advertisement

Maha Shivratri 2026: বক্রেশ্বরে শিবরাত্রির মহাপ্রস্তুতি, সারারাত খোলা থাকবে গর্ভগৃহ, জেনে নিন পুজোর সঠিক নির্ঘণ্ট

Last Updated:
Maha Shivratri 2026: বক্রেশ্বর ধামে সাজ সাজ রব! ১৫ই ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে মহাশিবরাত্রির পুণ্য তিথি ও ঐতিহ্যবাহী মেলা। লক্ষাধিক ভক্তের ভিড় সামলাতে সারারাত মন্দির খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
1/5
বীরভূমের অন্যতম তীর্থক্ষেত্র বক্রেশ্বর ধামে শিবরাত্রিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোরদার প্রস্তুতি। লক্ষাধিক মানুষের সমাগম সামলাতে মন্দির কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসন একযোগে কাজ করছে। এবারের মহাশিবরাত্রির নির্ঘণ্ট অনুযায়ী, আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারি (২রা ফাল্গুন), রবিবার বিকেল ৪টে ৪৮ মিনিটে শিব চতুর্দশী তিথি শুরু হচ্ছে। এই পুণ্য তিথি বজায় থাকবে পরবর্তী দিন অর্থাৎ ১৬ই ফেব্রুয়ারি (৩রা ফাল্গুন), সোমবার বিকেল ৪ টে ৪৭ মিনিট পর্যন্ত। তিথি চলাকালীন বক্রেশ্বর শিবক্ষেত্রে ভক্তদের ঢল নামবে বলে আশা করা হচ্ছে। (ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই)
বীরভূমের অন্যতম তীর্থক্ষেত্র বক্রেশ্বর ধামে শিবরাত্রিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোরদার প্রস্তুতি। লক্ষাধিক মানুষের সমাগম সামলাতে মন্দির কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসন একযোগে কাজ করছে। এবারের মহাশিবরাত্রির নির্ঘণ্ট অনুযায়ী, আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারি (২রা ফাল্গুন), রবিবার বিকেল ৪টে ৪৮ মিনিটে শিব চতুর্দশী তিথি শুরু হচ্ছে। এই পুণ্য তিথি বজায় থাকবে পরবর্তী দিন অর্থাৎ ১৬ই ফেব্রুয়ারি (৩রা ফাল্গুন), সোমবার বিকেল ৪ টে ৪৭ মিনিট পর্যন্ত। তিথি চলাকালীন বক্রেশ্বর শিবক্ষেত্রে ভক্তদের ঢল নামবে বলে আশা করা হচ্ছে। (ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই)
advertisement
2/5
শিবরাত্রি উপলক্ষে বক্রেশ্বরে আয়োজিত মেলাটি অত্যন্ত প্রাচীন। বর্তমানে এই মেলার মূল দায়িত্বে রয়েছে বীরভূম জেলা পরিষদ। মেলা কমিটির সদস্য দেবনাথ মুখার্জী জানিয়েছেন, সরকারিভাবে মেলাটি পাঁচ দিন চলার কথা থাকলেও ভক্তদের ভিড় ও চাহিদার কথা মাথায় রেখে তা ৬-৭ দিন পর্যন্ত চালানো হতে পারে। মেলাকে আকর্ষণীয় করতে পাঁচ দিনব্যাপী বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
শিবরাত্রি উপলক্ষে বক্রেশ্বরে আয়োজিত মেলাটি অত্যন্ত প্রাচীন। বর্তমানে এই মেলার মূল দায়িত্বে রয়েছে বীরভূম জেলা পরিষদ। মেলা কমিটির সদস্য দেবনাথ মুখার্জী জানিয়েছেন, সরকারিভাবে মেলাটি পাঁচ দিন চলার কথা থাকলেও ভক্তদের ভিড় ও চাহিদার কথা মাথায় রেখে তা ৬-৭ দিন পর্যন্ত চালানো হতে পারে। মেলাকে আকর্ষণীয় করতে পাঁচ দিনব্যাপী বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
advertisement
3/5
মেলা ও পুজোর দিনগুলিতে তীর্থযাত্রীদের সুবিধার্থে মন্দির কমিটি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেমন, শিবরাত্রির দিন সারারাত মন্দির খোলা থাকবে যাতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষ সুশৃঙ্খলভাবে পুজো দিতে পারেন। উৎসবের দিন মহাদেবের 'পরমান্ন ভোগ' বন্ধ থাকে, তার বদলে নিবেদন করা হয় 'কাঁচা সন্দেশ'। পানীয় জল এবং পর্যাপ্ত আলোর সুব্যবস্থা করা হচ্ছে যাতে ভক্তদের কোন অসুবিধা না হয়।
মেলা ও পুজোর দিনগুলিতে তীর্থযাত্রীদের সুবিধার্থে মন্দির কমিটি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেমন, শিবরাত্রির দিন সারারাত মন্দির খোলা থাকবে যাতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষ সুশৃঙ্খলভাবে পুজো দিতে পারেন। উৎসবের দিন মহাদেবের 'পরমান্ন ভোগ' বন্ধ থাকে, তার বদলে নিবেদন করা হয় 'কাঁচা সন্দেশ'। পানীয় জল এবং পর্যাপ্ত আলোর সুব্যবস্থা করা হচ্ছে যাতে ভক্তদের কোন অসুবিধা না হয়।
advertisement
4/5
লক্ষাধিক পুণ্যার্থীর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বীরভূম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মন্দির সেবাইত উন্নয়ন কমিটির ১৫ জনের একটি বিশেষ দল পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবে। গর্ভগৃহ থেকে দ্রুত পুজো দিয়ে বের হওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে যাতে ভিড় এক জায়গায় দীর্ঘক্ষণ আটকে না থাকে।
লক্ষাধিক পুণ্যার্থীর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বীরভূম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মন্দির সেবাইত উন্নয়ন কমিটির ১৫ জনের একটি বিশেষ দল পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবে। গর্ভগৃহ থেকে দ্রুত পুজো দিয়ে বের হওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে যাতে ভিড় এক জায়গায় দীর্ঘক্ষণ আটকে না থাকে।
advertisement
5/5
বক্রেশ্বরের এই উৎসব কেবল বীরভূমের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দু'ই বর্ধমানসহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত এমনকি বিদেশ থেকেও বহু পর্যটক এই সময় বক্রেশ্বরে আসেন। সব মিলিয়ে আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারি থেকে বক্রেশ্বর ধাম এক মিলন মেলার রূপ নিতে চলেছে। (ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই)
বক্রেশ্বরের এই উৎসব কেবল বীরভূমের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দু'ই বর্ধমানসহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত এমনকি বিদেশ থেকেও বহু পর্যটক এই সময় বক্রেশ্বরে আসেন। সব মিলিয়ে আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারি থেকে বক্রেশ্বর ধাম এক মিলন মেলার রূপ নিতে চলেছে। (ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই)
advertisement
advertisement
advertisement