New Business Ideas: ১০০ টাকার পুঁজিতেই ভাগ্যবদল! রান্নাঘরেই শুরু মাশরুম চাষ, প্রতিদিন হাজার টাকা আয় করছেন তমলুকের গৃহবধূ

Last Updated:
Success Story: স্বামীর কাছ থেকে ১০০ টাকা নিয়ে মাশরুম চাষ শুরু করেন। আজ তিনি প্রতিদিন ১ হাজার টাকারও বেশি আয় করেন। বাড়ির মধ্যেই চাষ করে সংসারের হাল ফিরিয়েছেন এবং অন্য মহিলাদের পথ দেখাচ্ছেন।
1/5
এই মহিলা তাঁর স্বামীর কাছ থেকে ১০০ টাকা নিয়ে শুরু করেছিলেন, এখন তিনি প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা আয় করেন। কখন, কীভাবে একজন মানুষের ভাগ্য বদলে যায়, তা কেউ জানে না! দিনমজুর পরিবারে জন্ম নেওয়া এক গৃহবধূ তাঁর স্বামীর কাছ থেকে ১০০ টাকা নিয়ে মাশরুম চাষ শুরু করেন। আর সেই মহিলা এই চাষে সফল হয়েছেন! তাঁরা সারা বছর ধরে মাশরুম চাষ করছেন। তিনি প্রতিদিন এক হাজার টাকারও বেশি আয় করেন। মাশরুম চাষ করে ওই গৃহবধূ সংসারের হাল ফিরিয়েছেন। বর্তমানে তারা এই কাজের মাধ্যমে তিনি সফল। পথ দেখাচ্ছেন অন্য মহিলাদের। (তথ্য-সৈকত শী)
এই মহিলা তাঁর স্বামীর কাছ থেকে ১০০ টাকা নিয়ে শুরু করেছিলেন, এখন তিনি প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা আয় করেন। কখন, কীভাবে একজন মানুষের ভাগ্য বদলে যায়, তা কেউ জানে না! দিনমজুর পরিবারে জন্ম নেওয়া এক গৃহবধূ তাঁর স্বামীর কাছ থেকে ১০০ টাকা নিয়ে মাশরুম চাষ শুরু করেন। আর সেই মহিলা এই চাষে সফল হয়েছেন! তাঁরা সারা বছর ধরে মাশরুম চাষ করছেন। তিনি প্রতিদিন এক হাজার টাকারও বেশি আয় করেন। মাশরুম চাষ করে ওই গৃহবধূ সংসারের হাল ফিরিয়েছেন। বর্তমানে তারা এই কাজের মাধ্যমে তিনি সফল। পথ দেখাচ্ছেন অন্য মহিলাদের। (তথ্য-সৈকত শী)
advertisement
2/5
মাশরুম বর্তমান সময়ে অন্যতম একটি জনপ্রিয় খাদ্যবস্তু। মাশরুম ভিটামিন বি, ডি, পটাশিয়াম, কপার, আয়রন এবং সেলেনিয়াম সমৃদ্ধ। এছাড়া মাশরুমে কোলিন নামক একটি বিশেষ পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। এর পুষ্টিগুণ অপরিসীম। আবার নিরামিষ খাদ্য তালিকায় থাকায় আমিষ জাতীয় নিরামিষ দুই ধরনের খাদ্য অভ্যাসের মানুষজন সাদরে মাশরুম তাদের খাদ্য তালিকায় রাখেন। বর্তমান সময় এটাই সারা বছরই মাশরুমের চাহিদা রয়েছে বাজারে। মাশরুম চাষের মাধ্যমে একজন বেকার যুবক-যুবতী বা বাড়ির গৃহবধূরা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বি হতে পারে। আর সেটাই করে দেখাচ্ছেন তমলুকের বহিচাড় গ্রামের গৃহবধূ দোলন মান্না!
মাশরুম বর্তমান সময়ে অন্যতম একটি জনপ্রিয় খাদ্যবস্তু। মাশরুম ভিটামিন বি, ডি, পটাশিয়াম, কপার, আয়রন এবং সেলেনিয়াম সমৃদ্ধ। এছাড়া মাশরুমে কোলিন নামক একটি বিশেষ পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। এর পুষ্টিগুণ অপরিসীম। আবার নিরামিষ খাদ্য তালিকায় থাকায় আমিষ জাতীয় নিরামিষ দুই ধরনের খাদ্য অভ্যাসের মানুষজন সাদরে মাশরুম তাদের খাদ্য তালিকায় রাখেন। বর্তমান সময় এটাই সারা বছরই মাশরুমের চাহিদা রয়েছে বাজারে। মাশরুম চাষের মাধ্যমে একজন বেকার যুবক-যুবতী বা বাড়ির গৃহবধূরা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বি হতে পারে। আর সেটাই করে দেখাচ্ছেন তমলুকের বহিচাড় গ্রামের গৃহবধূ দোলন মান্না!
advertisement
3/5
এ বিষয়ে গৃহবধূ দোলন মান্না জানান,
এ বিষয়ে গৃহবধূ দোলন মান্না জানান, "বিয়ের পর স্বামীর পরিবারে এসে দেখেই নিত্য অভাব অনটন। সংসার চালাতে স্বামীর পাশে দাঁড়াতে কী করব ভেবে পাচ্ছিলাম না। তারপর স্বামীর কাছ থেকে ১০০ টাকা নিয়ে শুরু করি মাশরুম চাষ। প্রথম বছর ঠিকঠাক ফসল পেয়েছিলাম। বাড়ির রান্নাঘরে মাশরুম চাষ করেছিলাম। সেই শুরু। এখন সারা বছরই মাশরুম চাষ করি। প্রতিদিন ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা গড়ে রোজগার হয়। মাশরুম চাষ করেই সফল হয়েছি। বাড়ির এক থাকা জায়গায় ও রান্নাঘরে মাশরুম চাষ করে রোজকার হচ্ছে ভালই। ফিরেছে সংসারের হাল।"
advertisement
4/5
পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তথা পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া মাশরুম চাষের জন্য অত্যান্ত উপযোগী। মাশরুম চাষের জন্য কোনো উর্বর জমির প্রয়োজন হয় না। ঘরের পাশের অব্যবহৃত জায়গায় ও বাড়ির মধ্যে মাশরুম উৎপাদন করা যায় সহজেই।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তথা পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া মাশরুম চাষের জন্য অত্যান্ত উপযোগী। মাশরুম চাষের জন্য কোনো উর্বর জমির প্রয়োজন হয় না। ঘরের পাশের অব্যবহৃত জায়গায় ও বাড়ির মধ্যে মাশরুম উৎপাদন করা যায় সহজেই।
advertisement
5/5
বেকার যুবক-যুবতী ও গৃহবধূরা সংসারের সমস্ত কাজের পাশাপাশি বাড়ির মধ্যে মাশরুম চাষ করে নিজেদের স্বনির্ভর করছেন গ্রামের মহিলারা। এলাকায় দোলন মান্নার দেখাদেখি আশেপাশের কয়েকটি গ্রামের গৃহবধূরা শুরু করেছেন মাশরুম চাষ। কারওর ১০০টি বেড রয়েছে, কারও আবার ২০০টি। পিপুলবাড়িয়া গ্রামে বেশকিছু গৃহবধূ প্রতিদিন মাশরুম বিক্রি করে গড়ে ৫০০-৭০০ টাকা আয় করছেন। দোলন মান্না হয়ে উঠেছেন মাশরুম চাষের এক উদাহরণ।
বেকার যুবক-যুবতী ও গৃহবধূরা সংসারের সমস্ত কাজের পাশাপাশি বাড়ির মধ্যে মাশরুম চাষ করে নিজেদের স্বনির্ভর করছেন গ্রামের মহিলারা। এলাকায় দোলন মান্নার দেখাদেখি আশেপাশের কয়েকটি গ্রামের গৃহবধূরা শুরু করেছেন মাশরুম চাষ। কারওর ১০০টি বেড রয়েছে, কারও আবার ২০০টি। পিপুলবাড়িয়া গ্রামে বেশকিছু গৃহবধূ প্রতিদিন মাশরুম বিক্রি করে গড়ে ৫০০-৭০০ টাকা আয় করছেন। দোলন মান্না হয়ে উঠেছেন মাশরুম চাষের এক উদাহরণ।
advertisement
advertisement
advertisement