• Home
  • »
  • News
  • »
  • sports
  • »
  • OTHER SPORTS INDIAN ATHLETES ARE SATISFIED WITH FOOD SERVED TO THEM AT THE TOKYO OLYMPICS RRC

টোকিও গেমস ভিলেজের 'দেশি খাবারে' যথেষ্ট সন্তুষ্ট ভারতীয় অ্যাথলিটরা

খাবার টেবিলে অতনু, দীপিকারা

ডাইনিং টেবিলে মেরি, সুতীর্থা, প্রণতিদের দেওয়া হয়েছে ছোলে বাটোরে, বাটার ও প্লেন নান (স্টাফড ব্রেড), টোমাটো ও শাহি পনীর (কটেজ চিজ), ভিন্ডি, মসুরির ডাল, বাসমতি ও জেসমিন চালের ভাত, ভেজ বিরিয়ানি, সেদ্ধ পালং শাক ও মিষ্টি আলু

  • Share this:

    #টোকিও: সেনাবাহিনীতে একটা বিখ্যাত প্রবাদ রয়েছে। খালি পেটে যুদ্ধ করা যায় না। বাহিনীর পেট খালি থাকলে সেই ফৌজ যুদ্ধ হারতে বাধ্য। অলিম্পিকের মত মেগা স্পোর্টস ইভেন্টেও ব্যাপারটা এক। খালি পেটে লড়াইয়ে নামা অসম্ভব। তাই অ্যাথলিটদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারটা অবশ্যই আলাদা করে নজর রাখতে হয়। অলিম্পিকসের আসরে ঠিকমতো ভারতীয় খাবার পাওয়া যাবে তো? সোশ্যাল সাইটে ক্রীড়াবিদরা এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। টোকিওতে পৌঁছে আয়োজকদের ব্যবস্থাপনা দেখে বেজায় খুশি ভারতের অ্যাথলিটরা।

    ভিলেজের ডাইনিং হলে উত্তর ভারতীয় খাবারের ছড়াছড়ি। খাবার টেবিলে বসে মেরি কম সোশ্যাল সাইটে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে, প্রণাম করে খাবারে হাত দিচ্ছেন ছ’বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বক্সার। খাবারের পুষ্টিগুণেরও প্রশংসা করেছেন মেরি কম। সোমবার ডাইনিং টেবিলে মেরি, সুতীর্থা, প্রণতিদের দেওয়া হয়েছে ছোলে বাটোরে, বাটার ও প্লেন নান (স্টাফড ব্রেড), টোমাটো ও শাহি পনীর (কটেজ চিজ), ভিন্ডি, মসুরির ডাল, বাসমতি ও জেসমিন চালের ভাত, ভেজ বিরিয়ানি, সেদ্ধ পালং শাক ও মিষ্টি আলু।

    ভারতের ডেপুটি শেফ দ্য মিশন ডাঃ প্রেম ভার্মা বলেছেন, ‘খাবারের গুণমানের জন্য কোনও প্রশংসাই যথেষ্ট নয়। এই খাবারগুলির মধ্যে এনার্জি, প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, সোডিয়াম, লবণের মিশ্রণ পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। পুষ্টিবিদের পরামর্শে এই খাবার তৈরি করা হয়েছে। খাবারের বৈচিত্র্য দেখে খুশি অ্যাথলিটরা। গেমস আয়োজক কমিটি কথা রেখেছে।

    তারা আগেই ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থাকে ভারতীয় খাবার দেওয়ার ব্যাপারে অঙ্গীকার করেছিল।’ ভারতীয় অলিম্পিক টিমের এই প্রশাসনিক কর্তা অতীতেও ওলিম্পিকসের আসরে উপস্থিত ছিলেন। তবে ওই গেমসের খাদ্যমান নিয়ে তাঁর অভিজ্ঞতা ভাল নয়। প্রেম ভার্মার কথায়, ‘দু’বারের ওলিম্পিক পদকজয়ী কুস্তিগির সুশীল কুমার বেজিং অলিম্পিকসে খাবার ও ড্রাই ফ্রুটস সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিল। ওখানে ভারতীয় খাবার ঠিকঠাক না পেয়ে সমস্যায় পড়েছিল আমাদের অ্যাথলিটরা।’

    শুধু তাই নয়, ২০১২ লন্ডন এবং ২০১৬ রিও অলিম্পিকে খাবারের মান ও পরিমাণ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন ভারতীয় অ্যাথলিটরা। দেশের টেবিল টেনিস তারকা শরৎ কমল টোকিও অলিম্পিকের খাবারের প্রশংসা করে তাঁর অভিজ্ঞতা ট্যুইটারে পোস্ট করেছেন। চারবারের অলিম্পিয়ান শরৎ কমল লিখেছেন, ‘২০১৮ জাকার্তা এশিয়ান গেমসের কথা মনে পড়ছে। সেবার তিন ঘণ্টা ম্যাচ খেলার পর আমাদের নৈশভোজে দেওয়া হয়েছিল পাউরুটি, নিউট্রেলা ও মুয়েসলি! ভাবা যায়!’

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: