Stock Market Tips and Tricks: স্টক মার্কেটের ৮টি ট্র্যাপ যা বিনিয়োগকারীদের পথে বসিয়ে দিতে পারে !
- Published by:Dolon Chattopadhyay
- news18 bangla
Last Updated:
Stock Market Tips and Tricks: নতুন বিনিয়োগকারীরা প্রায়ই টিপস অনুসরণ করে, পড়তে থাকা শেয়ার কিনে বা দ্রুত ওঠা শেয়ারের পেছনে দৌড়ে টাকা হারান। স্টক মার্কেটে ৮টি ফাঁদ এবং বুদ্ধিমানের মতো বিনিয়োগ করার টিপস জানুন।
শেয়ার বাজারে প্রবেশ করেই সবাই চায় তাদের পোর্টফোলিও সবুজে ভরে উঠুক। কিন্তু বাস্তবতা হল, ৯০ শতাংশ নতুন বিনিয়োগকারী প্রথম ৬ মাসের মধ্যেই তাদের মূলধনের বড় অংশ হারিয়ে ফেলেন। এর কারণ বাজারের ওঠানামা নয়, বরং সেই মানসিক ও প্রযুক্তিগত ভুলগুলো, যা উত্তেজনার বশে করা হয়।স্টক মার্কেট কোনও লটারির মতো নয়, বরং এটি একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ ব্যবসা—যেখানে একটি ছোট ভুলও কম্পাউন্ডিং-এর জাদুকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
advertisement
১. অন্যের কাঁধে বন্দুক রাখা: নিজের গবেষণা না করে অজানা গ্রুপ বা আত্মীয়দের ‘হট টিপস’-এর ওপর ভরসা করা সবচেয়ে মারাত্মক ভুল। যতক্ষণে সেই খবর আপনার কাছে পৌঁছায়, ততক্ষণে বড় খেলোয়াড়রা তাদের শেয়ার বিক্রি করে বেরিয়ে যায়।কোনও শেয়ারে বিনিয়োগ করার আগে কোম্পানির ব্যবসায়িক মডেল এবং লাভের দিকটি নিজে যাচাই করুন এবং অযাচিত পরামর্শ থেকে দূরে থাকুন।
advertisement
২. পেনি স্টকের ‘হানি ট্র্যাপ’: নতুন বিনিয়োগকারীরা ভাবেন, ২ টাকার শেয়ার ৪ টাকায় গেলেই টাকা দ্বিগুণ হবে। কিন্তু তারা ভুলে যান, অনেক সময় খারাপ কোম্পানির শেয়ার শূন্যের দিকেই যায়। কম দাম মানেই সবসময় ভাল ভ্যালু নয়।শুধু শেয়ারের দাম দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন না। বরং ভাল সুনামসম্পন্ন এবং ফান্ডামেন্টালি শক্তিশালী লার্জ ক্যাপ বা মিড ক্যাপ কোম্পানিতে বিনিয়োগের ওপর ভরসা রাখুন।
advertisement
৩. পড়তে থাকা ছুরি ধরার চেষ্টা: কোনও শেয়ারের দাম ক্রমাগত পড়তে থাকলে নতুন বিনিয়োগকারীরা সেটিকে আরও সস্তা মনে করে বারবার কিনতে থাকেন। এটিকে এভারেজিং নয়, বরং ডুবতে থাকা জাহাজে আরও ওজন বাড়ানো বলা যায়।পড়তে থাকা খারাপ শেয়ারে আরও টাকা ঢালার বদলে শক্তিশালী ব্যবসা ও ভাল ভিত্তি রয়েছে এমন শেয়ারে বিনিয়োগ বাড়ানোই বুদ্ধিমানের কাজ।
advertisement
৪. ইগো দিয়ে ট্রেডিং: ক্ষতি মেনে নেওয়াও একটি দক্ষতা। নতুন বিনিয়োগকারীরা ভাবেন দাম আবার বাড়বে, ফলে ছোট ক্ষতিকে বড় ক্ষতিতে পরিণত করেন। স্টপ-লস ছাড়া ট্রেড করা মানে ব্রেক ছাড়া গাড়ি চালানোর মতো।ট্রেড নেওয়ার আগেই কতটা ক্ষতি মেনে নেবেন তা নির্ধারণ করুন এবং শেয়ারের দাম সেই স্তরে পৌঁছালে কোনও আবেগ ছাড়াই বেরিয়ে আসুন।
advertisement
৫. পোর্টফোলিওতে বৈচিত্র্যের অভাব: একটাই সেক্টর বা একটাই শেয়ারে পুরো টাকা বিনিয়োগ করা ঝুঁকিকে বহু গুণ বাড়িয়ে দেয়। যদি সেই সেক্টরে কোনও খারাপ খবর আসে, তাহলে একদিনেই পুরো পোর্টফোলিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।আপনার বিনিয়োগকে বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করে রাখুন—যেমন আইটি, ফার্মা এবং ব্যাঙ্কিং—যাতে ঝুঁকি কমানো যায়।
advertisement
৬. বাজারের সঙ্গে প্রতিশোধ নেওয়ার মানসিকতা: একবার ক্ষতি হলে সেই একই দিনে তা পুষিয়ে নেওয়ার জন্য বড় বড় ট্রেড নেওয়াকে ‘রিভেঞ্জ ট্রেডিং’ বলা হয়। রাগ ও হতাশা সবসময় ভুল সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে, যার ফলে ক্ষতি এবং ব্রোকারেজ—দুটোই বেড়ে যায়।যদি একবার বড় ক্ষতি হয়ে যায়, তাহলে সেদিনের জন্য ট্রেডিং বন্ধ রাখুন এবং ঠান্ডা মাথায় নিজের ভুলগুলো বিশ্লেষণ করুন।
advertisement
advertisement







