advertisement

রেকর্ড 'পতন' ভারতীয় মুদ্রার! বিদেশি লগ্নি প্রত্যাহার বাড়তেই এই হাল? ১ ডলার এখন কত টাকা জানেন!

Last Updated:
Rupee Record Low: ভয়াবহ ধস ভারতীয় মুদ্রার। সেনসেক্সের ৩০টি শেয়ারের মধ্যে ২৪টিই দিনের শেষে লাল চিহ্নে বন্ধ হয়েছে। আদানি পোর্টস, ইটারনাল, ইন্ডিগো, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক এবং পাওয়ারগ্রিডের মতো শেয়ারে সর্বাধিক বিক্রি দেখা যায়, কোনও কোনও ক্ষেত্রে পতন হয়েছে সর্বোচ্চ ৭.৫২ শতাংশ পর্যন্ত।
1/7
ডলারের বিরুদ্ধে ভারতীয় মুদ্রার নজিরবিহীন দুর্বলতা। শুক্রবার মার্কিন ডলারের তুলনায় রেকর্ড সর্বনিম্ন স্তরে বন্ধ হয়েছে ভারতীয় টাকা। দিনের শেষে এক ডলারের দাম দাঁড়ায় ৯১.৯৭ টাকা। সাম্প্রতিক কয়েক সেশনে শেয়ারবাজারে টানা পতন এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক লগ্নি প্রত্যাহারের জেরেই টাকার উপর চাপ বেড়েছে বলে মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা।
ডলারের বিরুদ্ধে ভারতীয় মুদ্রার নজিরবিহীন দুর্বলতা। শুক্রবার মার্কিন ডলারের তুলনায় রেকর্ড সর্বনিম্ন স্তরে বন্ধ হয়েছে ভারতীয় টাকা। সাম্প্রতিক কয়েক সেশনে শেয়ারবাজারে টানা পতন এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক লগ্নি প্রত্যাহারের জেরেই টাকার উপর চাপ বেড়েছে বলে মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা।
advertisement
2/7
চলতি সপ্তাহেই প্রায় ১ শতাংশের বেশি দুর্বল হয়েছে ভারতীয় টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের শক্তি বৃদ্ধি, সোনা-সহ বিভিন্ন আমদানিকারক সংস্থার তরফে ডলারের বাড়তি চাহিদা, অফশোর বাজারে জল্পনাভিত্তিক কেনাবেচা এবং ইক্যুইটি বাজার থেকে বিদেশি তহবিলের ধারাবাহিক বহিঃপ্রবাহ—এই সব মিলিয়েই টাকার উপর চাপ বেড়েছে। জানুয়ারি মাসেই বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগকারীরা ভারতীয় শেয়ারবাজার থেকে প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন ডলার তুলে নিয়েছেন।
চলতি সপ্তাহেই প্রায় ১ শতাংশের বেশি দুর্বল হয়েছে ভারতীয় টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের শক্তি বৃদ্ধি, সোনা-সহ বিভিন্ন আমদানিকারক সংস্থার তরফে ডলারের বাড়তি চাহিদা, অফশোর বাজারে জল্পনাভিত্তিক কেনাবেচা এবং ইক্যুইটি বাজার থেকে বিদেশি তহবিলের ধারাবাহিক বহিঃপ্রবাহ—এই সব মিলিয়েই টাকার উপর চাপ বেড়েছে। জানুয়ারি মাসেই বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগকারীরা ভারতীয় শেয়ারবাজার থেকে প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন ডলার তুলে নিয়েছেন।
advertisement
3/7
 বিদেশি লগ্নি প্রত্যাহারের সরাসরি প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারেও। জানুয়ারি মাসে নিফটি সূচক প্রায় ৫ শতাংশ নেমেছে। চলতি সপ্তাহে বিক্রির চাপ আরও বেড়েছে, যেখানে বেঞ্চমার্ক সূচক তিন শতাংশেরও বেশি কমেছে। বাজারের এই দুর্বলতা স্থানীয় মুদ্রার উপর চাপ আরও বাড়িয়েছে।
বিদেশি লগ্নি প্রত্যাহারের সরাসরি প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারেও। জানুয়ারি মাসে নিফটি সূচক প্রায় ৫ শতাংশ নেমেছে। চলতি সপ্তাহে বিক্রির চাপ আরও বেড়েছে, যেখানে বেঞ্চমার্ক সূচক তিন শতাংশেরও বেশি কমেছে। বাজারের এই দুর্বলতা স্থানীয় মুদ্রার উপর চাপ আরও বাড়িয়েছে।
advertisement
4/7
চলতি মাসে এখনও পর্যন্ত টাকার দর কমেছে ২ শতাংশের বেশি। ২০২৫ সালে ইতিমধ্যেই প্রায় ৫ শতাংশ পতনের পর নতুন বছরের শুরুতেই এই ধাক্কা অর্থনীতির জন্য বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করেছে।
চলতি মাসে এখনও পর্যন্ত টাকার দর কমেছে ২ শতাংশের বেশি। ২০২৫ সালে ইতিমধ্যেই প্রায় ৫ শতাংশ পতনের পর নতুন বছরের শুরুতেই এই ধাক্কা অর্থনীতির জন্য বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করেছে।
advertisement
5/7
শুক্রবার দিনের শুরুতে বাজার সামান্য ইতিবাচক থাকলেও লাভ তুলে নেওয়ার প্রবণতায় দ্রুত বিক্রির চাপ তৈরি হয়। এর জেরে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের সেনসেক্স ৭৬৯.৬৭ পয়েন্ট পড়ে বন্ধ হয় ৮১,৫৩৭.৭০ পয়েন্টে। ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের নিফটি ২৪১ পয়েন্ট কমে ২৫,১০০ স্তরের নিচে নেমে ২৫,০৪৮.৬৫ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
শুক্রবার দিনের শুরুতে বাজার সামান্য ইতিবাচক থাকলেও লাভ তুলে নেওয়ার প্রবণতায় দ্রুত বিক্রির চাপ তৈরি হয়। এর জেরে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের সেনসেক্স ৭৬৯.৬৭ পয়েন্ট পড়ে বন্ধ হয় ৮১,৫৩৭.৭০ পয়েন্টে। ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের নিফটি ২৪১ পয়েন্ট কমে ২৫,১০০ স্তরের নিচে নেমে ২৫,০৪৮.৬৫ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
advertisement
6/7
সেনসেক্সের ৩০টি শেয়ারের মধ্যে ২৪টিই দিনের শেষে লাল চিহ্নে বন্ধ হয়েছে। আদানি পোর্টস, ইটারনাল, ইন্ডিগো, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক এবং পাওয়ারগ্রিডের মতো শেয়ারে সর্বাধিক বিক্রি দেখা যায়, কোনও কোনও ক্ষেত্রে পতন হয়েছে সর্বোচ্চ ৭.৫২ শতাংশ পর্যন্ত। যদিও টেক মাহিন্দ্রা, হিন্দুস্তান ইউনিলিভার, ইনফোসিস, এশিয়ান পেইন্টস, টিসিএস এবং আল্ট্রাটেক সিমেন্টের মতো কয়েকটি শেয়ার সীমিত লাভ ধরে রাখতে পেরেছে।
সেনসেক্সের ৩০টি শেয়ারের মধ্যে ২৪টিই দিনের শেষে লাল চিহ্নে বন্ধ হয়েছে। আদানি পোর্টস, ইটারনাল, ইন্ডিগো, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক এবং পাওয়ারগ্রিডের মতো শেয়ারে সর্বাধিক বিক্রি দেখা যায়, কোনও কোনও ক্ষেত্রে পতন হয়েছে সর্বোচ্চ ৭.৫২ শতাংশ পর্যন্ত। যদিও টেক মাহিন্দ্রা, হিন্দুস্তান ইউনিলিভার, ইনফোসিস, এশিয়ান পেইন্টস, টিসিএস এবং আল্ট্রাটেক সিমেন্টের মতো কয়েকটি শেয়ার সীমিত লাভ ধরে রাখতে পেরেছে।
advertisement
7/7
Generated image বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশি লগ্নির গতি এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে ডলারের অবস্থান আগামী দিনে টাকার গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। আপাতত বাজারে অনিশ্চয়তা এবং অস্থিরতার আবহেই লেনদেন চলবে বলেই মত অর্থনৈতিক মহলের।
শুক্রবার মার্কিন ডলারের তুলনায় রেকর্ড সর্বনিম্ন স্তরে বন্ধ হয়েছে ভারতীয় টাকা। দিনের শেষে এক ডলারের দাম দাঁড়ায় ৯১.৯৭ টাকা। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশি লগ্নির গতি এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে ডলারের অবস্থান আগামী দিনে টাকার গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। আপাতত বাজারে অনিশ্চয়তা এবং অস্থিরতার আবহেই লেনদেন চলবে বলেই মত অর্থনৈতিক মহলের।
advertisement
advertisement
advertisement