advertisement

EPFO Rules Change: EPFO নিয়ে এল বড় পরিবর্তন ! মাত্র ৩ দিনেই ক্লেম সেটলমেন্ট

Last Updated:
EPFO Rule Change: EPFO নতুন আপডেটে PF ক্লেম সেটলমেন্টের সময় কমিয়ে মাত্র ৩ দিন করেছে। এতে দেশের লক্ষ লক্ষ কর্মচারী উপকৃত হবেন।
1/6
বেসরকারি কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা আরও সহজতর করে তুলতে বেশ কিছু বড় পরিবর্তন এনেছে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (ইপিএফও)। এর মধ্যে রয়েছে ক্লেম সেটলমেন্ট এবং পেনশন-সংক্রান্ত বিষয়। যাঁরা পিএফ-এ টাকা রাখেন, তাঁদের এই পরিবর্তনের বিষয়ে জানা জরুরি। সেটাই তাহলে জেনে নেওয়া যাক।
বেসরকারি কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা আরও সহজতর করে তুলতে বেশ কিছু বড় পরিবর্তন এনেছে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (ইপিএফও)। এর মধ্যে রয়েছে ক্লেম সেটলমেন্ট এবং পেনশন-সংক্রান্ত বিষয়। যাঁরা পিএফ-এ টাকা রাখেন, তাঁদের এই পরিবর্তনের বিষয়ে জানা জরুরি। সেটাই তাহলে জেনে নেওয়া যাক।
advertisement
2/6
লোকসভায় ইপিএফও-র নিয়মাবলী নিয়ে কথা বলতে গিয়ে শ্রম এবং রোজগার প্রতিমন্ত্রী শোভা করন্দলাজে বলেন, আমাদের লক্ষ্য হল- এই ব্যবস্থাকে আরও দ্রুত, আরও স্বচ্ছ এবং আরও ব্যবহার-বান্ধব বা ইউজার ফ্রেন্ডলি করে তোলা। এর ফলে ক্লেম সেটলমেন্টের প্রক্রিয়ার গতি বাড়বে। শুধু তা-ই নয়, প্রক্রিয়াটি সহজ তো হবেই। আর সমস্ত পরিষেবা ডিজিটাল ভাবে একই ছাদের তলায় পাওয়া যাবে। 
লোকসভায় ইপিএফও-র নিয়মাবলী নিয়ে কথা বলতে গিয়ে শ্রম এবং রোজগার প্রতিমন্ত্রী শোভা করন্দলাজে বলেন, আমাদের লক্ষ্য হল- এই ব্যবস্থাকে আরও দ্রুত, আরও স্বচ্ছ এবং আরও ব্যবহার-বান্ধব বা ইউজার ফ্রেন্ডলি করে তোলা। এর ফলে ক্লেম সেটলমেন্টের প্রক্রিয়ার গতি বাড়বে। শুধু তা-ই নয়, প্রক্রিয়াটি সহজ তো হবেই। আর সমস্ত পরিষেবা ডিজিটাল ভাবে একই ছাদের তলায় পাওয়া যাবে।
advertisement
3/6
অটোমেটিক পেনশন ট্রান্সফার: সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনটি হল- সেন্ট্রালাইজড পেনশন পেমেন্ট সিস্টেম (সিপিপিএস)। মন্ত্রী জানান যে, গত ১ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখ থেকে সকল মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা এই ব্যবস্থাটি গ্রহণ করেছেন। এই ব্যবস্থার ফলে প্রতি মাসে ৭০ লক্ষেরও বেশি পেনশনভোগী সময়মতো এবং ঝামেলামুক্তভাবে পেনশন  পাচ্ছেন। 
অটোমেটিক পেনশন ট্রান্সফার: সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনটি হল- সেন্ট্রালাইজড পেনশন পেমেন্ট সিস্টেম (সিপিপিএস)। মন্ত্রী জানান যে, গত ১ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখ থেকে সকল মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা এই ব্যবস্থাটি গ্রহণ করেছেন। এই ব্যবস্থার ফলে প্রতি মাসে ৭০ লক্ষেরও বেশি পেনশনভোগী সময়মতো এবং ঝামেলামুক্তভাবে পেনশন  পাচ্ছেন।
advertisement
4/6
দ্রুত ক্লেম সেটলমেন্ট: সরকারের তরফে জানানো হয়েছে যে, চলতি অর্থবর্ষে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত, ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ৩৫.২ মিলিয়নেরও বেশি অগ্রিম দাবি বা অ্যাডভান্স ক্লেম স্বয়ংক্রিয় ভাবে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। মোট অ্যাডভান্স ক্লেমের প্রায় ৭১.৩৭ শতাংশের স্বয়ংক্রিয় ভাবে সেটলমেন্ট হয়েছে। এই সেটলমেন্টের মাধ্যমে প্রায় ৫১,৬২০ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। এটা স্পষ্ট যে, জনগণকে আর বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না।  
দ্রুত ক্লেম সেটলমেন্ট: সরকারের তরফে জানানো হয়েছে যে, চলতি অর্থবর্ষে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত, ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ৩৫.২ মিলিয়নেরও বেশি অগ্রিম দাবি বা অ্যাডভান্স ক্লেম স্বয়ংক্রিয় ভাবে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। মোট অ্যাডভান্স ক্লেমের প্রায় ৭১.৩৭ শতাংশের স্বয়ংক্রিয় ভাবে সেটলমেন্ট হয়েছে। এই সেটলমেন্টের মাধ্যমে প্রায় ৫১,৬২০ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। এটা স্পষ্ট যে, জনগণকে আর বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না।
advertisement
5/6
অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফারও এখন আরও সহজ: চাকরি পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ইপিএফ অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফার করার প্রক্রিয়া এখন খুব সহজ হবে। আগে যেখানে নিয়োগকর্তার অনুমোদন এবং একাধিক ধাপের প্রয়োজন হত, এখন কেওয়াইসি আপডেট করার সঙ্গে সঙ্গেই এই প্রক্রিয়াটি স্বয়ংক্রিয় ভাবে সম্পন্ন হয়। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত কোনও রকম হস্তক্ষেপ ছাড়াই ৭০.৫ লক্ষ অটোমেটিক ট্রান্সফার আবেদন প্রক্রিয়া করা হয়েছে।  
অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফারও এখন আরও সহজ: চাকরি পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ইপিএফ অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফার করার প্রক্রিয়া এখন খুব সহজ হবে। আগে যেখানে নিয়োগকর্তার অনুমোদন এবং একাধিক ধাপের প্রয়োজন হত, এখন কেওয়াইসি আপডেট করার সঙ্গে সঙ্গেই এই প্রক্রিয়াটি স্বয়ংক্রিয় ভাবে সম্পন্ন হয়। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত কোনও রকম হস্তক্ষেপ ছাড়াই ৭০.৫ লক্ষ অটোমেটিক ট্রান্সফার আবেদন প্রক্রিয়া করা হয়েছে।
advertisement
6/6
মাত্র ৩ দিনে ক্লেম সেটলমেন্ট: কাগজপত্রের কাজের ঝামে কমানো এবং সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটিকে অনলাইন ও অটোমেটিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্লেম সেটলমেন্টের ক্ষেত্রে আগে ২০ দিন পর্যন্ত সময় লাগত। সেটা এখন ৩ দিনেরও কম সময়ে সম্পন্ন হবে। এটি কর্মচারী এবং পেনশনভোগী উভয়ের জন্যই একটি বড় স্বস্তি।  
মাত্র ৩ দিনে ক্লেম সেটলমেন্ট: কাগজপত্রের কাজের ঝামে কমানো এবং সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটিকে অনলাইন ও অটোমেটিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্লেম সেটলমেন্টের ক্ষেত্রে আগে ২০ দিন পর্যন্ত সময় লাগত। সেটা এখন ৩ দিনেরও কম সময়ে সম্পন্ন হবে। এটি কর্মচারী এবং পেনশনভোগী উভয়ের জন্যই একটি বড় স্বস্তি।
advertisement
advertisement
advertisement