advertisement

Bhim Puja: ৩৫০ বছরের ঐতিহ্যে ভীমের আরাধনা! নন্দকুমারের জাগ্রত ভীমপুজো ঘিরে রয়েছে একাধিক কাহিনী, প্রতি বছর ছুটে আসেন লক্ষ লক্ষ ভক্ত

Last Updated:

Bhim Puja: নিঃসন্তান দম্পতিরা সন্তানের মঙ্গলকামনায় ভীম ঠাকুরের কাছে মানত করেন। তাঁদের মনস্কামনা পূর্ণ হলে ভীম ঠাকুরের ব্রত রেখে পুজো দেন।

+
ভীমপুজো

ভীমপুজো

নন্দকুমার, সৈকত শীঃ রাঢ় বাংলায় অন্যান্য পুজোর পাশাপাশি ভীমপুজোর প্রচলন রয়েছে। লোক দেবতা হিসেবে বছরের পর বছর ধরে এই পুজো হয়ে আসছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দকুমার ব্লকের তাড়াগেড়িয়া গ্রামে কয়েক শতাব্দী প্রাচীন ভীমপুজো হয়। এই পুজোয় গ্রাম বাংলার বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ এসে পুজো দেন। বর্তমানে নন্দকুমারে চলছে ৩৫০ বছরেরও বেশি প্রাচীন ভীমপুজো ও মেলা, উপচে পড়েছে ভিড়।
জানা যায়, এই গ্রামে অন্য কোনও পুজোর চল ছিল না। গ্রামের মানুষ প্রথম ভীমপুজো বা বীরের পুজো শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে সেই পুজো তা গ্রামের একমাত্র পুজো হিসেবে হয়ে আসছে। তিথি ও পঞ্জিকা অনুসারে, ২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার তাড়াগেড়িয়া গ্রামের পুজোর ঘট স্থাপন হয়। নিঃসন্তান দম্পতিরা সন্তানের মঙ্গলকামনায় ভীম ঠাকুরের কাছে মানত করেন। তাঁদের মনস্কামনা পূর্ণ হলে ভীম ঠাকুরের ব্রত রেখে পুজো দেন।
advertisement
আরও পড়ুনঃ বাংলার বাড়ি প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে পূর্ব মেদিনীপুরের প্রায় ৯০ হাজার উপভোক্তা পেলেন প্রথম কিস্তির টাকা, বরাদ্দ ৬৬৬ কোটি
এই পুজো দেওয়া নিয়ে তাড়াগেড়িয়া গ্রামে আর এক অন্যরকম রীতি আছে। ভীম ঠাকুরের ঘট স্থাপনের জন্য যে পুকুরে যাওয়া হয় সেই পুকুরে ঘট ডোবানোর সঙ্গে সঙ্গে ভীম ঠাকুরের ব্রত পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে স্নান করে ভিজে অবস্থায় মন্দিরে আসেন ব্রতীরা এবং মন্দিরের চারপাশে দণ্ডি কাটেন। ছোট ছোট পুতুল বা ভীম ঠাকুর অর্পণ করে ভীম ঠাকুরের পুজো দেন তাঁরা।
advertisement
advertisement
ভীমপুজোর ইতিহাস নিয়ে দু’ধরনের মতবাদ পাওয়া যায়। একটি হল, মহাভারতের পঞ্চপান্ডবকে ঘিরে কাহিনী এবং অন্যটি এক প্রভাবশালী রাজা ভীমকে ঘিরে। প্রথম কাহিনী অনুসারে, ভীমের মহিমায় মহিমান্বিত হয়ে মধ্যম পাণ্ডব ভীমকে দেবতার ন্যায় পুজো শুরু হয় ও অপর একটি লোক প্রচলিত কাহিনী হল, রাঢ়বঙ্গের চন্দ্রবংশীয় প্রবল পরাক্রমশালী রাজা ছিলেন ভীম। দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে যে ভীমের পুজো হয় বর্তমানে তা এই রাঢ়বঙ্গের চন্দ্রবংশীয় প্রবল পরাক্রমশালী রাজা ভীমের পুজো। এই পুজো শুরু নিয়ে একাধিক মতবাদ থাকলেও বহুকাল ধরে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাশাপাশি ব্লক তমলুক ও নন্দকুমারে দু’টি ঐতিহ্যশালী ভীমপুজো হয়ে আসছে।
advertisement
নন্দকুমার ব্লকের তাড়াগেড়িয়া গ্রামের ভীম মেলা প্রায় ৩৫৫ বছর ধরে চলছে বলে জানিয়েছেন গ্রাম কমিটির সম্পাদক গোপাল চন্দ্র গুড়িয়া ও সভাপতি স্বদেশ ঘড়া। ভীম জীউর মূর্তিটির উচ্চতা প্রায় ৪০ ফুটের বেশি। মূল ভীম মন্দিরটি প্রায় ৫ ডেসিমল জায়গার উপর ১ কোটি টাকা খরচ হয় নির্মিত হয়েছে। প্রতিবছর রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে ভক্তরা তাঁদের মানত করা টাকার মালা ভীমের গলায় দান করেন। প্রতি বছর সেই টাকার পরিমাণ ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে যায়। মেলা চালাতে প্রায় খরচ হয় ১০-১২ লক্ষ টাকা।
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই বিষয়ে গোপালচন্দ্র গুড়িয়া জানান, “ভীম মন্দিরে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হয়। এখানে এগারো দিন মেলা চলে।” কয়েক লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে ভক্তদের জন্য মেলা প্রাঙ্গণে শৌচালয় ও স্নানাগার নির্মিত হয়েছে। সেই সঙ্গেই বিভিন্ন দেশের দু’হাজার পাখির প্রদর্শনী মেলা বসেছে।
view comments
বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Bhim Puja: ৩৫০ বছরের ঐতিহ্যে ভীমের আরাধনা! নন্দকুমারের জাগ্রত ভীমপুজো ঘিরে রয়েছে একাধিক কাহিনী, প্রতি বছর ছুটে আসেন লক্ষ লক্ষ ভক্ত
Next Article
advertisement
উদ্ধার ব্ল্যাকবক্স ! বিমান ভেঙে পড়ার ঠিক আগে কী ঘটেছিল ককপিটে? পাইলটের শেষ কথা ‘Oh S***’
উদ্ধার ব্ল্যাকবক্স ! বিমান ভেঙে পড়ার ঠিক আগে কী ঘটেছিল ককপিটে? পাইলটের শেষ কথা ‘Oh S***’
  • উদ্ধার ব্ল্যাকবক্স !

  • বিমান ভেঙে পড়ার ঠিক আগে কী ঘটেছিল ককপিটে?

  • পাইলটের শেষ কথা ‘Oh S***’

VIEW MORE
advertisement
ফরচুন কুকি
ফরচুন কুকি ভাঙুন আর ঝটপট জেনে নিন, আজ আপনার জীবনে কী সারপ্রাইজ লুকিয়ে আছে!
fortune cookie
advertisement