হোম /খবর /পশ্চিম বর্ধমান /
জাঁকজমক জলেশ্বর মন্দিরের শিবরাত্রি

West Bardhaman News- মহিলাদের কলস যাত্রা আর নাচগানে জাঁকজমক জলেশ্বর মন্দিরের শিবরাত্রি

X
শিবরাত্রির [object Object]

উল্লেখ্য, গ্রামের পাশে দামোদর নদের তিন নম্বর ক্যানেলের জল থেকে জলেশ্বর বাবাকে পাওয়া যায়। ২০০৫ সালে গ্রামের বটতলায় জলেশ্বর শিবলিঙ্গটি প্রতিষ্ঠা করা হয়

  • Share this:

#পশ্চিম বর্ধমান- ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণ চতুর্দশী তিথিতে শিবরাত্রি ব্রত পালন করা হয়। যুগ যুগ ধরে ধর্মীয় প্রথা মেনে মহিলারা শিবরাত্রি ব্রত পালন করে আসছেন।শিবরাত্রি এলে সন্ধ্যে থেকে ভোর পর্যন্ত রাতের চার প্রহরের পুজো হয়।। প্রত্যেক প্রহরে আলাদা আলাদা মন্ত্রর সঙ্গে অর্ঘ্য প্রদান করা হয়। শিবরাত্রির প্রথম প্রহরে শিবকে দুধ দিয়ে স্নান করানো হয়। দ্বিতীয় প্রহরে দই দিয়ে, তৃতীয় প্রহরে ঘি দিয়ে, চতুর্থ প্রহরে মধু দিয়ে স্নান করানো হয়। সারা দেশের সঙ্গে দুর্গাপুরেও ওই দিনটি মহাসমারোহে পালন করছে ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের বীরভানপুর একটি ক্লাব। এই ক্লাবের পরিচালনায় বীরভানপুর বটতলায় জলেশ্বর শিব মন্দিরে শিবরাত্রির উৎসব পালিত হচ্ছে। এবার তাদের ১৮ তম বছরের পুজো। এদিন গ্রামের মহিলাদের নিয়ে কলস যাত্রার আয়োজন করা হয়।

উল্লেখ্য, গ্রামের পাশে দামোদর নদের তিন নম্বর ক্যানেলের জল থেকে জলেশ্বর বাবাকে পাওয়া যায়। ২০০৫ সালে গ্রামের বটতলায় জলেশ্বর শিবলিঙ্গটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। তারপর থেকেই প্রতিবছর এখানে মহাসমারোহে শিবরাত্রি পালন করা হয়। শিবরাত্রি উপলক্ষে রাস্তায় চলে আলপনা আঁকার প্রতিযোগিতা। প্রায় ২৭০ মিটার রাস্তা জুড়ে আলপনা আঁকা হয়। এদিন কলস যাত্রার মাধ্যমে জল তুলে গ্রাম প্রদক্ষিণ করে শিবলিঙ্গের মাথায় জল ঢালা হয়। কলস যাত্রাকে ঘিরে গ্রামের সকল মানুষের উৎসাহ চোখে পড়ার মতো থাকে।

এই বিষয়ে পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ক্লাবের সভাপতি গোপিনাথ সরকার জানিয়েছেন, "গ্রামের সব মানুষের সহযোগিতায় এই পুজো দিন দিন আরও বড়ো আকার ধারণ করছে। দুর্গাপুর তথা পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে এত বড় মাপের পুজো কোথাও হয় বলে আমার মনে হয় না। এভাবেই যেন আমরা এগিয়ে যেতে পারি।"

Published by:Samarpita Banerjee
First published:

Tags: Mahashivratri 2022, West Bardhaman