প্রথম বিশ্বজয়ের মাটিতেই 'বিশ্বকাপের ' অপেক্ষায় উমেশ

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে মুখিয়ে আছেন উমেশ

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ মুকুট জিততে পারলে সেটা আমার কাছে বিশ্বকাপ জয়ের মতোই স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই প্রতিযোগিতা একেবারেই ভিন্ন মেজাজের। অনেক শক্তিশালী টিমকে হারিয়ে আমরা ফাইনালে উঠে এসেছি

  • Share this:

    #মুম্বই: অস্ট্রেলিয়া সফরে চোট পেয়ে ছিটকে গিয়েছিলেন। এখন অবশ্য নিজেকে সঠিক জায়গায় নিয়ে এসেছেন বিধর্বের পেসার। গত কয়েক বছর ধরেই ভারতীয় দলের পেস অ্যাটাক বিশ্ব ক্রিকেটে সমীহ আদায় করে নিয়েছে। ক্রিকেটপ্রেমীরা চাইছেন, আসন্ন বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ টেস্টের সিরিজে জাতীয় দলের জোরে বোলাররা জ্বলে উঠুক। এই দু’টি টুর্নামেন্টকেই পাখির চোখ করেছেন উমেশ যাদব। টেস্ট ক্রিকেটের মঞ্চে নিজের ক্লাস চিনিয়েছেন তিনি।

    এক সাক্ষাৎকারে উমেশ বলেন, ‘ নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ মুকুট জিততে পারলে সেটা আমার কাছে বিশ্বকাপ জয়ের মতোই স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই প্রতিযোগিতা একেবারেই ভিন্ন মেজাজের। অনেক শক্তিশালী টিমকে হারিয়ে আমরা ফাইনালে উঠে এসেছি।’ ইংল্যান্ডের পিচ পেসারদের সহায়ক। হাতে নিয়ন্ত্রিত স্যুইং থাকলে সাফল্য পাওয়া কঠিন নয় বলে অভিমত উমেশের। তিনি বলেন, ‘এই লক ডাউনে আমরা প্রত্যেকেই আলাদাভাবে অনুশীলন করেছি। ফিটনেসে জোর দিয়েছি। মানসিকভাবেও নিজেদের উন্নত করেছি। এর ফলে দলের শক্তি বাড়বেই। তবে ইংল্যান্ডের মাটিতে ভালো বল করতে হলে ধৈর্য ও শৃঙ্খলা প্রয়োজন। মাথার উপর সূর্য থাকলে স্যুইং মুভমেন্ট অনেক সময় ভালো হয় না। আবার মেঘলা আবহাওয়ায় বল খুব ভালো স্যুইং করে।’

    করোনা পরিস্থিতিতে জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকাটা ভীষণ চ্যালেঞ্জিং বলে মনে করেন উমেশ যাদব। তাঁর কথায়, ‘কোয়ারেন্টাইন পর্ব শেষ হলেই অন্তত ১০-১৫ দিনের জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকতে হবে। এটা সামলানো খুবই কঠিন। মানসিক শক্তি না থাকলে সুরক্ষা বলয়ের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া যায় না। একইভাবে শারীরিক দিক থেকে তরতাজা থাকতে হবে।’

    ৪৮টি টেস্ট ম্যাচে ১৪৮ উইকেট সংগ্রহ করা উমেশ মনে করেন, ভারতীয় দলে অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও কোচ রবি শাস্ত্রী হাতেহাত মিলিয়ে খুব ভাল কাজ করছেন। ক্রিকেটাররা এতে আরও বেশি আত্মবিশ্বাস পাচ্ছে। প্রতিটি ক্রিকেটারকে উদ্দীপ্ত করেন কোচ-অধিনায়ক। স্বাধীনতা দেন। আবার প্রয়োজনে প্রত্যেকের কাছ থেকে মতামতও চেয়ে থাকেন। এতে টিম স্পিরিট বাড়তে বাধ্য।

    কোহলি-শাস্ত্রী যুগলবন্দির সুবাদেই ভারতীয় দল এই উচ্চতায় উঠে এসেছে। ইংল্যান্ডের মাটিতে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জিততে পারলে নতুন ইতিহাস তৈরি করবে ভারত। শামি, ইশান্ত, শার্দুল, সিরাজদের মধ্যে তিনি জায়গা পাবেন কিনা নিশ্চিত নয়। তবে সুযোগ পেলে নিজেকে উজাড় করে দিতে চান উমেশ।তিনি মনে করেন এটা টেস্ট ক্রিকেটের বিশ্বকাপের সমান। যে মাটিতে কপিল দেবের হাতে উঠেছিল ভারতের প্রথম বিশ্বকাপ, সেই মাটিতেই টেস্ট বিশ্বকাপ স্পর্শ করতে চান উমেশ।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: