advertisement

SIP In Wife's Name: স্ত্রী-র নামে SIP করছেন? সাবধান! কর বাঁচানোর এই কৌশলটি কিন্তু আপনাকে বিপদে ফেলে দিতে পারে

Last Updated:
স্ত্রীর নামে SIP করলে কর বাঁচবে ভাবছেন? কিন্তু ক্লাবিং রুলের কারণে উল্টো করের চাপ বাড়তে পারে। বিনিয়োগের আগে জেনে নিন পুরো বিষয়টি।
1/10
ভারতীয় পরিবারগুলির কর্তারা অনেক সময় নিজেদের আয়ের একটি অংশ স্ত্রীর নামে বিনিয়োগ করেন। কারণ তাঁরা মনে করেন যে, এই অর্থ বাড়বে এবং সম্ভবত করের বোঝার পরিমাণও অনেকটাই কমবে। অনেকেই নিজেদের স্ত্রীর অ্যাকাউন্ট থেকে এসআইপি (SIP) শুরু করেন। সেক্ষেত্রে তাঁরা  ভাবেন যে, এসআইপি থেকে অর্জিত আয় স্ত্রী-র আয় হিসাবে গণ্য হবে। তবে আয়করের নিয়মকানুন এতটাও সহজ নয়। ‘ক্লাবিং অফ ইনকাম’ নামে একটি নিয়ম এই ধরনের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি পাল্টে দিতে পারে। যদি স্বামী বিনিয়োগের জন্য অর্থ দেন, তবে তাঁকেও সেই আয়ের উপর কর দিতে হতে পারে। তাই স্ত্রীর নামে বিনিয়োগ করার আগে এই নিয়মটি বুঝে নেওয়া জরুরি।
ভারতীয় পরিবারগুলির কর্তারা অনেক সময় নিজেদের আয়ের একটি অংশ স্ত্রীর নামে বিনিয়োগ করেন। কারণ তাঁরা মনে করেন যে, এই অর্থ বাড়বে এবং সম্ভবত করের বোঝার পরিমাণও অনেকটাই কমবে। অনেকেই নিজেদের স্ত্রীর অ্যাকাউন্ট থেকে এসআইপি (SIP) শুরু করেন। সেক্ষেত্রে তাঁরা  ভাবেন যে, এসআইপি থেকে অর্জিত আয় স্ত্রী-র আয় হিসাবে গণ্য হবে। তবে আয়করের নিয়মকানুন এতটাও সহজ নয়। ‘ক্লাবিং অফ ইনকাম’ নামে একটি নিয়ম এই ধরনের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি পাল্টে দিতে পারে। যদি স্বামী বিনিয়োগের জন্য অর্থ দেন, তবে তাঁকেও সেই আয়ের উপর কর দিতে হতে পারে। তাই স্ত্রীর নামে বিনিয়োগ করার আগে এই নিয়মটি বুঝে নেওয়া জরুরি।
advertisement
2/10
‘ক্লাবিং অফ ইনকাম’ বলতে কী বোঝায় এবং এটি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে কীভাবে প্রযোজ্য?ধরা যাক, একজন ব্যক্তি প্রতি মাসে নিজের স্ত্রীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১০,০০০ টাকা পাঠাচ্ছেন এবং তিনি সেই টাকা দিয়ে একটি মিউচুয়াল ফান্ড এসআইপি (SIP) শুরু করেছেন। বছরের শেষে এই বিনিয়োগ থেকে একটি ভাল অঙ্কের রিটার্ন আসে। সেক্ষেত্রে তিনি হয়তো ভাবেন যে, যেহেতু বিনিয়োগটি নিজের স্ত্রীর নামে করছেন, তাই এই রিটার্নটি সেই স্ত্রীর আয় হিসাবেই গণ্য হবে এবং স্ত্রী-র অন্য কোনও আয় নেই, ফলে করও চাপবে না।
‘ক্লাবিং অফ ইনকাম’ বলতে কী বোঝায় এবং এটি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে কীভাবে প্রযোজ্য?ধরা যাক, একজন ব্যক্তি প্রতি মাসে নিজের স্ত্রীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১০,০০০ টাকা পাঠাচ্ছেন এবং তিনি সেই টাকা দিয়ে একটি মিউচুয়াল ফান্ড এসআইপি (SIP) শুরু করেছেন। বছরের শেষে এই বিনিয়োগ থেকে একটি ভাল অঙ্কের রিটার্ন আসে। সেক্ষেত্রে তিনি হয়তো ভাবেন যে, যেহেতু বিনিয়োগটি নিজের স্ত্রীর নামে করছেন, তাই এই রিটার্নটি সেই স্ত্রীর আয় হিসাবেই গণ্য হবে এবং স্ত্রী-র অন্য কোনও আয় নেই, ফলে করও চাপবে না।
advertisement
3/10
আর এখানেই চাকরিজীবী ওই ব্যক্তির ধারণা ভুল বলে প্রমাণিত হবে। আয়কর আইনের ৬৪ ধারার অধীনে ‘ক্লাবিং’-এর নিয়মটি এখানে কার্যকর হয়। অ্যাকাউন্টিং বিশ্লেষক এবং কর বিশেষজ্ঞ সৌরভ ত্যাগী বলেন যে, যখন একজন স্বামী তাঁর স্ত্রীকে বিনিয়োগের জন্য টাকা দেন এবং বিনিময়ে কোনও পর্যাপ্ত প্রতিদান পান না, তখন সেই বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত সম্পূর্ণ আয় স্বামীর আয়ের সঙ্গেই যুক্ত হয়ে যায়। এর অর্থ হল, মিউচুয়াল ফান্ড থেকে প্রাপ্ত ডিভিডেন্ড বা মূলধন লাভ স্বামীর মোট আয়ের অংশ হয়ে যাবে এবং তাঁর ট্যাক্স স্ল্যাব (যেমন - ২০ শতাংশ বা ৩০ শতাংশ) অনুযায়ী কর ধার্য করা হবে। পরিবারগুলি যাতে নিজেদের আয়কে একাধিক ভাগে ভাগ করে (ইনকাম স্প্লিটিং) কম কর হারের অন্যায্য সুবিধা না নিতে পারে, তার জন্যই এই নিয়মটি তৈরি করা হয়েছে। 
আর এখানেই চাকরিজীবী ওই ব্যক্তির ধারণা ভুল বলে প্রমাণিত হবে। আয়কর আইনের ৬৪ ধারার অধীনে ‘ক্লাবিং’-এর নিয়মটি এখানে কার্যকর হয়। অ্যাকাউন্টিং বিশ্লেষক এবং কর বিশেষজ্ঞ সৌরভ ত্যাগী বলেন যে, যখন একজন স্বামী তাঁর স্ত্রীকে বিনিয়োগের জন্য টাকা দেন এবং বিনিময়ে কোনও পর্যাপ্ত প্রতিদান পান না, তখন সেই বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত সম্পূর্ণ আয় স্বামীর আয়ের সঙ্গেই যুক্ত হয়ে যায়। এর অর্থ হল, মিউচুয়াল ফান্ড থেকে প্রাপ্ত ডিভিডেন্ড বা মূলধন লাভ স্বামীর মোট আয়ের অংশ হয়ে যাবে এবং তাঁর ট্যাক্স স্ল্যাব (যেমন - ২০ শতাংশ বা ৩০ শতাংশ) অনুযায়ী কর ধার্য করা হবে। পরিবারগুলি যাতে নিজেদের আয়কে একাধিক ভাগে ভাগ করে (ইনকাম স্প্লিটিং) কম কর হারের অন্যায্য সুবিধা না নিতে পারে, তার জন্যই এই নিয়মটি তৈরি করা হয়েছে।
advertisement
4/10
উপহার হিসেবে চালানো টাকাও কিন্তু কর সাশ্রয় করবে না:এই নিয়মের মারপ্যাঁচ কাটাতে অনেকেই আবার বুদ্ধি খাটান। তাঁরা এই বিষয়টিকে উপহার বলে চালিয়ে দেন। আইনত একজন স্বামী তাঁর স্ত্রীকে যে কোনও পরিমাণ অর্থ উপহার দিতে পারেন। ধারা ৫৬ অনুযায়ী, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আদান-প্রদান করা উপহার গিফ্ট ট্যাক্স থেকে ছাড় পায়। তবে এখানে একটি সূক্ষ্ম আইনি জটিলতা রয়েছে।
উপহার হিসেবে চালানো টাকাও কিন্তু কর সাশ্রয় করবে না:এই নিয়মের মারপ্যাঁচ কাটাতে অনেকেই আবার বুদ্ধি খাটান। তাঁরা এই বিষয়টিকে উপহার বলে চালিয়ে দেন। আইনত একজন স্বামী তাঁর স্ত্রীকে যে কোনও পরিমাণ অর্থ উপহার দিতে পারেন। ধারা ৫৬ অনুযায়ী, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আদান-প্রদান করা উপহার গিফ্ট ট্যাক্স থেকে ছাড় পায়। তবে এখানে একটি সূক্ষ্ম আইনি জটিলতা রয়েছে।
advertisement
5/10
সৌরভ ত্যাগী ব্যাখ্যা করেন যে, যদিও টাকা ট্রান্সফার করযোগ্য না-ও হতে পারে, কিন্তু উপহারের সেই অর্থ বিনিয়োগ করার মুহূর্তেই ক্লাবিং নিয়ম আবার কার্যকর হয়ে যায়। অর্থাৎ যদি স্ত্রী সেই উপহারের অর্থ দিয়ে একটি এসআইপি (SIP) শুরু করেন, তাহলে সেই লাভ করের উদ্দেশ্যে আবার স্বামীর অ্যাকাউন্টেই গণ্য হবে। এর অর্থ হল- টাকা উপহার দেওয়াটা করের আওতায় পড়ে না। কিন্তু সেই টাকা বিনিয়োগ করে তার থেকে টাকা ‘আয়’ করার ফলে স্বামীর জন্য একটি করের দায় তৈরি হয়।
সৌরভ ত্যাগী ব্যাখ্যা করেন যে, যদিও টাকা ট্রান্সফার করযোগ্য না-ও হতে পারে, কিন্তু উপহারের সেই অর্থ বিনিয়োগ করার মুহূর্তেই ক্লাবিং নিয়ম আবার কার্যকর হয়ে যায়। অর্থাৎ যদি স্ত্রী সেই উপহারের অর্থ দিয়ে একটি এসআইপি (SIP) শুরু করেন, তাহলে সেই লাভ করের উদ্দেশ্যে আবার স্বামীর অ্যাকাউন্টেই গণ্য হবে। এর অর্থ হল- টাকা উপহার দেওয়াটা করের আওতায় পড়ে না। কিন্তু সেই টাকা বিনিয়োগ করে তার থেকে টাকা ‘আয়’ করার ফলে স্বামীর জন্য একটি করের দায় তৈরি হয়।
advertisement
6/10
আইনসম্মত ভাবে কর সাশ্রয়ের দুর্দান্ত কৌশল:তাহলে কি এই নিজের স্ত্রীর নামে বিনিয়োগ করা অর্থহীন? একেবারেই না। আইন মেনেই আরও ভাল আর্থিক পরিকল্পনার জন্য কিছু কৌশলের পরামর্শ দিয়েছেন  ত্যাগী:
আইনসম্মত ভাবে কর সাশ্রয়ের দুর্দান্ত কৌশল:তাহলে কি এই নিজের স্ত্রীর নামে বিনিয়োগ করা অর্থহীন? একেবারেই না। আইন মেনেই আরও ভাল আর্থিক পরিকল্পনার জন্য কিছু কৌশলের পরামর্শ দিয়েছেন  ত্যাগী:
advertisement
7/10
করমুক্ত বিকল্প বাছাই: স্বামী যদি তাঁর স্ত্রী-কে টাকা উপহার দেন, তবে তা পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড (PPF) বা সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা (SSY)-র মতো করমুক্ত মাধ্যমগুলিতে বিনিয়োগ করতে হবে। কারণ এখানে অর্জিত সুদ করমুক্ত। তাই দুটি মাধ্যম একত্রিত করলেও স্বামীকে কোনও অতিরিক্ত কর দিতে হবে না। দ্বিতীয় প্রজন্মের আয়:  ক্লাবিং নিয়মটি শুধুমাত্র মূল বিনিয়োগ থেকে অর্জিত প্রথম আয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যদি স্ত্রী এসআইপি (SIP) থেকে প্রাপ্ত মুনাফা পুনরায় বিনিয়োগ করেন, তবে সেই মুনাফার উপর প্রাপ্ত আয়-এর ক্ষেত্রে ক্লাবিং সিস্টেম প্রযোজ্য হবে না। সেই আয় স্ত্রী-র ব্যক্তিগত আয় হিসাবে বিবেচিত হবে।
করমুক্ত বিকল্প বাছাই: স্বামী যদি তাঁর স্ত্রী-কে টাকা উপহার দেন, তবে তা পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড (PPF) বা সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা (SSY)-র মতো করমুক্ত মাধ্যমগুলিতে বিনিয়োগ করতে হবে। কারণ এখানে অর্জিত সুদ করমুক্ত। তাই দুটি মাধ্যম একত্রিত করলেও স্বামীকে কোনও অতিরিক্ত কর দিতে হবে না।দ্বিতীয় প্রজন্মের আয়: ক্লাবিং নিয়মটি শুধুমাত্র মূল বিনিয়োগ থেকে অর্জিত প্রথম আয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যদি স্ত্রী এসআইপি (SIP) থেকে প্রাপ্ত মুনাফা পুনরায় বিনিয়োগ করেন, তবে সেই মুনাফার উপর প্রাপ্ত আয়-এর ক্ষেত্রে ক্লাবিং সিস্টেম প্রযোজ্য হবে না। সেই আয় স্ত্রী-র ব্যক্তিগত আয় হিসাবে বিবেচিত হবে।ম
advertisement
8/10
জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট ও নথিপত্র: যে কোনও বিবাদ এড়াতে বিনিয়োগ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে। একটি দানপত্র বা গিফ্ট ডিড প্রস্তুত করে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। এই ডিডটি এটা প্রমাণ করতে সাহায্য করে যে, অর্থটি উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল, কোনও গোপন লেনদেনের অংশ হিসেবে নয়। আইটিআর দাখিল: এই দু’টি বিষয়ের ব্যাপারে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন কর ফাঁকি এবং কর পরিকল্পনার মধ্যে একটি সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে। স্ত্রীর এসআইপি (SIP) আয় গোপন করা কিন্তু কর ফাঁকির সমান হতে পারে। ত্যাগীর মতে, আয়কর রিটার্ন (ITR) দাখিল করার সময় দুটি বিষয় মনে রাখা উচিত।
জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট ও নথিপত্র: যে কোনও বিবাদ এড়াতে বিনিয়োগ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে। একটি দানপত্র বা গিফ্ট ডিড প্রস্তুত করে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। এই ডিডটি এটা প্রমাণ করতে সাহায্য করে যে, অর্থটি উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল, কোনও গোপন লেনদেনের অংশ হিসেবে নয়।আইটিআর দাখিল: এই দু’টি বিষয়ের ব্যাপারে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনকর ফাঁকি এবং কর পরিকল্পনার মধ্যে একটি সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে। স্ত্রীর এসআইপি (SIP) আয় গোপন করা কিন্তু কর ফাঁকির সমান হতে পারে। ত্যাগীর মতে, আয়কর রিটার্ন (ITR) দাখিল করার সময় দুটি বিষয় মনে রাখা উচিত।
advertisement
9/10
স্বামীর জন্য: স্বামীকে তাঁর আয়কর রিটার্ন (ITR) দাখিল করার সময় ‘শিডিউল এসপিআই’ (স্পেসিফায়েড পার্সনস ইনকাম) বিভাগটি অবশ্যই পূরণ করতে হবে। এখানে তাঁকে তাঁর স্ত্রীর সেই আয় প্রকাশ করতে হবে। যা ক্লাবিং-এর নিয়ম অনুযায়ী তাঁর নিজের আয়ের সঙ্গে যোগ হবে।
স্বামীর জন্য: স্বামীকে তাঁর আয়কর রিটার্ন (ITR) দাখিল করার সময় ‘শিডিউল এসপিআই’ (স্পেসিফায়েড পার্সনস ইনকাম) বিভাগটি অবশ্যই পূরণ করতে হবে। এখানে তাঁকে তাঁর স্ত্রীর সেই আয় প্রকাশ করতে হবে। যা ক্লাবিং-এর নিয়ম অনুযায়ী তাঁর নিজের আয়ের সঙ্গে যোগ হবে।
advertisement
10/10
স্ত্রীর জন্য: স্ত্রী-কে ‘শিডিউল এএল’ (অ্যাসেটস অ্যান্ড লায়াবিলিটিজ)-এর মাধ্যমে নিজের বিনিয়োগের তথ্য জানাতে হবে। ত্যাগী ব্যাখ্যা করে বলেন যে, আজকাল আয়কর বিভাগ এআইএস (বার্ষিক তথ্য বিবরণী) এবং ফর্ম ২৬এএস-এর মাধ্যমে ছোট-বড় প্রতিটি লেনদেন পর্যবেক্ষণ করে। তাই তথ্যে কারসাজি করার পরিবর্তে সবচেয়ে নিরাপদ উপায় হল - সঠিক ফর্ম পূরণ করা এবং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া। পরের বার যখন কেউ নিজের স্ত্রী-র নামে এসআইপি শুরু করবেন, তখন শুধু রিটার্নই নয়, ট্যাক্স 'ক্লাবিং' গণনার বিষয়টিও অবশ্যই তাঁকে বিবেচনা করে দেখতে হবে।
স্ত্রীর জন্য: স্ত্রী-কে ‘শিডিউল এএল’ (অ্যাসেটস অ্যান্ড লায়াবিলিটিজ)-এর মাধ্যমে নিজের বিনিয়োগের তথ্য জানাতে হবে।ত্যাগী ব্যাখ্যা করে বলেন যে, আজকাল আয়কর বিভাগ এআইএস (বার্ষিক তথ্য বিবরণী) এবং ফর্ম ২৬এএস-এর মাধ্যমে ছোট-বড় প্রতিটি লেনদেন পর্যবেক্ষণ করে। তাই তথ্যে কারসাজি করার পরিবর্তে সবচেয়ে নিরাপদ উপায় হল - সঠিক ফর্ম পূরণ করা এবং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া। পরের বার যখন কেউ নিজের স্ত্রী-র নামে এসআইপি শুরু করবেন, তখন শুধু রিটার্নই নয়, ট্যাক্স 'ক্লাবিং' গণনার বিষয়টিও অবশ্যই তাঁকে বিবেচনা করে দেখতে হবে।
advertisement
advertisement
advertisement