India vs England Pink ball Test: গোলাপি টেস্টে মোতেরায় অনন্য সেঞ্চুরির সামনে ইশান্ত

India vs England Pink ball Test: গোলাপি টেস্টে মোতেরায় অনন্য সেঞ্চুরির সামনে ইশান্ত
Ishant Sharma Set to Join Elite Club 2nd India Pacer to Play 100 Tests,11th Overall and 12th Among Fast Bowlers

৮৩-র বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক কপিল দেব একমাত্র ভারতীয় পেসার হিসাবে শততম টেস্ট খেলেছেন৷ কপিলের পর দ্বিতীয় ফাস্টবোলার হিসাবে ১০০ নম্বর টেস্ট খেলতে চলেছেন ইশান্ত৷

  • Share this:

    #আহমেদাবাদ: দু'বছর আগে ভারতের মাটিতে প্রথম দিন-রাতের গোলাপি বলের টেস্ট হয়েছিল ঐতিহাসিক ইডেন গার্ডেন্সে৷ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কলকাতায় ২২ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখিয়ে নেন ইশান্ত শর্মা (Ishant Sharma)। টিম ইন্ডিয়ার সবচেয়ে অভিজ্ঞ পেসার ফের এক রেকর্ডের সামনে৷

    ২৪ ফেব্রুয়ারি আহমেদাবাদের নবনির্মিত মোতেরা স্টেডিয়ামে হবে ভারত-ইংল্যান্ড চলতি চার ম্যাচের টেস্ট সিরিজের তৃতীয় টেস্ট (India vs England Pink ball Test)৷ এই নিয়ে দ্বিতীয় বার দেশের মাঠে ডে-নাইট টেস্ট ম্যাচ৷ এবার দিল্লির ল্যাঙ্কি পেসারের সামনে অনন্য এক সেঞ্চুরির হাতছানি৷ যার জন্য ইশান্তকে শুধু ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামলেই হবে৷ এমনকী হাতে বল না নিলও চলবে৷

    ৮৩-র বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক কপিল দেব একমাত্র ভারতীয় পেসার হিসাবে শততম টেস্ট খেলেছেন৷ কপিলের পর দ্বিতীয় ফাস্টবোলার হিসাবে ১০০ নম্বর টেস্ট খেলতে চলেছেন ইশান্ত৷ কিংবদন্তি কপিল ১৩১টি টেস্ট খেলেছেন৷ তাঁকে টপকে যাবেন ইশান্ত৷ তা এখনই বলা যায়৷ এখানেই শেষ নয়, ইশান্ত ভারতের ১১ নম্বর ক্রিকেটার হিসাবে তিন অঙ্কের টেস্ট ম্যাচ খেলতে চলেছেন এবং বিশ্বের দ্বাদশ ফাস্টবোলার হিসাবে এই নজির গড়বেন তিনি৷


    ১৪ বছর আগে টেস্ট অভিষেক করা ইশান্ত আজও ভারতীয় দলের এক নম্বর টেস্ট বোলার৷ চোট-আঘাতে বহুবার জর্জরিত হয়েছে তাঁর কেরিয়ার৷ এরপরেও একজন ফাস্টবোলার হিসাবে ইশান্তের ১০০ নম্বর টেস্ট খেলার কৃতিত্বকে কুর্নিশ করছেন সকলে৷ চেন্নাই টেস্টেও ইশান্ত রেকর্ড করেন৷ ৩০০ টেস্ট উইকেটের এলিট ক্লাবে যোগ দেন তিনি৷ ভারতের ৬ নম্বর বোলার ও তৃতীয় পেসার হিসাবে ক্রিকেটের দীর্ঘতম ফর্ম্যাটে ইশান্তের ৩০০ উইকেট চলে এল৷ তাঁর আগে রয়েছেন অনিল কুম্বলে (Anil Kumble, ৬১৯), কপিল দেব (Kapil Dev, ৪৩৪), হরভজন সিং (Harbhajan Singh, ৪১৭), অশ্বিন (৩৮৬), জাহির খান (Zaheer Khan, ৩১১) ও ইশান্ত (৩০০)

    Published by:Subhapam Saha
    First published: