advertisement

Higher Secondary Exam 2026: 'একটু হাঁটাচলা করলেই শ্বাসকষ্ট হয়...', হাত নেই, পা দিয়েই উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম সেমিস্টার দিচ্ছে ভাঙড়ের সাহানাজ

Last Updated:

Higher Secondary Exam 2026: প্রবল শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্বেও অদম্য জেদ আর পড়াশোনার তীব্র ইচ্ছা নিয়েই উচ্চ মাধ্যমিকে বসেছে সাহানাজ। ভাঙড়ের এই বিস্ময় বালিকা শুধু পরীক্ষা নয় পা দিয়ে ভাল ছবিও আঁকতে পারে।

সাহানাজ 
সাহানাজ 
দক্ষিণ ২৪ পরগনা: প্রবল ইচ্ছাশক্তি থাকলে সহজে যে কোনও প্রতিবন্ধকতা দূর করা যায় তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ ভাঙড়ের সাহানাজ মোল্লা। বছর সতেরর সাহনাজের জন্ম থেকে ডান হাত নেই, বা হাতও খুব ছোট্ট। দুটো পা বাকা, পায়ের পাতা আঙুল সবই অস্বাভাবিক। উঠতে, বসতে, চলতে, ফিরতে সবকিছুতেই কষ্ট সাহানাজের।
প্রবল শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্বেও অদম্য জেদ আর পড়াশোনার তীব্র ইচ্ছা নিয়েই উচ্চ মাধ্যমিকে বসেছে সাহানাজ। ভাঙড়ের এই বিস্ময় বালিকা শুধু পরীক্ষা নয় পা দিয়ে ভাল ছবিও আঁকতে পারে। বললেন, “একটু হাঁটাচলা করলেই শ্বাসকষ্ট হয়। বেশিক্ষণ পড়াশোনা করতে পারি না। তবুও চাই পরীক্ষায় ভাল ফল করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে, যদি বাবা-মায়ের কষ্ট কিছুটা লাঘব করতে পারি।”
advertisement
advertisement
দক্ষিণ ২৪ পরগণার ভাঙড় ২ ব্লকের আলাকুইলিয়া গ্রামের বাসিন্দা কুতুবুদ্দিন মোল্লা ও বিলকিস বেগমের তিন সন্তানের মধ্যে বড় সাহানাজ। বর্তমানে ভাঙড়ের কারবালা হাই স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। গত বছর কারবালা গার্লস হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় ২৬১ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয় সে। মাধ্যমিকের সময় তাঁর পক্স থাকায় রাইটার নিয়ে পরীক্ষা দেয় সে।
advertisement
ছোটবেলা থেকেই মা বিলকিস বেগম সাহনাজের অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়ায়। মা তাঁকে শেখায় কিভাবে পা দিয়ে লিখতে হয়। এখন পা দিয়েই খাতায় অক্ষর ফুটিয়ে তোলে, এমনকি নিখুঁতভাবে ছবি আঁকতেও পারে। অবসর সময়ে সেই ছবি এঁকে রিল বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে। আশা, সামাজিম মাধ্যম থেকে যদি কিছু টাকা আয় হয় তা দিয়ে নিজের পড়াশোনার খরচ কিছুটা জোগাড় করবে সে।
advertisement
বৃহস্পতিবার থেকে প্রতিটি উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলে বোর্ডের একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টার পরীক্ষা শুরু হয়েছে। কারবালা হাই স্কুলে পরীক্ষার হলে পা দিয়ে সাবলীলভাবে লিখতে দেখে সহপাঠী থেকে শিক্ষক-শিক্ষিকারা অনেকেই বিস্মিত। অনেকের কাছেই সে এখন অনুপ্রেরণার প্রতীক।
সাহনাজের বাবা কুতুবুদ্দিন মোল্লা স্থানীয় একটি ব্যাগ কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন। সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা। মেয়ের চিকিৎসা ও পড়াশোনার খরচ সামলাতে গিয়ে চরম আর্থিক চাপে পড়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, “জন্ম থেকেই মেয়ের নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছে। চিকিৎসা করেও কোন উপকার হয়নি।”
advertisement
মা বিলকিস বেগম বলেন, “ছোট থেকেই ওর পড়াশোনার প্রতি ভীষণ আগ্রহ। ওর ইচ্ছাশক্তি দেখেই পা দিয়ে লেখা শেখানোর চেষ্টা করি। ধীরে ধীরে ও রপ্ত করে ফেলে। এখন একটাই চাওয়া ও যেন পড়াশোনা চালিয়ে কিছু একটা করতে পারে। কারবালা হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবু তোহা মণ্ডল বলেন, সাহনাজ আমাদের স্কুলের গর্ব। ওর দৃঢ় মানসিকতা এবং অধ্যবসায় সত্যিই প্রশংসনীয়।”
advertisement
সুমন সাহা
view comments
বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Higher Secondary Exam 2026: 'একটু হাঁটাচলা করলেই শ্বাসকষ্ট হয়...', হাত নেই, পা দিয়েই উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম সেমিস্টার দিচ্ছে ভাঙড়ের সাহানাজ
Next Article
advertisement
Actor Piyush Mishra on Alcoholism: "মাঝ রাতে মেয়েদের অশ্লীল ফোন করতাম", জীবনে মদ্যপানের কালো অধ্যায় তুলে ধরলেন অভিনেতা পীযূষ মিশ্র
"মাঝ রাতে মেয়েদের অশ্লীল ফোন করতাম", জীবনে মদ্যপানের কালো অধ্যায় তুলে ধরলেন অভিনেতা পীযূষ মিশ্র
  • মদ্যপানের ফলে অভিনেতার ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবন গভীরভাবে প্রভাবিত হয়

  • পীযূষ মিশ্র মদের আসক্তিকে একটি “মারাত্মক রোগ” হিসেবে বর্ণনা করেছেন

  • তবে তিনি কখনও মদ্যপান করে অভিনয় করিনি, কিংবা মাতাল হয়ে শুটিং সেটেও যাননি

VIEW MORE
advertisement
ফরচুন কুকি
ফরচুন কুকি ভাঙুন আর ঝটপট জেনে নিন, আজ আপনার জীবনে কী সারপ্রাইজ লুকিয়ে আছে!
fortune cookie
advertisement