advertisement

EPFO Pension: ২০২৬ সালে অবসর নেওয়া বেসরকারি চাকরিজীবীরা কত পেনশন পাবেন? দেখুন সম্পূর্ণ হিসেব

Last Updated:
EPFO Pension: ২০২৬ সালে অবসর নেওয়া বেসরকারি চাকরিজীবীরা EPFO-র EPS স্কিমের অধীনে প্রতি মাসে পেনশন পান। এখানে জানুন পেনশনের হিসেবের ফর্মুলা, বেতনের সীমা ও সম্ভাব্য পেনশনের অঙ্ক।
1/8
প্রাইভেট সেক্টরে কাজ করা কর্মীদের জন্য অবসর নেওয়ার কথা ভাবলেই অনেক সময় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে। সরকারি চাকরির মতো এখানে কোনও নির্দিষ্ট বা বাঁধা পেনশন ব্যবস্থা থাকে না, তাই বার্ধক্যে আর্থিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে আপনি যদি কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংস্থা (EPFO)-র আওতায় থাকেন এবং প্রতি মাসে আপনার পিএফ কাটা হয়, তাহলে তা আপনার বড় দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমাতে পারে।
প্রাইভেট সেক্টরে কাজ করা কর্মীদের জন্য অবসর নেওয়ার কথা ভাবলেই অনেক সময় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে। সরকারি চাকরির মতো এখানে কোনও নির্দিষ্ট বা বাঁধা পেনশন ব্যবস্থা থাকে না, তাই বার্ধক্যে আর্থিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে আপনি যদি কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংস্থা (EPFO)-র আওতায় থাকেন এবং প্রতি মাসে আপনার পিএফ কাটা হয়, তাহলে তা আপনার বড় দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমাতে পারে।
advertisement
2/8
ইপিএফও-র ইপিএস স্কিম (EPS Scheme) বেসরকারি খাতে কর্মরত চাকরিজীবীদের জন্য বড় ভরসা। আপনি যদি ২০২৬ সালে অবসর নেওয়ার পরিকল্পনা করে থাকেন, তাহলে এখন থেকেই জেনে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ—চাকরি শেষ হওয়ার পর প্রতি মাসে পেনশন হিসেবে আপনার হাতে ঠিক কত টাকা আসতে পারে।
ইপিএফও-র ইপিএস স্কিম (EPS Scheme) বেসরকারি খাতে কর্মরত চাকরিজীবীদের জন্য বড় ভরসা। আপনি যদি ২০২৬ সালে অবসর নেওয়ার পরিকল্পনা করে থাকেন, তাহলে এখন থেকেই জেনে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ—চাকরি শেষ হওয়ার পর প্রতি মাসে পেনশন হিসেবে আপনার হাতে ঠিক কত টাকা আসতে পারে।
advertisement
3/8
বেতনের ছোট অংশই হয়ে ওঠে বড় ভরসা ৷ অনেকেরই মনে হয় পিএফ কাটা মানে শুধু এক ধরনের সঞ্চয়। কিন্তু এর হিসেবটা একটু আলাদা। প্রতি মাসে আপনার বেতন থেকে যে টাকা কাটা হয়, তার একটি অংশ জমা হয় আপনার কর্মচারী ভবিষ্যনিধি (EPF) অ্যাকাউন্টে। আরেকটি অংশ জমা দেয় আপনার কোম্পানি বা নিয়োগকর্তা।
বেতনের ছোট অংশই হয়ে ওঠে বড় ভরসা ৷অনেকেরই মনে হয় পিএফ কাটা মানে শুধু এক ধরনের সঞ্চয়। কিন্তু এর হিসেবটা একটু আলাদা। প্রতি মাসে আপনার বেতন থেকে যে টাকা কাটা হয়, তার একটি অংশ জমা হয় আপনার কর্মচারী ভবিষ্যনিধি (EPF) অ্যাকাউন্টে। আরেকটি অংশ জমা দেয় আপনার কোম্পানি বা নিয়োগকর্তা।
advertisement
4/8
নিয়োগকর্তার দেওয়া অবদানের একটি বড় অংশ সরাসরি ইমপ্লয়িজ পেনশন স্কিম (EPS)-এ চলে যায়। এই টাকাই চাকরির সময় ধীরে ধীরে জমা হতে থাকে এবং অবসর নেওয়ার পরে পেনশন হিসেবে আপনি তা পান। তবে এই সুবিধা পেতে হলে কিছু শর্ত মানতে হয়। পেনশনের যোগ্য হতে হলে কর্মচারীকে অন্তত ১০ বছর চাকরি (পেনশনযোগ্য পরিষেবা) সম্পূর্ণ করা বাধ্যতামূলক। সাধারণত ৫৮ বছর বয়সে পূর্ণ পেনশন পাওয়া যায়।
নিয়োগকর্তার দেওয়া অবদানের একটি বড় অংশ সরাসরি ইমপ্লয়িজ পেনশন স্কিম (EPS)-এ চলে যায়। এই টাকাই চাকরির সময় ধীরে ধীরে জমা হতে থাকে এবং অবসর নেওয়ার পরে পেনশন হিসেবে আপনি তা পান। তবে এই সুবিধা পেতে হলে কিছু শর্ত মানতে হয়। পেনশনের যোগ্য হতে হলে কর্মচারীকে অন্তত ১০ বছর চাকরি (পেনশনযোগ্য পরিষেবা) সম্পূর্ণ করা বাধ্যতামূলক। সাধারণত ৫৮ বছর বয়সে পূর্ণ পেনশন পাওয়া যায়।
advertisement
5/8
এভাবে হিসেব করুন আপনার পেনশন- নিজের পেনশনের অঙ্ক জানতে আপনাকে কোনও সিএ-র কাছে যেতে হবে না। ইপিএফও নির্ধারিত একটি সহজ ফর্মুলার সাহায্যেই আপনি নিজে থেকে হিসেব করতে পারেন। সেই ফর্মুলাটি হল:

(পেনশনযোগ্য বেতন × চাকরির মোট বছর) / ৭০
এভাবে হিসেব করুন আপনার পেনশন-নিজের পেনশনের অঙ্ক জানতে আপনাকে কোনও সিএ-র কাছে যেতে হবে না। ইপিএফও নির্ধারিত একটি সহজ ফর্মুলার সাহায্যেই আপনি নিজে থেকে হিসেব করতে পারেন। সেই ফর্মুলাটি হল:(পেনশনযোগ্য বেতন × চাকরির মোট বছর) / ৭০
advertisement
6/8
এখানে একটি প্রযুক্তিগত বিষয় রয়েছে, যা ভালভাবে বোঝা খুবই জরুরি। ইপিএফও-র নিয়ম অনুযায়ী, পেনশন হিসেব করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বেতনের সীমা (বেসিক স্যালারি + ডিএ) প্রতি মাসে ১৫,০০০ টাকা ধরা হয়। এর সরাসরি অর্থ হল—আপনার বেসিক বেতন লক্ষ টাকাও হলেও, পেনশনের হিসেব করা হবে মাত্র ১৫,০০০ টাকার ভিত্তিতেই। এখানে ‘চাকরির বছর’ বলতে বোঝানো হচ্ছে সেই সব বছর, যত সময় আপনি ইপিএস (EPS) অ্যাকাউন্টে অবদান রেখেছেন।
এখানে একটি প্রযুক্তিগত বিষয় রয়েছে, যা ভালভাবে বোঝা খুবই জরুরি। ইপিএফও-র নিয়ম অনুযায়ী, পেনশন হিসেব করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বেতনের সীমা (বেসিক স্যালারি + ডিএ) প্রতি মাসে ১৫,০০০ টাকা ধরা হয়।এর সরাসরি অর্থ হল—আপনার বেসিক বেতন লক্ষ টাকাও হলেও, পেনশনের হিসেব করা হবে মাত্র ১৫,০০০ টাকার ভিত্তিতেই। এখানে ‘চাকরির বছর’ বলতে বোঝানো হচ্ছে সেই সব বছর, যত সময় আপনি ইপিএস (EPS) অ্যাকাউন্টে অবদান রেখেছেন।
advertisement
7/8
২০২৬ সালে অবসর নিলে কত হবে পেনশনের অঙ্ক? এই পুরো হিসেবটা একটি উদাহরণের মাধ্যমে বুঝে নেওয়া যাক। ধরুন, একজন কর্মচারী  ২০২৬ সালে অবসর নিতে চলেছেন। উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, সেই সময় পর্যন্ত তাঁর ইপিএস (EPS)-এ মোট চাকরি বা অবদানের সময়কাল ৫০ বছর।

 যেহেতু পেনশন গণনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বেতনের সীমা ১৫,০০০ টাকা নির্ধারিত, তাই পেনশনের হিসাব হবে এভাবে—

১৫,০০০ (বেতন) × ৫০ (বছর) ÷ ৭০ = ১০,৭১৪ টাকা (প্রায়)
২০২৬ সালে অবসর নিলে কত হবে পেনশনের অঙ্ক?এই পুরো হিসেবটা একটি উদাহরণের মাধ্যমে বুঝে নেওয়া যাক। ধরুন, একজন কর্মচারী ২০২৬ সালে অবসর নিতে চলেছেন। উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, সেই সময় পর্যন্ত তাঁর ইপিএস (EPS)-এ মোট চাকরি বা অবদানের সময়কাল ৫০ বছর।যেহেতু পেনশন গণনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বেতনের সীমা ১৫,০০০ টাকা নির্ধারিত, তাই পেনশনের হিসাব হবে এভাবে—১৫,০০০ (বেতন) × ৫০ (বছর) ÷ ৭০ = ১০,৭১৪ টাকা (প্রায়)
advertisement
8/8
এই হিসেব অনুযায়ী, অবসর নেওয়ার পর প্রতি মাসে প্রায় ১০,৭১৪ টাকা পেনশন পাবেন। তবে এখানে বয়সের বিষয়টিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদি  ৫৮ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা না করে ৫০ বছর বয়স থেকেই পেনশন নেওয়া শুরু করেন, তাহলে তাঁর ক্ষতি হবে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বছর আগেভাগে পেনশন নিলে পেনশনের অঙ্ক ৪% করে কমে যায়।
এই হিসেব অনুযায়ী, অবসর নেওয়ার পর প্রতি মাসে প্রায় ১০,৭১৪ টাকা পেনশন পাবেন। তবে এখানে বয়সের বিষয়টিও খুব গুরুত্বপূর্ণ।যদি ৫৮ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা না করে ৫০ বছর বয়স থেকেই পেনশন নেওয়া শুরু করেন, তাহলে তাঁর ক্ষতি হবে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বছর আগেভাগে পেনশন নিলে পেনশনের অঙ্ক ৪% করে কমে যায়।
advertisement
advertisement
advertisement