আদালতকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগে অনুরাগের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার ইঙ্গিত

আদালতকে  বিভ্রান্ত করার অভিযোগে অনুরাগের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার ইঙ্গিত

আদালতকে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগ। জেল পর্যন্ত হতে পারে বোর্ড প্রেসিডেন্ট অনুরাগ ঠাকুরের।

আদালতকে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগ। জেল পর্যন্ত হতে পারে বোর্ড প্রেসিডেন্ট অনুরাগ ঠাকুরের।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #নয়াদিল্লি:   আদালতকে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগ। জেল পর্যন্ত হতে পারে বোর্ড প্রেসিডেন্ট অনুরাগ ঠাকুরের। আজ লোধা সুপারিশ মামলায় ফের বোর্ডকে ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি টিএস ঠাকুরের বেঞ্চের দাবি, সুপারিশ কার্যকর নিয়ে হলফনামায় আদালতে বিভ্রান্ত করেছেন অনুরাগ ঠাকুর। একই দোষে অভিযুক্ত বোর্ডের সিওও রত্লাকর শেঠী।

     ঠাকুর বনাম ঠাকুরের যুদ্ধে, খেলে দিয়ে চলে গেলেন সেই শশাঙ্ক মনোহর। যাঁকে ভর করে এই মামলা হাতে মুঠোয় আনতে চেয়েছিল বোর্ড, তাঁর একটা হলফনামায় এখন জেলে যেতে পারেন বোর্ড প্রেসিডেন্ট অনুরাগ ঠাকুর। আঠেরোই জুলাই পরবর্তী লোধা সুপারিশ মামলায় অনুরাগ হলফনামায় দাবি করেছিলেন, সুপারিশ কার্যকরে তিনি আইসিসি’র হস্তক্ষেপ দাবি করেননি। একাধিকবার এই দাবিতেই অনড় থাকেন বোর্ড প্রেসিডেন্ট।

    কিন্তু বৃহস্পতিবারের শুনানিতে বোর্ডের আইনজীবী কপিল সিব্বলের সামনে আইসিসি চেয়ারম্যান শশাঙ্ক মনোহরের পৃথক হলফনামা পড়া হয়। যেখানে শশাঙ্ক দাবি করেছেন, বোর্ডকে এই পরিস্থিতি থেকে উদ্ধারের জন্য আইসিসি’র সাহায্য চাওয়া হয়ছিল। লোধা এবং প্রধান বিচারপতির জাঁতাকলে বোর্ডের যে নাভিশ্বাস উঠেছে, তাও আইসিসিকে জানিয়েছিলেন অনুরাগ ঠাকুর।

    এরপরেই সিব্বলকে তীব্র ভর্ৎসনা করে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। আদালতকে ভুল তথ্য এবং বিভ্রান্ত করার অভিযোগে অনুরাগের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা শুরুর ইঙ্গিত দেওয়া হয়। এদিন শুরু থেকেই পর্যবেক্ষক পদে গোপালকৃষ্ণ পিল্লাইয়ের নামে আপত্তি জানায় বিসিসিআই। বোর্ড কে চালবেন ? উপযুক্ত ব্যক্তির নাম সুপারিশ করতে দু’পক্ষকে বাইশে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।

    একইসঙ্গে প্রধান বিচারপতি টিএস ঠাকুর জানিয়েছেন, তেসরা ডিসেম্বর এই মামলার রায় দেওয়া হবে। তার আগে আদালত যদি মনে করে, সেক্ষেত্রে স্বতপ্রণোদিত ভাবে তৃতীয় কোনও ব্যক্তি বা তাঁর নেতৃত্বে একটি দল গঠন করে বোর্ড চালানোর অনুমতি দিতে পারে।

    First published: