corona virus btn
corona virus btn
Loading

ইস্টবেঙ্গল থেকে উধাও কোয়েস, জেনে নিন বিশ্বকাপারের ভবিষ্যত

ইস্টবেঙ্গল থেকে উধাও কোয়েস, জেনে নিন বিশ্বকাপারের ভবিষ্যত

ইস্টবেঙ্গলের ফেসবুক, টুইটার থেকে উধাও কোয়েস। অন্ধকারে ক্লাব, দায় এড়াচ্ছে কোয়েস। জনির ফেরার সম্ভাবনায় জল।

  • Share this:

#কলকাতা: হওয়ার তো ছিলই। কিন্তু সেটা যে এত চটজলদি হবে, কে ভেবেছিল!

সপ্তাহ শুরুর দিনেই যেন বিনা মেঘে বজ্রপাত। সোমবার বিকেল থেকেই ইস্টবেঙ্গলের ফেসবুক পেজ, টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও কোয়েসের লোগো। পরিবর্তে ফেসবুক পেজ ও টুইটার অ্যাকাউন্টে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে বহু পরিচিত সেই পুরোন ডিজাইন। লাল-হলুদ কম্বিনেশনে ঝলমল করছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব, কলকাতা। কোয়েসের নামগন্ধ পর্যন্ত নেই।

কোয়েসের সঙ্গে গাটছড়া বাঁধার পর থেকেই সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইটে লাল-হলুদের যাবতীয় কিছু পরিচালিত হত কোয়েসের বেঙ্গালুরু দফরতর থেকে। ইস্টবেঙ্গল-কোয়েস সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার ক্ষেত্রে সময়সীমা ছিল ৩১ মে। কিন্তু সেই ডেটলাইন তো এখনও ঢের দেরি। তবে এতো আগেই তড়িঘড়ি ক্লাবের ফেসবুক পেজ থেকে টুইটার অ্যাকাউন্টে নিজেদের নাম সরিয়ে নেওয়ার কারণ কী? উত্তর নেই কোয়েসের কলকাতা কিংবা বেঙ্গালুরু দফতরে। কলকাতা দফতরে দায়িত্বপ্রাপ্ত সঞ্জিৎ সেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, তাঁর বক্তব্য,‘‘এটা আমার জানা নেই। বেঙ্গালুরু অফিস বলতে পারবে। বেঙ্গালুরু অফিসে কথা বলুন।’’

বেঙ্গালুরুতে কোয়েসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুব্রত নাগের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি সন্তপর্ণে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা তাঁরও। সুব্রত  বলছেন, ‘‘আমি ঠিক বলতে পারব না। আমি আজ অফিসে নেই। আপনি বরং কলকাতা অফিসে সঞ্জি‍ৎ সেনের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।’’ বিষয়টি সম্পর্কে অন্ধকারে ক্লাবকর্তারও। ক্লাবের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার জানালেন, ‘‘এটা ওদের বিষয়। ওঁরাই ভাল বলতে পারবেন। আপনি বরং ওঁদের সঙ্গেই কথা বলুন।’’

ইস্টবেঙ্গল-কোয়েস সম্পর্কে ফাটল ছিলই। কিন্তু চুক্তির মেয়াদ শেষের আগেই যেভাবে শতবর্ষে দাঁড়িয়ে থাকা ক্লাবের টুইটার ও ফেসবুক থেকে কোনরকম আগাম বার্তা ছাড়াই যেভাবে কোয়েসের লোগো ও নাম সরিয়ে দেওয়া হয়েছে তাতে ময়দান জুড়ে বিস্ময়। ক্লাবের ফুটবল দলের ক্রমাগত ব্যর্থতায় কোচ-ফুটবলারদের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়াচ্ছিলেন ক্লাবকর্তারা। দলের সঙ্গে চন্দন দাসের মত প্রাক্তনদের জুড়ে দেওয়া। তবে অন্দরমহলের খবর, কোচ-ফুটবলারদের ক্লাবতাঁবুতে ডেকে এনে বৈঠক ও মধ্যাহ্নভোজনে আপ্যায়নের ঘটনায় বিব্রত কোয়েস কর্তৃপক্ষ।

ক্লাবের খবরদারিতে বিরক্তি বোঝাতেই কী তাহলে কোয়েসের এই ধরনের পদক্ষেপ? সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে হঠকারিতা যে ব্যুমেরাং হয়ে ফিরতে পারে সেটাও আঁচ করতে পারছেন কোয়েস কর্তৃপক্ষ। অদূর ভবিষ্যতে তাই লাল-হলুদের ফেসবুক, টুইটার-সহ সর্বত্র ৩১ মে পর্যন্ত কোয়েসের ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েই যাচ্ছে। তবে একশোয় পা রাখা ক্লাবের শতবর্ষটা যে ভাল যাচ্ছে না, সেটা পরিস্কার।

এদিকে দুই তরফে প্রবল ইচ্ছে থাকলেও লাল-হলুদে ফেরার সম্ভাবনা কমছে কোস্টারিকান বিশ্বকাপার জনি অ্যাকোস্টার। জনি কোস্টারিকার ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। ২৯ জানুয়ারিও কোস্টারিকান ক্লাবের হয়ে ম্যাচ খেলেছেন জনি। বিশ্বকাপারের চুক্তিতে এগজিট ক্লজ থাকলেও ট্রান্সফার উইনডো শেষ হয়ে যাওয়ায় ইস্টবেঙ্গল শুধুমাত্র ফ্রি ফুটবলারকেই সই করাতে পারবে। নিয়ম অনুযায়ী জনি ফ্রি ফুটবলার নন। তাই কোচ মারিও রিভেরা শৃঙ্খলাজনিত কারণে ক্রেসপি মার্তিকে দলের বাইরে রাখলেও জনি অ্যাকোস্টার লাল-হলুদে ফেরার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

PARADIP GHOSH

Published by: Debalina Datta
First published: February 10, 2020, 9:12 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर