Home /News /west-midnapore /
Paschim Medinipur: আম্মা জনসেবা সোসাইটি'র উদ্যোগে চালু নিত্য পাঠশালা

Paschim Medinipur: আম্মা জনসেবা সোসাইটি'র উদ্যোগে চালু নিত্য পাঠশালা

পাঠশালায়

পাঠশালায় পড়ুয়ারা

পশ্চিম মেদিনীপুরের গুড়গুড়িপাল থানার অন্তর্ভূক্ত বেলিয়া গ্রামে এলাকার পিছিয়ে পড়া আদিবাসী ও সংখ্যালঘু স্কুলছুট পড়ুয়াদের নিয়ে চালু করা হল বিনামূল্যে নিত্যদিনের পাঠশালা।

  • Share this:

    পশ্চিম মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুরের গুড়গুড়িপাল থানার অন্তর্ভূক্ত বেলিয়া গ্রামে এলাকার পিছিয়ে পড়া আদিবাসী ও সংখ্যালঘু স্কুলছুট পড়ুয়াদের নিয়ে চালু করা হল বিনামূল্যে নিত্যদিনের পাঠশালা। উক্ত গ্রামের অধিবাসী ফারুক আলীর পাঠদান এবং আম্মা জনসেবা পরিষদীয় ওয়েলফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে ৪০টি শিশুকে নিয়ে শুরু হল এই নিত্যদিনের পাঠশালা 'অঙ্কুর'। উদ্বোধন করেছেন ক্ষীরপাই পৌরসভায় কর্মরত অফিসার এবং বিশিষ্ট সমাজসেবী প্রতাপ বিশ্বাস। মূলত সমাজের পিছিয়ে পড়া লোধা, আদিবাসী এবং সংখ্যালঘু শিশুদের উদ্দেশ্যে এই পাঠশালা চালু করা। সোসাইটির সদস্য হিসেবে সুমি বিশ্রাম, অরিন্দম মুখার্জি এবং সালমা সুলতানার সহযোগিতা রয়েছে এই পাঠশালা চালুর পেছনে। মেদিনীপুর সদর ব্লকের গুড়গুড়িপাল থানার অন্তর্গত বেলিয়া গ্রামের ছোট ছোট শিশুদের কন্ঠে রবীন্দ্র সংগীত- আগুনের পরশমনি ও ফুলে ফুলে ঢোলে ঢোলে-নৃত্য এবং কবিতা, আবৃত্তির মাধ্যমে পাঠশালার সুচনা হয়। একটা সময় ছিল যখন ছোট ছোট শিশুদের শিক্ষার হাতে খড়ি হতো গ্রামের পাঠশালা থেকে। বর্তমানে সেই পাঠশালার চল প্রায় নেই বললেই চলে। কিন্ডার গার্ডেন আর মিডল স্কুলের ভিড়ে কোথায় যেন হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রামের শিক্ষার ঐতিহ্য, কিন্তু এখনও এমন অনেক প্রত্যন্ত গ্রামই আছে যেখানে শিক্ষার আলো পৌঁছয়না। এমনকি ছোট ছোট শিশুদের নূন্যতম শিক্ষা গ্রহণ করতে গেলেও যেতে হয় অনেকটা পথ। এরমধ্যে আগুনে ঘি-এর মতো কাজ করেছে করোনা আবহ, যার ফলে স্কুলছুট হয়ে পড়ে বহু শিক্ষার্থী। এই নিত্যদিনের পাঠশালার অন্যতম শিক্ষক ফারুক আলী জানান \"আমরা চেষ্টা করবো এই পিছিয়ে পড়া শিশুদের মধ্যে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে তোলার, যাতে করোনার জন্য এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে বিদ্যালয় যাওয়ার প্রতি অনীহা তৈরি হয়েছে তা ধীরে ধীরে নির্মূল করা যায়\"। সোসাইটির অন্যতম সদস্য সুমি বিশ্রাম জানান -\"আমাদের মূল উদ্দেশ্য সমাজের পিছিয়ে পড়া লোধা, শবর, আদিবাসী এবং সংখ্যালঘু শিশু যারা এই করোনার জন্য স্কুলছুট হয়ে পড়েছে তাদেরকে আবার শিক্ষার সাথে যুক্ত করার। করোনা মহামারীর ফলে যে হারে সর্ববৃহৎ স্তরে শিক্ষার মেরুদণ্ড ভেঙে পড়েছে তাকে পুনরায় গড়ে তোলার জন্যই আমাদের এই পঠন-পাঠন পাঠশালার প্রয়াস। পাঠশালা নিয়ে গ্রামের শিশুদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। সোসাইটির বাকি সদস্যদেরও একই প্রয়াস, এইভাবে ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর মধ্যে শিক্ষার আলোর বিকাশ ঘটানো। Partha Mukherjee

    First published:

    Tags: Paschim medinipur

    পরবর্তী খবর