Groundnut Farming: চিনা বাদাম চাষে দ্বিগুণ লাভের ফর্মুলা! বিঘায় লাভ ৪০ হাজার টাকা! জেনে নিন বীজ বপনের সঠিক সময় ও পদ্ধতি

Last Updated:
Groundnut Farming: এগ্রা মহকুমায় আমন ধানের পর বিকল্প ফসল হিসেবে চিনা বাদাম চাষে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। সঠিক সময়ে বীজ বপন ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি মেনে চললে এক বিঘায় ৩৫–৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ সম্ভব
1/6
দু’দশক আগে কয়েক বিঘে জমিতে পরীক্ষামূলক ভাবে শুরু হয়েছিল চিনা বাদাম চাষ। ধীরে ধীরে সেই চাষই আজ অর্থকরী বিকল্প ফসল হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে এগরা মহকুমায়। আমন ধান তোলার পর একই জমিতে চিনা বাদাম চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা ১, এগরা ২ ও পটাশপুর ২ ব্লকের বেলে দোঁয়াশ মাটিযুক্ত এলাকায় বিকল্প অর্থকরী ফসল হিসেবে এই চাষ ছড়িয়ে পড়েছে। (তথ্য ও ছবি: মদন মাইতি)
দু’দশক আগে কয়েক বিঘে জমিতে পরীক্ষামূলক ভাবে শুরু হয়েছিল চিনা বাদাম চাষ। ধীরে ধীরে সেই চাষই আজ অর্থকরী বিকল্প ফসল হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে এগরা মহকুমায়। আমন ধান তোলার পর একই জমিতে চিনা বাদাম চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা ১, এগরা ২ ও পটাশপুর ২ ব্লকের বেলে দোঁয়াশ মাটিযুক্ত এলাকায় বিকল্প অর্থকরী ফসল হিসেবে এই চাষ ছড়িয়ে পড়েছে। (তথ্য ও ছবি: মদন মাইতি)
advertisement
2/6
কৃষকদের মধ্যে চিনা বাদাম চাষের আগ্রহ বাড়লেও অনেকেই সঠিক সময়ে বীজ বপন না করায় আশানুরূপ ফলন পাচ্ছেন না। মাসের কোন তারিখে বীজ বপন করলে ফলন ভাল হবে, তা অনেক কৃষকই সঠিকভাবে জানেন না। এই সমস্যার সমাধানে দিঘায় উইলোউড কেমিক্যালস লিমিটেডের উদ্যোগে এক কৃষিবান্ধব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে কৃষকদের সঠিক চাষ পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত বার্তা দেওয়া হয়।
কৃষকদের মধ্যে চিনা বাদাম চাষের আগ্রহ বাড়লেও অনেকেই সঠিক সময়ে বীজ বপন না করায় আশানুরূপ ফলন পাচ্ছেন না। মাসের কোন তারিখে বীজ বপন করলে ফলন ভাল হবে, তা অনেক কৃষকই সঠিকভাবে জানেন না। এই সমস্যার সমাধানে দিঘায় উইলোউড কেমিক্যালস লিমিটেডের উদ্যোগে এক কৃষিবান্ধব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে কৃষকদের সঠিক চাষ পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত বার্তা দেওয়া হয়।
advertisement
3/6
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উইলোউড কেমিক্যালস লিমিটেডের বিজনেস হেড তথাগত সান্যাল, ডেপুটি জোনাল ম্যানেজার শান্তনু পন্ডা সহ সংস্থার অন্যান্য আধিকারিকরা। কৃষকদের উদ্দেশে জানানো হয়, সঠিক পদ্ধতিতে চিনা বাদাম চাষ করলে লাভ দ্বিগুণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, উপকূলীয় পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় এই ফসল ভবিষ্যতে আরও বড় আকার নিতে পারে, যদি চাষের সঠিক সময়ে বীজ বপন এবং সঠিক পদ্ধতিতে চাষ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উইলোউড কেমিক্যালস লিমিটেডের বিজনেস হেড তথাগত সান্যাল, ডেপুটি জোনাল ম্যানেজার শান্তনু পন্ডা সহ সংস্থার অন্যান্য আধিকারিকরা। কৃষকদের উদ্দেশে জানানো হয়, সঠিক পদ্ধতিতে চিনা বাদাম চাষ করলে লাভ দ্বিগুণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, উপকূলীয় পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় এই ফসল ভবিষ্যতে আরও বড় আকার নিতে পারে, যদি চাষের সঠিক সময়ে বীজ বপন এবং সঠিক পদ্ধতিতে চাষ করা হয়।
advertisement
4/6
উইলোউড কেমিক্যালসের কৃষি বিশেষজ্ঞ ড. লাল্টু মন্ডল জানান, চিনা বাদামের বীজ বপনের সঠিক সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে বীজ বপন করা উচিত। এর মধ্যে ফেব্রুয়ারি মাসের ১০ থেকে ২৫ তারিখ সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। এই সময়ে বীজ বপন করলে গাছের বৃদ্ধি ভালো হয় এবং ফলনও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে।
উইলোউড কেমিক্যালসের কৃষি বিশেষজ্ঞ ড. লাল্টু মন্ডল জানান, চিনা বাদামের বীজ বপনের সঠিক সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে বীজ বপন করা উচিত। এর মধ্যে ফেব্রুয়ারি মাসের ১০ থেকে ২৫ তারিখ সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। এই সময়ে বীজ বপন করলে গাছের বৃদ্ধি ভালো হয় এবং ফলনও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে।
advertisement
5/6
শুধু বীজ বপনের সময় নয়, এদিন চিনা বাদাম চাষের সম্পূর্ণ সঠিক পদ্ধতিও ব্যাখ্যা করেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। তারা জানান, বেলে দোঁয়াশ মাটি এই চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। জমিতে অবশ্যই ভালো জল নিকাশের ব্যবস্থা থাকতে হবে। জল জমে থাকলে বীজ নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া কোন সময় কোন কীটনাশক ব্যবহার করা উচিত এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প কীভাবে প্রয়োগ করা যায়, তাও বোঝানো হয়।
শুধু বীজ বপনের সময় নয়, এদিন চিনা বাদাম চাষের সম্পূর্ণ সঠিক পদ্ধতিও ব্যাখ্যা করেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। তারা জানান, বেলে দোঁয়াশ মাটি এই চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। জমিতে অবশ্যই ভালো জল নিকাশের ব্যবস্থা থাকতে হবে। জল জমে থাকলে বীজ নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া কোন সময় কোন কীটনাশক ব্যবহার করা উচিত এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প কীভাবে প্রয়োগ করা যায়, তাও বোঝানো হয়।
advertisement
6/6
কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, চারা ওঠার ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে ছত্রাকনাশক স্প্রে করা জরুরি। ৩৫ থেকে ৪০ দিনের মাথায় পাতার রোগ দেখা দিলে আবার ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে। ফলন বাড়াতে সময়মতো জৈব উদ্দীপক ব্যবহার অত্যন্ত কার্যকর। ৫০ ও ৬৫ দিনের মাথায় জৈব উদ্দীপক দিলে দানা পুষ্ট হয়। সঠিকভাবে চাষ করলে এক বিঘায় খরচ বাদ দিয়ে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা লাভ সম্ভব। জৈব সার ব্যবহার করলে খরচ আরো কমবে। (তথ্য ও ছবি: মদন মাইতি)
কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, চারা ওঠার ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে ছত্রাকনাশক স্প্রে করা জরুরি। ৩৫ থেকে ৪০ দিনের মাথায় পাতার রোগ দেখা দিলে আবার ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে। ফলন বাড়াতে সময়মতো জৈব উদ্দীপক ব্যবহার অত্যন্ত কার্যকর। ৫০ ও ৬৫ দিনের মাথায় জৈব উদ্দীপক দিলে দানা পুষ্ট হয়। সঠিকভাবে চাষ করলে এক বিঘায় খরচ বাদ দিয়ে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা লাভ সম্ভব। জৈব সার ব্যবহার করলে খরচ আরো কমবে। (তথ্য ও ছবি: মদন মাইতি)
advertisement
advertisement
advertisement