Chaitra Purnima 2026: চৈত্র পূর্ণিমার বিশেষ রাত...! গোপনে করুন 'এই' ৩ কাজ, মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদে ধন-সম্পদের ফোয়ারা, জীবনভর সুখ-সমৃদ্ধি লাভ
- Published by:Riya Das
- news18 bangla
Last Updated:
Chaitra Purnima 2026: চৈত্র পূর্ণিমা তিথি ১লা এপ্রিল সকাল ৭:০৬ মিনিটে শুরু হয়ে ২রা এপ্রিল সকাল ৭:৪১ মিনিট পর্যন্ত চলবে। এর মানে হল, এর প্রভাব দুই দিনই থাকবে। জ্যোতিষীদের মতে, এই সময়ে চাঁদ তুলা এবং বৃশ্চিক রাশির মধ্যে একটি বিশেষ অবস্থানে থাকবে, যা ধনসম্পদ এবং সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলে।
advertisement
advertisement
চৈত্র পূর্ণিমাকে চন্দ্রশক্তির সর্বোচ্চ পর্যায় বলে মনে করা হয়। চাঁদ মন, আবেগ এবং অর্থের প্রবাহকে প্রভাবিত করে। এই সময়ে গ্রহের অবস্থান এমন থাকে যে আর্থিক বিষয়ে উন্নতির সুযোগ আসতে পারে, বিশেষ করে যদি কোনও ব্যক্তি কিছু সহজ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। জ্যোতিষীদের মতে, পূর্ণিমার দিনে চাঁদের আলোতে ইতিবাচক শক্তি সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে। এই কারণেই এই দিনে গৃহীত পদক্ষেপগুলি দ্রুত ফল দেয়।
advertisement
চৈত্র পূর্ণিমার সন্ধ্যায় রান্নাঘরে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালানোকে একটি ছোট কিন্তু কার্যকরী প্রতিকার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রান্নাঘরকে বাড়ির সবচেয়ে পবিত্র স্থান বলে মনে করা হয়, যেখানে দেবী অন্নপূর্ণা বাস করেন। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, যখন চন্দ্র শক্তিশালী থাকে এবং রান্নাঘরে প্রদীপ জ্বালানো হয়, তখন বাড়িতে খাদ্য ও সম্পদের সঙ্গে সম্পর্কিত শক্তি ভারসাম্যপূর্ণ হয়। অনেকে বলেন যে এই প্রতিকারটি নিয়মিত পালন করলে বাড়িতে কখনও খাদ্য বা অর্থের অভাব হয় না।
advertisement
প্রধান দরজায় প্রদীপ জ্বালানো লক্ষ্মীর আগমনের সঙ্কেত এবং ইতিবাচক শক্তিকে স্বাগত জানানো। বাড়ির প্রধান প্রবেশদ্বারে প্রদীপ জ্বালানো কেবল একটি ঐতিহ্যই নয়, এটি শক্তি আকর্ষণেরও একটি উপায়। পূর্ণিমার রাতে, চাঁদের আলো এবং প্রদীপের শিখা একত্রিত হয়ে ইতিবাচক স্পন্দন তৈরি করে। জ্যোতিষশাস্ত্র বলে যে এই সময়ে প্রধান প্রবেশদ্বারে প্রদীপ জ্বালানো দেবী লক্ষ্মীর আগমনকে সহজতর করে। এছাড়াও, এটি বাড়িতে নেতিবাচক শক্তি প্রবেশে বাধা দেয়।
advertisement
advertisement
চৈত্র পূর্ণিমার রাতে দুধ বা জল দিয়ে চন্দ্রকে অর্ঘ্য নিবেদন করা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। এই প্রতিকারটি মানসিক শান্তির পাশাপাশি আর্থিক স্থিতিশীলতাও প্রদান করে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, চন্দ্রকে অর্ঘ্য নিবেদন করলে জন্মকুণ্ডলীতে চন্দ্র দোষ কমে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা উন্নত হয়। মন শান্ত থাকলে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়, এবং এটিই আর্থিক উন্নতির সূচনা।
advertisement
advertisement









