South 24 Parganas News: প্রতিকূলতাকে আয়ের সুযোগ  সুন্দরবনের চাষিদের! নোনা জমিতে ফলছে কার্পাস তুলো

Last Updated:
নোনা জলের প্রভাবে ধান ও অন্যান্য শস্য উৎপাদনে ব্যাহত হচ্ছিল। সেই সমস্যা সমাধানে এবার নতুন পথের সন্ধানে সুন্দরবনের কৃষকেরা
1/6
সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকায় নোনা জমি থাকার কারণে তেমনভাবে ফসল ফলাতে পারে না সুন্দরবনের চাষীরা। ধান থেকে সবজি চাষের ক্ষেত্রেও প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয় চাষীদের। এবার সেই প্রতিকূলতাকে উপার্জনের সুযোগ করে নিল সুন্দরবনের চাষীরা। সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকায় নোনা জমির কারণে দীর্ঘদিন ধরে ফসল ফলানো ছিল চাষীদের কাছে কষ্টসাধ্য। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকায় নোনা জমি থাকার কারণে তেমনভাবে ফসল ফলাতে পারে না সুন্দরবনের চাষীরা। ধান থেকে সবজি চাষের ক্ষেত্রেও প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয় চাষীদের। এবার সেই প্রতিকূলতাকে উপার্জনের সুযোগ করে নিল সুন্দরবনের চাষীরা। সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকায় নোনা জমির কারণে দীর্ঘদিন ধরে ফসল ফলানো ছিল চাষীদের কাছে কষ্টসাধ্য। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
2/6
নোনা জলের প্রভাবে ধান ও অন্যান্য শস্য উৎপাদনে ব্যাহত হচ্ছিল। সেই সমস্যা সমাধানে এবার নতুন পথের সন্ধানে সুন্দরবনের কৃষকেরা। জয়নগর নিমপীঠ কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের সহায়তায় জেলার প্রায় তিন হাজার বিঘে নোনা জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করা হয়েছে কার্পাস তুলোর চাষ। বিশেষ প্রজাতি এই তুলো নোনা জমিতে তুলনামূলকভাবে ভালো ফলন দিচ্ছে।ফলে পরীক্ষামূলকভাবে সফল চাষিরা।(তথ্য ছবি সুমন সাহা)
নোনা জলের প্রভাবে ধান ও অন্যান্য শস্য উৎপাদনে ব্যাহত হচ্ছিল। সেই সমস্যা সমাধানে এবার নতুন পথের সন্ধানে সুন্দরবনের কৃষকেরা। জয়নগর নিমপীঠ কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের সহায়তায় জেলার প্রায় তিন হাজার বিঘে নোনা জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করা হয়েছে কার্পাস তুলোর চাষ। বিশেষ প্রজাতি এই তুলো নোনা জমিতে তুলনামূলকভাবে ভালো ফলন দিচ্ছে।ফলে পরীক্ষামূলকভাবে সফল চাষিরা।(তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
3/6
নিমপীঠ কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের সহযোগিতায় কৃষি বিশেষজ্ঞদের মত নিয়ে, নোনা জমিতে কার্যত কার্পাস তুলো ফলন করে লাভের মুখ দেখছে কৃষকেরা। আগামী দিনে সুন্দরবনের প্রান্তিক এলাকার কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বীন করার জন্য এই কার্পাস তুলো অন্যতম ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
নিমপীঠ কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের সহযোগিতায় কৃষি বিশেষজ্ঞদের মত নিয়ে, নোনা জমিতে কার্যত কার্পাস তুলো ফলন করে লাভের মুখ দেখছে কৃষকেরা। আগামী দিনে সুন্দরবনের প্রান্তিক এলাকার কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বীন করার জন্য এই কার্পাস তুলো অন্যতম ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
4/6
এই চাষের ফলে একদিকে যেমন জমির লবনের পরিমাণ ধীরে ধীরে কমছে তেমনি কৃষকদের আয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্ষাকালের অতিরিক্ত বৃষ্টি এবং নোনা জমি থাকার কারণে আমন ধান ফলনের পর আর কোন চাষ এই জমিতে করার জন্য উপযোগী নয়। সুন্দরবনের এই জমিগুলিতে প্রচুর পরিমাণে লবণাক্ত থাকার কারণে কার্পাস তুলো খুব ভালোভাবেই ফলানো সম্ভব হয়। পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে জমিতে যদি কার্পাস তুলো চাষ করা হয় তাহলে জমির লবণাক্ত ভাব অনেকটাই কমে যাবে । (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
এই চাষের ফলে একদিকে যেমন জমির লবনের পরিমাণ ধীরে ধীরে কমছে তেমনি কৃষকদের আয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্ষাকালের অতিরিক্ত বৃষ্টি এবং নোনা জমি থাকার কারণে আমন ধান ফলনের পর আর কোন চাষ এই জমিতে করার জন্য উপযোগী নয়। সুন্দরবনের এই জমিগুলিতে প্রচুর পরিমাণে লবণাক্ত থাকার কারণে কার্পাস তুলো খুব ভালোভাবেই ফলানো সম্ভব হয়।পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে জমিতে যদি কার্পাস তুলো চাষ করা হয় তাহলে জমির লবণাক্ত ভাব অনেকটাই কমে যাবে । (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
5/6
প্রতিবিঘাতে যদি চাষিরা ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা খরচ করে এই চাষের জন্য । চাষ করার পর চাষিরা প্রতি বিঘা প্রতি ১০ থেকে ১২ টাকা করে উপার্জন করতে পারবে এই কার্পাস তুলো চাষ করে। কটন কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া ৩০ মিলিমিটার তুলোর দাম ৮১০ টাকা অতিকুইন্টাল। পরীক্ষামূলকভাবে সুন্দরবন এলাকা ৭০০ থেকে ৮০০ কৃষক এই চাষের সঙ্গে এখন যুক্ত রয়েছে। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
প্রতিবিঘাতে যদি চাষিরা ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা খরচ করে এই চাষের জন্য । চাষ করার পর চাষিরা প্রতি বিঘা প্রতি ১০ থেকে ১২ টাকা করে উপার্জন করতে পারবে এই কার্পাস তুলো চাষ করে। কটন কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া ৩০ মিলিমিটার তুলোর দাম ৮১০ টাকা অতিকুইন্টাল। পরীক্ষামূলকভাবে সুন্দরবন এলাকা ৭০০ থেকে ৮০০ কৃষক এই চাষের সঙ্গে এখন যুক্ত রয়েছে। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
6/6
আগামী দিনে ধীরে ধীরে এই কার্পাস তুলা চাষ ছড়িয়ে পড়বে গোটা সুন্দরবন জুড়ে আশা করা যাচ্ছে। সুন্দরবন এলাকায় জমিতে লবনের পরিমাণ বেশি। ধান চাষ করার পর এই জমিতে আর কিছু চাষ করা যায় না এরপর নিমপীঠ কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের পক্ষ থেকে এই তুলা চাষের জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয় আমার বাবাও এই চাষ করত এর পরবর্তী প্রজন্মে আমিও এই চাষ করছে। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
আগামী দিনে ধীরে ধীরে এই কার্পাস তুলা চাষ ছড়িয়ে পড়বে গোটা সুন্দরবন জুড়ে আশা করা যাচ্ছে।সুন্দরবন এলাকায় জমিতে লবনের পরিমাণ বেশি। ধান চাষ করার পর এই জমিতে আর কিছু চাষ করা যায় না এরপর নিমপীঠ কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের পক্ষ থেকে এই তুলা চাষের জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয় আমার বাবাও এই চাষ করত এর পরবর্তী প্রজন্মে আমিও এই চাষ করছে। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
advertisement
advertisement