Money Making Tips: চাকরি ছেড়ে শুরু করেছিলেন নিজের ব্যবসা, এখন পকেটে উপচে পড়ছে মুঠো মুঠো টাকা !
- Published by:Dolon Chattopadhyay
- hyperlocal
- Reported by:Bonoarilal Chowdhury
Last Updated:
Money Making Tips:নিজের বাড়িতেই শুরু করেছেন মূর্তি তৈরির কাজ। দেবাশিসের তৈরি মূর্তি এখন রাজ্য ছাড়িয়ে ভিন রাজ্যেও পাড়ি দেয়।
মোটা বেতনের চাকরি ছেড়ে শুরু করেছেন ব্যবসা। আর এই ব্যবসা করেই প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা উপার্জন করছেন বর্ধমানের এই ব্যক্তি। পূর্ব বর্ধমান জেলার দাঁইহাট শহরের বাসিন্দা দেবাশিস চন্দ্র। দেবাশিস কলকাতার একটি প্রতিষ্ঠানে ফাইন আর্টস নিয়ে পড়াশোনা করেন। তারপরই তিনি চলে যান হায়দরাবাদ। সেখানে একটি সংস্থায় মূর্তি তৈরির কাজ করেন প্রায় ১৭বছর। তবে হায়দরাবাদে থেকে তিনি দেশের বাড়ি ফিরে আসেন ২০১৬ সালে। তারপর থেকে তিনি নিজের বাড়িতেই শুরু করেছেন মূর্তি তৈরির কাজ।
advertisement
দেবাশিসের তৈরি মূর্তি এখন রাজ্য ছাড়িয়ে ভিন রাজ্যেও পাড়ি দেয়। দেবাশিস চন্দ্র এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, "২০০৭ সাল থেকে আমি এই কাজের সঙ্গে যুক্ত আছি। আমি আগে হায়দরাূবাদে এই কাজই করতাম। ২০১৬ সালে বাড়ি ফিরে এসে নিজের ব্যবসা শুরু করেছি। একাডেমি অফ ফাইন আর্টস থেকে আমি আর্ট এবং স্কাল্পচার নিয়ে পড়াশোনা করেছি। তারপর হায়দরাবাদে কাজ শিখেছিলাম।"
advertisement
আধুনিকতার যুগে বাড়ি অথবা মন্দির, প্যান্ডেলের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য চাহিদা বেড়েছে বিভিন্ন ধরনের ছোট-বড় মূর্তির। তবে গতানুগতিক সিমেন্ট অথবা কাঠের মূর্তি বাদ দিয়ে এখন কদর বাড়ছে ফাইবারের তৈরি মূর্তির। আর এই ফাইবারের মূর্তি তৈরি করেই প্রতি মাসে হাজার হাজার রোজগার করছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার দেবাশিস চন্দ্র। তাঁর মূর্তি তৈরির কারখানায় প্রবেশ করলেই চোখে পড়বে বিভিন্ন ধরনের মূর্তি। দেবাশিস চন্দ্রর তৈরি ফাইবারের মূর্তি দেখলে সত্যিই বেশ ভাল লাগবে। সারাদিন কারখানায় চলে মূর্তি তৈরির কাজ।
advertisement
তিনি জানিয়েছেন যে যেরকম মূর্তি চান, তিনি তাকে সেই ধরনের মূর্তি প্রস্তুত করে দেন । যে কারণে দেবাশিস চন্দ্রর তৈরি মূর্তির ভাল কদর রয়েছে। তিনি এই বিষয়ে আরও বলেন, "চাকরি করার পরবর্তীতে ইচ্ছা ছিল নিজের বাড়িতে ফিরে আসার। তাই বাড়ি ফিরে এসে এখানকার কয়েকজনকে নিয়ে আমি এখন এই ব্যবসা করছি। আমার তৈরি মূর্তি এখন ত্রিপুরা,আসাম এবং রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় যায়।"
advertisement
কলকাতা থেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী এনে দেবাশিস বিভিন্ন ধরনের মূর্তি তৈরি করেন।দেবাশিসের কথায়, তাঁর সারাবছরই কাজ হয়, কখনও বসে থাকতে হয় না । পুজোর মরশুম এলে কাজের ব্যাপক চাপ বাড়ে, সারারাত ধরে চলে মূর্তি বানানোর কাজ। এখন পূর্ব বর্ধমান জেলার মধ্যে, বেশিরভাগ কাজেই দেবাশিসের ফাইবারের তৈরি মূর্তির চাহিদা থাকে। তিনি জানিয়েছেন এই ফাইবারের মূর্তির খরচ কাঠের মূর্তির তুলনায় অনেক কম, তাই চাহিদাও বেশ ভাল।
