Astrology: আর ৬ দিনের অপেক্ষা...! বছরের শুরুতেই গ্রহের বিরাট পরিবর্তন, সিংহ রাশির জাতকরা সাবধান! রক্তক্ষয়, দুর্ঘটনার আশঙ্কা, জীবন উথাল-পাথাল

Last Updated:
Astrology: তবে শনির প্রতিকার, সংযম ও নিয়মিত আধ্যাত্মিক অভ্যাস মেনে চললে এই কঠিন সময় অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।
1/6
বছরের শুরুতেই জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী বড়সড় গ্রহগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। বাঁকুড়া জ্যোতিষী গ্রামের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ১২ই জানুয়ারির পর থেকে সিংহ রাশির জাতক-জাতিকাদের জীবনে শুরু হতে চলেছে এক সংবেদনশীল অধ্যায়। শনি অষ্টম স্থানে প্রবেশ করায় জীবনে হঠাৎ পরিবর্তনের যোগ তৈরি হচ্ছে—যা একদিকে উন্নতির রাস্তা খুলে দিলেও, অন্যদিকে তৈরি করছে শারীরিক ও মানসিক চাপের পরিস্থিতি।
বছরের শুরুতেই জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী বড়সড় গ্রহগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। বাঁকুড়া জ্যোতিষী গ্রামের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ১২ জানুয়ারির পর থেকে সিংহ রাশির জাতক-জাতিকাদের জীবনে শুরু হতে চলেছে এক সংবেদনশীল অধ্যায়। শনি অষ্টম স্থানে প্রবেশ করায় জীবনে হঠাৎ পরিবর্তনের যোগ তৈরি হচ্ছে—যা একদিকে উন্নতির রাস্তা খুলে দিলেও, অন্যদিকে তৈরি করছে শারীরিক ও মানসিক চাপের পরিস্থিতি।
advertisement
2/6
এই সময়ে সিংহ রাশির জাতকদের কর্মজীবনে দায়িত্ব ও চাপ দুটোই বাড়তে পারে। পদোন্নতি, সম্মান কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কাজের সুযোগ এলেও তার সঙ্গে বাড়বে কাজের বোঝা। অতিরিক্ত দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকছে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘ সময় কাজ করেন বা মানসিক চাপে থাকেন, তাঁদের ক্ষেত্রে সতর্ক না হলে সমস্যার আশঙ্কা বাড়বে।
এই সময়ে সিংহ রাশির জাতকদের কর্মজীবনে দায়িত্ব ও চাপ দুটোই বাড়তে পারে। পদোন্নতি, সম্মান কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কাজের সুযোগ এলেও তার সঙ্গে বাড়বে কাজের বোঝা। অতিরিক্ত দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকছে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘ সময় কাজ করেন বা মানসিক চাপে থাকেন, তাঁদের ক্ষেত্রে সতর্ক না হলে সমস্যার আশঙ্কা বাড়বে।
advertisement
3/6
মার্চ ও এপ্রিল মাসকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই সময়ে রক্তক্ষয়, আঘাত, অপারেশন কিংবা হঠাৎ শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। ঝুঁকিপূর্ণ পেশার সঙ্গে যুক্তদের জন্য এই সময় আরও বেশি সাবধানতার। বিশেষ করে ইলেকট্রিশিয়ান ও বৈদ্যুতিক কাজের সঙ্গে যুক্ত সিংহ রাশির জাতকদের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সংক্রান্ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
মার্চ ও এপ্রিল মাসকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই সময়ে রক্তক্ষয়, আঘাত, অপারেশন কিংবা হঠাৎ শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। ঝুঁকিপূর্ণ পেশার সঙ্গে যুক্তদের জন্য এই সময় আরও বেশি সাবধানতার। বিশেষ করে ইলেকট্রিশিয়ান ও বৈদ্যুতিক কাজের সঙ্গে যুক্ত সিংহ রাশির জাতকদের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সংক্রান্ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
advertisement
4/6
অন্যদিকে মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্যও সময়টা খুব একটা স্বস্তির নয়। কর্মক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিরোধ, ভুল বোঝাবুঝি ও অপ্রয়োজনীয় বিবাদের যোগ তৈরি হচ্ছে। আর্থিক দিক থেকেও অযথা খরচ চাপ বাড়াতে পারে। শারীরিকভাবে মানসিক চাপ, অনিদ্রা ও হজমজনিত সমস্যার ইঙ্গিত মিলছে, যা অবহেলা করলে বড় আকার নিতে পারে।
অন্যদিকে মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্যও সময়টা খুব একটা স্বস্তির নয়। কর্মক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিরোধ, ভুল বোঝাবুঝি ও অপ্রয়োজনীয় বিবাদের যোগ তৈরি হচ্ছে। আর্থিক দিক থেকেও অযথা খরচ চাপ বাড়াতে পারে। শারীরিকভাবে মানসিক চাপ, অনিদ্রা ও হজমজনিত সমস্যার ইঙ্গিত মিলছে, যা অবহেলা করলে বড় আকার নিতে পারে।
advertisement
5/6
এই কঠিন সময়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে শনির প্রতিকার। এই প্রসঙ্গে বাঁকুড়া জ্যোতিষী গ্রামের জ্যোতিষী চট্টোপাধ্যায় জানান, “শনির প্রতিকার করলেই অনেকটাই উপকার পাওয়া যায়। নিয়মিত অশ্বত্থ গাছে জল দেওয়া, তিলের তেলের প্রদীপ অশ্বত্থ গাছের তলায় জ্বালানো, নিরামিষ আহার করা এবং প্রতিদিন সন্ধ্যেবেলায় হনুমান চালিশা পাঠ করা অত্যন্ত ফলদায়ক।”তাঁর মতে, এই নিয়মগুলি মেনে চললে শনির অশুভ প্রভাব অনেকটাই হ্রাস পায়। ছবি ও তথ্য নীলাঞ্জন বন্দোপাধ্যায়
এই কঠিন সময়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে শনির প্রতিকার। এই প্রসঙ্গে বাঁকুড়া জ্যোতিষী গ্রামের জ্যোতিষী চট্টোপাধ্যায় জানান, 'শনির প্রতিকার করলেই অনেকটাই উপকার পাওয়া যায়। নিয়মিত অশ্বত্থ গাছে জল দেওয়া, তিলের তেলের প্রদীপ অশ্বত্থ গাছের তলায় জ্বালানো, নিরামিষ আহার করা এবং প্রতিদিন সন্ধ্যেবেলায় হনুমান চালিশা পাঠ করা অত্যন্ত ফলদায়ক।' তাঁর মতে, এই নিয়মগুলি মেনে চললে শনির অশুভ প্রভাব অনেকটাই হ্রাস পায়।
advertisement
6/6
সব মিলিয়ে বলা যায়, এই সময়টা ভয়ের নয়, বরং সচেতন থাকার। গ্রহের প্রভাব যতই কঠিন হোক না কেন, ভক্তি, সংযম ও নিয়মিত প্রতিকার মেনে চললে বিপদ অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। তাড়াহুড়ো, অহংকার ও অবহেলা এড়িয়ে চলাই হবে এই সময়ে সবচেয়ে বড় সুরক্ষা কবচ।
সব মিলিয়ে বলা যায়, এই সময়টা ভয়ের নয়, বরং সচেতন থাকার। গ্রহের প্রভাব যতই কঠিন হোক না কেন, ভক্তি, সংযম ও নিয়মিত প্রতিকার মেনে চললে বিপদ অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। তাড়াহুড়ো, অহংকার ও অবহেলা এড়িয়ে চলাই হবে এই সময়ে সবচেয়ে বড় সুরক্ষা কবচ।
advertisement
advertisement
advertisement