্স অফিসে ব্যাপক সাড়া ফেলেন, যা তাঁর জনপ্রিয়তাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। 'দয়াবান'-এ তাঁর গাম্ভীর্যপূর্ণ অভিনয় এবং 'জুর্ম'-এর গান 'জব কোই বাত বিগড় যায়ে' তাঁর রোম্যান্টিক ভাবমূর্তিকে পুনরুজ্জীবিত করে। 'চাঁদনি' ছবিতে এক হৃদয়ভাঙা প্রেমিকের ভূমিকায় এবং 'পার্টিশন' ও 'ক্ষত্রিয়'-এর মতো ছবিতে বলিষ্ঠ শৈলী দিয়ে তিনি দর্শকদের মুগ্ধ করেছিলেন।
advertisement
6/7
‘মহাসংগ্রাম’-এ তাঁর দৃঢ় সংকল্প এবং ‘পুলিশ অউর মুজরিম’-এ তাঁর উর্দির আভা ফুটে উঠেছিল। তাঁর অবসরের ঠিক আগে মুক্তি পাওয়া ‘রিস্তে কাগজ কা’ এবং ‘লহু কে দো রঙ’-এ হেলেনের সঙ্গে তাঁর চমৎকার রসায়ন আজও তাঁর অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ দেয়। এই ছবিগুলো একত্রে এমন আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল যে তা অমিতাভ বচ্চনের এক নম্বর অবস্থানকেও নাড়িয়ে দিয়েছিল।
‘মহাসংগ্রাম’-এ তাঁর দৃঢ় সংকল্প এবং ‘পুলিশ অউর মুজরিম’-এ তাঁর উর্দির আভা ফুটে উঠেছিল। তাঁর অবসরের ঠিক আগে মুক্তি পাওয়া ‘রিস্তে কাগজ কা’ এবং ‘লহু কে দো রঙ’-এ হেলেনের সঙ্গে তাঁর চমৎকার রসায়ন আজও তাঁর অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ দেয়। এই ছবিগুলো একত্রে এমন আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল যে তা অমিতাভ বচ্চনের এক নম্বর অবস্থানকেও নাড়িয়ে দিয়েছিল।
advertisement
7/7
সেই সময়ের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, সত্তরের দশকের শেষের দিকে এবং আশির দশকের শুরুতে এমন একটা সময় ছিল যখন অমিতাভ বচ্চনের চেয়ে বিনোদ খান্নাকে ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে বেশি দেখা যেত। শারীরিক গঠন এবং আকর্ষণীয় চেহারার জন্য তিনি 'দ্য কমপ্লিট ম্যান' উপাধি পেয়েছিলেন। বলা হয় যে, ১৯৮২ সালে বিনোদ খান্না যদি ‘ওশো’র কাছে না যেতেন, তাহলে অমিতাভ বচ্চন হয়তো এক নম্বর হতে পারতেন না। অমিতাভ বচ্চন নিজেও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন যে বিনোদ খান্নার ব্যক্তিত্ব সবসময়ই তাঁকে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে ফেলেছিল।
সেই সময়ের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, সত্তরের দশকের শেষের দিকে এবং আশির দশকের শুরুতে এমন একটা সময় ছিল যখন অমিতাভ বচ্চনের চেয়ে বিনোদ খান্নাকে ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে বেশি দেখা যেত। শারীরিক গঠন এবং আকর্ষণীয় চেহারার জন্য তিনি 'দ্য কমপ্লিট ম্যান' উপাধি পেয়েছিলেন। বলা হয় যে, ১৯৮২ সালে বিনোদ খান্না যদি ‘ওশো’র কাছে না যেতেন, তাহলে অমিতাভ বচ্চন হয়তো এক নম্বর হতে পারতেন না। অমিতাভ বচ্চন নিজেও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন যে বিনোদ খান্নার ব্যক্তিত্ব সবসময়ই তাঁকে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে ফেলেছিল।
advertisement
advertisement
advertisement