PPF-এ টাকা জমা করলে ৫ এপ্রিল তারিখটি মনে রাখবেন, এর বেশ কয়েকটি সুবিধা রয়েছে, সব মিলিয়ে লাভই লাভ
- Published by:Dolon Chattopadhyay
- Written by:Trending Desk
Last Updated:
PPF News: কেন এই তারিখটি গুরুত্বপূর্ণ এবং কীভাবে এটি আপনার বিনিয়োগের লাভ বাড়াতে পারে, তা জানুন।
কেউ যদি পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্থাৎ পিপিএফ-এ বিনিয়োগ করেন, তাহলে এই খবরটি তাঁর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। স্পষ্ট করে বললে, যাঁরা এই তহবিলে বিনিয়োগ করেন, তাঁদের জন্য মাসের ৫ তারিখ খুবই বিশেষ। কেউ যদি ৫ এপ্রিলের আগে মাসিক বিনিয়োগ করেন, তাহলে সেই মাসের জন্য সম্পূর্ণ সুদ পাওয়া যাবে। কিন্তু, কেউ যদি তা করতে ব্যর্থ হন, তাহলে এই সুদ পাওয়া যাবে না। এমন পরিস্থিতিতে, এখন এই কাজটি সম্পূর্ণ করার জন্য ৫ এপ্রিল, ২০২৫ পর্যন্ত সুযোগ রয়েছে। এর সম্পূর্ণ হিসাবটি বিস্তারিতভাবে বুঝে নেওয়া যাক।
advertisement
নিরাপদ বিনিয়োগের জন্য পিপিএফ একটি ভাল বিকল্প -বেশিরভাগ পেশাদাররা কর সাশ্রয়ের জন্য পিপিএফ-এ বিনিয়োগ করেন। তবে কেউ যদি বিজ্ঞতার সঙ্গে অর্থ বিনিয়োগ করেন, তাহলেই দুর্দান্ত রিটার্ন পাওয়া যাবে। প্রথমত, PPF-এ মাসে মাসে বিনিয়োগ করতে হবে এবং প্রতি মাসের ৫ তারিখের মধ্যে টাকা জমা দিতে হবে, যাতে সেই মাসের জন্যও সুদ পাওয়া যেতে পারে। পিপিএফ-এ বিনিয়োগের পাশাপাশি, ম্যাচিউরিটির পরিমাণ এবং সুদও করমুক্ত থাকে। দীর্ঘমেয়াদে নিরাপদ বিনিয়োগ চালানো এবং বড় তহবিল তৈরি করার এটি একটি ভাল উপায়। PPF অ্যাকাউন্টে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ধারা ৮০সি-এর অধীনে ১.৫০ লাখ টাকা কর ছাড় পাওয়া যায়।
advertisement
মাসের ৫ তারিখ বিনিয়োগের জন্য বিশেষ -কেউ যদি প্রতি আর্থিক বছরের শুরুতে পিপিএফ-এ এককালীন অর্থ বিনিয়োগ করেন, তাহলে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত বিনিয়োগ তাঁদের জন্য আরও বেশি উপকারী বলে প্রমাণিত হবে। কারণ সরল- পিপিএফ অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসের ৫ তারিখে সুদ গণনা করা হয়। এর মানে স্পষ্ট যে, যদি প্রতি আর্থিক বছর শুরুতে ৫ এপ্রিলের মধ্যে একক পরিমাণ টাকা জমা করা হয়, তাহলে পুরো মাসের জন্য সুদের সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।
advertisement
advertisement
এই হল লাভের হিসাব -পিপিএফ অ্যাকাউন্টে সুদ মাসিক ভিত্তিতে গণনা করা হয়, তবে এটি শুধুমাত্র প্রতি আর্থিক বছরের শেষে অ্যাকাউন্টে জমা হয়। উদাহরণ দিয়ে ব্যাপারটা বোঝা যাক! যদি কেউ ৫ এপ্রিল, ২০২৫-এর আগে নিজেদের PPF অ্যাকাউন্টে ১.৫ লাখ টাকা জমা করেন, তাহলে সেই মাসের সুদ গণনা করার জন্য পুরো পরিমাণটি বিবেচনায় নেওয়া হবে। তার মানে, বর্তমান ৭.১% সুদের হারের ভিত্তিতে, বার্ষিক ১০,৬৫০ টাকা সুদ পাওয়া যেতে পারে।
advertisement
