আর ময়দানে পা রাখবেন না প্রাক্তন মোহনবাগান সচিব, থেকে যাবে অঞ্জন মিত্রের কথা কোনও কিছুই স্থায়ী নয়

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Nov 09, 2019 03:03 PM IST
আর ময়দানে পা রাখবেন না প্রাক্তন মোহনবাগান সচিব, থেকে যাবে অঞ্জন মিত্রের কথা কোনও কিছুই স্থায়ী নয়
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Nov 09, 2019 03:03 PM IST

#কলকাতা: নাথিং ইস স্ট্যাটিক। কোনও কিছুই স্থায়ী নয়। তাঁর চেনা আপ্তবাক্যকে সত্যি প্রমাণ করে চলে গেলেন অঞ্জন মিত্র। আর ময়দানে পা রাখবেন না প্রাক্তন মোহনবাগান সচিব।

আইলিগ না আইএসএল? দ্বন্দ্ব তুঙ্গে ভারতীয় ফুটবলে। নেতাজি ইন্ডোরে এক হল মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল। শত্রুতা ভুলে এক টেবিলে দুই প্রধান। অশক্ত শরীরে সেই বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন মোহনবাগানের তৎকালীন সচিব অঞ্জন মিত্র। মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল না হলে কলকাতায় আইএসএল নয়। তাঁর হুমকিতে কেঁপেছিল ভারতীয় ফুটবল। ফুটবল হাউসের কর্তাদেরও মাথা ঝোঁকাতে হয়েছিল তাঁর এই হুঁশিয়ারির কাছে। দুহাজার সতেরো সালে বাগান সচিবের সেই হুঁশিয়ারি যেন বাস্তব রূপ পেতে চলেছে আগামী মরশুমে। হয় তো মোহনবাগান আইএসএল খেলবে, কিন্তু তা দেখে যেতে পারলেন না আপাদমস্তক সবুজ মেরুন অঞ্জন মিত্র।

তাঁর দাপটটাই ছিল শেষ কথা। ছ’পয়সার গ্যালারি থেকে মোহনবাগানকে ভালবাসা শুরু। শুরু ময়দানে নতুন বন্ধুত্বের। একদিকে টুটু বসু। অন্যদিকের নামটা অঞ্জন মিত্র। ফুটবল প্রশাসক হিসেবে কাজ শুরু নব্বই দশকের গোড়ায় অর্থসচিব হয়ে। টুটু বসু পরবর্তী মোহনবাগান সচিব অঞ্জন মিত্র। এরপর টানা তেইশ বছর। পিকে-চাটুনির জাতীয় লিগ থেকে সঞ্জয় সেনের ফেডারেশন কাপ জয়। ইগর-ব্যারেটো থেকে ওডাফা। বৃত্ত সম্পূর্ণ হয় সচিব অঞ্জনের জমানায়। মোহনবাগান সবার। এই ভাবনা প্রথম দেখিয়েছিলেন ট্যাংরার মিত্র বাড়ির ছেলে। চার্টার্ড অঞ্জনের মস্তিষ্কে প্রথম রূপ পায় কর্পোরেট মোহনবাগান। উত্থান-পতনেই মানুষের জীবন। দুহাজার আঠেরো সালে মোহনবাগান নির্বাচনে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে পড়েছিলেন অঞ্জন মিত্র। প্রতিপক্ষ বন্ধু টুটু বসু। সেই প্রথম হয়ত চ্যালেঞ্জ না নিয়ে সম্মান জানিয়েছিলেন বন্ধুত্বকে। নির্বাচনের ঠিক আগে প্রতিপক্ষ হিসেবে সরিয়ে নিয়েছিলেন নিজেকে। গতবছরই শেষ হয়েছিল অঞ্জন সাম্রাজ্যের। আটই নভেম্বর, দুহাজার উনিশ। বাগানে শেষ অঞ্জন যুগের। নাথিং ইস স্ট্যাটিক। সব সময় বলতে নেই কথাটা। অঞ্জন থাকবেন না। ময়দান মনে রাখবে কোনও কিছুই স্থায়ী নয়।

আরও দেখুন

First published: 02:59:19 PM Nov 09, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर