advertisement

Lunar Eclipse: গ্রহণের ছায়া দোলে! ২০২৬ সালের প্রথম চন্দ্রগ্রহণে ৪ রাশির প্রবল বিপদ! কী করবেন, কী এড়াবেন

Last Updated:
২০২৬ সালের হোলির দিনেই সংঘটিত হতে চলা খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ ভক্তদের মধ্যে যেমন কৌতূহল তৈরি করেছে, তেমনই কিছুটা উদ্বেগও বাড়িয়েছে। সূতক নিয়ম কীভাবে পালন করতে হবে, কোন কোন রাশির উপর সম্ভাব্য প্রভাব পড়তে পারে, আর জ্যোতিষীদের কী পরামর্শ—এসব বিষয় জানা অনেকের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি আধ্যাত্মিক দিকটিও মাথায় রেখে চলাই এবার মূল আলোচনার বিষয়। বিশ্বাস, ঐতিহ্য ও ব্যক্তিগত মত—সবকিছুর মধ্যে ভারসাম্য রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়াই হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।
1/5
রঙের উৎসব হোলি মানেই আনন্দ, উচ্ছ্বাস আর উৎসবের আবহ।কিন্তু ২০২৬ সালের হোলি হতে চলেছে এক বিশেষ ও বিরল জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনার সাক্ষী।

এই বছর ৩ মার্চ সারা দেশে যখন রঙের খেলায় মেতে উঠবে মানুষ, ঠিক সেই সময়ই বছরের প্রথম খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ সংঘটিত হতে চলেছে। একদিকে উৎসবের রঙিন আবহ, অন্যদিকে গ্রহণকে ঘিরে প্রচলিত আধ্যাত্মিক নিয়ম—এই দুইয়ের মধ্যে কীভাবে ভারসাম্য রাখা যায়, তা নিয়েই শুরু হয়েছে আলোচনা।

অনেকেই ভাবছেন, গ্রহণের সময় কি হোলির আনন্দে কোনও বিধিনিষেধ থাকবে? আবার কেউ কেউ জ্যোতিষ ও শাস্ত্রের নিয়ম মেনে চলার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন। ফলে ২০২৬-এর হোলি শুধুই রঙের উৎসব নয়, বরং এক বিশেষ খগোলীয় মুহূর্তের সঙ্গেও জড়িয়ে থাকছে।
রঙের উৎসব হোলি মানেই আনন্দ, উচ্ছ্বাস আর উৎসবের আবহ। কিন্তু ২০২৬ সালের হোলি হতে চলেছে এক বিশেষ ও বিরল জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনার সাক্ষী। এই বছর ৩ মার্চ সারা দেশে যখন রঙের খেলায় মেতে উঠবে মানুষ, ঠিক সেই সময়ই বছরের প্রথম খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ সংঘটিত হতে চলেছে। একদিকে উৎসবের রঙিন আবহ, অন্যদিকে গ্রহণকে ঘিরে প্রচলিত আধ্যাত্মিক নিয়ম—এই দুইয়ের মধ্যে কীভাবে ভারসাম্য রাখা যায়, তা নিয়েই শুরু হয়েছে আলোচনা। অনেকেই ভাবছেন, গ্রহণের সময় কি হোলির আনন্দে কোনও বিধিনিষেধ থাকবে? আবার কেউ কেউ জ্যোতিষ ও শাস্ত্রের নিয়ম মেনে চলার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন। ফলে ২০২৬-এর হোলি শুধুই রঙের উৎসব নয়, বরং এক বিশেষ খগোলীয় মুহূর্তের সঙ্গেও জড়িয়ে থাকছে।
advertisement
2/5
 ভূগোলবিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, এই চন্দ্রগ্রহণ ৩ মার্চ সন্ধ্যা ৫টা ৫৯ মিনিটে শুরু হয়ে ৬টা ৪৭ মিনিটে শেষ হবে। মোট গ্রহণকাল মাত্র ৪৮ মিনিট হলেও, এটি ভারতে দৃশ্যমান হওয়ায় এর প্রভাব ও ‘সূতক’ সংক্রান্ত নিয়ম পুরোপুরি প্রযোজ্য হবে বলে পণ্ডিতদের মত। ভারতের পাশাপাশি পূর্ব এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, রাশিয়া এবং পাকিস্তানেও এই গ্রহণ দেখা যাবে। ফলে আন্তর্জাতিক স্তরেও এটি একটি উল্লেখযোগ্য খগোলীয় ঘটনা হিসেবে ধরা হচ্ছে। তবে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটি একটি স্বাভাবিক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া—পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়ার ফলেই এই খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ ঘটে।
ভূগোলবিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, এই চন্দ্রগ্রহণ ৩ মার্চ সন্ধ্যা ৫টা ৫৯ মিনিটে শুরু হয়ে ৬টা ৪৭ মিনিটে শেষ হবে। মোট গ্রহণকাল মাত্র ৪৮ মিনিট হলেও, এটি ভারতে দৃশ্যমান হওয়ায় এর প্রভাব ও ‘সূতক’ সংক্রান্ত নিয়ম পুরোপুরি প্রযোজ্য হবে বলে পণ্ডিতদের মত। ভারতের পাশাপাশি পূর্ব এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, রাশিয়া এবং পাকিস্তানেও এই গ্রহণ দেখা যাবে। ফলে আন্তর্জাতিক স্তরেও এটি একটি উল্লেখযোগ্য খগোলীয় ঘটনা হিসেবে ধরা হচ্ছে। তবে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটি একটি স্বাভাবিক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া—পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়ার ফলেই এই খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ ঘটে।
advertisement
3/5
 শাস্ত্রীয় নিয়ম অনুযায়ী, চন্দ্রগ্রহণের প্রায় ৯ ঘণ্টা আগে থেকেই ‘সূতক’ কাল শুরু হয়। যেহেতু গ্রহণটি সন্ধ্যায় ঘটছে, তাই সকাল প্রায় ৯টা থেকেই সূতক কার্যকর হবে। এর ফলে ভিলওয়াড়ার প্রধান মন্দিরসহ দেশের অধিকাংশ মন্দির সকাল ৯টার মধ্যেই বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। সূতক কালে মূর্তি স্পর্শ করা, পূজা-অর্চনা করা এবং ভোজন করা নিষিদ্ধ বলে মানা হয়। গ্রহণ শেষ হওয়ার পর মন্দিরগুলো শুদ্ধিকরণ ও সম্প্রোক্ষণ (পবিত্রীকরণ) সম্পন্ন করে সন্ধ্যায় পুনরায় আরতির দর্শনের অনুমতি দেওয়া হবে। তবে অনেকেই এখন প্রশ্ন তুলছেন—উৎসবের দিন এমন নিয়ম কীভাবে মানা হবে? ঐতিহ্য আর আনন্দের মধ্যে ভারসাম্য রাখাই এবার বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
শাস্ত্রীয় নিয়ম অনুযায়ী, চন্দ্রগ্রহণের প্রায় ৯ ঘণ্টা আগে থেকেই ‘সূতক’ কাল শুরু হয়। যেহেতু গ্রহণটি সন্ধ্যায় ঘটছে, তাই সকাল প্রায় ৯টা থেকেই সূতক কার্যকর হবে। এর ফলে ভিলওয়াড়ার প্রধান মন্দিরসহ দেশের অধিকাংশ মন্দির সকাল ৯টার মধ্যেই বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। সূতক কালে মূর্তি স্পর্শ করা, পূজা-অর্চনা করা এবং ভোজন করা নিষিদ্ধ বলে মানা হয়। গ্রহণ শেষ হওয়ার পর মন্দিরগুলো শুদ্ধিকরণ ও সম্প্রোক্ষণ (পবিত্রীকরণ) সম্পন্ন করে সন্ধ্যায় পুনরায় আরতির দর্শনের অনুমতি দেওয়া হবে। তবে অনেকেই এখন প্রশ্ন তুলছেন—উৎসবের দিন এমন নিয়ম কীভাবে মানা হবে? ঐতিহ্য আর আনন্দের মধ্যে ভারসাম্য রাখাই এবার বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
advertisement
4/5
 ভিলওয়াড়ার প্রখ্যাত জ্যোতিষাচার্য পণ্ডিত কমলেশ ব্যাসের বক্তব্য অনুযায়ী, এই চন্দ্রগ্রহণ কয়েকটি রাশির উপর তুলনামূলকভাবে প্রতিকূল প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে মেষ, কর্কট, তুলা ও মকর রাশির জাতকদের জন্য সময়টা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। এই সময় মানসিক চাপ বা অস্থিরতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। তাই গ্রহণকালে ‘মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র’ জপ করা শ্রেয় বলে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে মানসিক শক্তি ও ইতিবাচকতা বৃদ্ধি পায় বলে বিশ্বাস করা হয়। এছাড়াও গর্ভবতী মহিলাদের গ্রহণের সময় বাইরে না বেরিয়ে বাড়ির মধ্যেই অবস্থান করে ঈশ্বরচিন্তায় মনোনিবেশ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে মনে রাখা জরুরি, এগুলি মূলত ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাসের অংশ। বৈজ্ঞানিকভাবে চন্দ্রগ্রহণ একটি স্বাভাবিক খগোলীয় প্রক্রিয়া, যা সরাসরি ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব ফেলে—এমন প্রমাণ নেই। তাই বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত মত অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়াই সবচেয়ে ভালো।
ভিলওয়াড়ার প্রখ্যাত জ্যোতিষাচার্য পণ্ডিত কমলেশ ব্যাসের বক্তব্য অনুযায়ী, এই চন্দ্রগ্রহণ কয়েকটি রাশির উপর তুলনামূলকভাবে প্রতিকূল প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে মেষ, কর্কট, তুলা ও মকর রাশির জাতকদের জন্য সময়টা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। এই সময় মানসিক চাপ বা অস্থিরতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। তাই গ্রহণকালে ‘মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র’ জপ করা শ্রেয় বলে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে মানসিক শক্তি ও ইতিবাচকতা বৃদ্ধি পায় বলে বিশ্বাস করা হয়। এছাড়াও গর্ভবতী মহিলাদের গ্রহণের সময় বাইরে না বেরিয়ে বাড়ির মধ্যেই অবস্থান করে ঈশ্বরচিন্তায় মনোনিবেশ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে মনে রাখা জরুরি, এগুলি মূলত ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাসের অংশ। বৈজ্ঞানিকভাবে চন্দ্রগ্রহণ একটি স্বাভাবিক খগোলীয় প্রক্রিয়া, যা সরাসরি ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব ফেলে—এমন প্রমাণ নেই। তাই বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত মত অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়াই সবচেয়ে ভালো।
advertisement
5/5
 হোলির দিনেই গ্রহণ পড়ায় বিশেষজ্ঞরা রঙের উৎসবে কিছু সচেতন পরিবর্তনের পরামর্শ দিচ্ছেন। সকালে রঙের খেলায় অংশ নিলেও, সূতক ও গ্রহণ সময়ে আধ্যাত্মিকতার দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই সময়ে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক এড়িয়ে শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব উদযাপনের অনুরোধ করেছে প্রশাসন ও বিভিন্ন মন্দির কমিটি। ভক্তি ও উচ্ছ্বাসের মেলবন্ধনে এবারের হোলি যেন সবার জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন ও নতুন আশার বার্তা নিয়ে আসে—এই কামনাই করা হচ্ছে।
হোলির দিনেই গ্রহণ পড়ায় বিশেষজ্ঞরা রঙের উৎসবে কিছু সচেতন পরিবর্তনের পরামর্শ দিচ্ছেন। সকালে রঙের খেলায় অংশ নিলেও, সূতক ও গ্রহণ সময়ে আধ্যাত্মিকতার দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই সময়ে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক এড়িয়ে শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব উদযাপনের অনুরোধ করেছে প্রশাসন ও বিভিন্ন মন্দির কমিটি। ভক্তি ও উচ্ছ্বাসের মেলবন্ধনে এবারের হোলি যেন সবার জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন ও নতুন আশার বার্তা নিয়ে আসে—এই কামনাই করা হচ্ছে।
advertisement
advertisement
advertisement