Euro 2020: ভাইরাসের জন্য বদলে গেল কত কিছু! ইউরোয় এবার নতুন নিয়মগুলো জানেন কি?

গত এক বছর ধরে সারা বিশ্বে একের পর এক টুর্নামেন্ট বন্ধ হয়েছে। অন্য সব ক্ষেত্রের মতো খেলাধুলাতেও করোনার প্রভাব পড়েছে বিস্তর।

গত এক বছর ধরে সারা বিশ্বে একের পর এক টুর্নামেন্ট বন্ধ হয়েছে। অন্য সব ক্ষেত্রের মতো খেলাধুলাতেও করোনার প্রভাব পড়েছে বিস্তর।

  • Share this:
    #লন্ডন: সারা পৃথিবীতে কত কিছুই তো বদলে গিয়েছে করোনাভাইরাসের জন্য! মানুষের সামাজিক ও আর্থিক পরিস্থিতি বদলেছে সামান্য একটা ভাইরাসের জন্য। গত এক বছর ধরে সারা বিশ্বে একের পর এক টুর্নামেন্ট বন্ধ হয়েছে। অন্য সব ক্ষেত্রের মতো খেলাধুলাতেও করোনার প্রভাব পড়েছে বিস্তর। ইউরো কাপ আয়োজন হওয়ার কথা ছিল গত বছর, অর্থাৎ ২০২০ সালে। ইউরো কাপের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে ভেবেছিল উয়েফা। কিন্তু টুর্নামেন্টে পিছিয়ে গেল এক বছর। আর তেমন কোনও অনুষ্ঠানও হচ্ছে না এবার। টুর্নামেন্টের ৬০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম বার ১১ টি দেশে ইউরোর ম্যাচ আয়োজন করেছে উয়েফা। এতদিন পর্যন্ত সব থেকে বেশি দুটি দেশে ইউরো কাপের ম্যাচ আয়োজন করেছিল উয়েফা। কিন্তু এবার পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। বাধ্য হয়ে ইউরো কাপের একগুচ্ছ নিয়মেও বদল এনেছে ইউরোপিয়ান ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। আর নিয়মের বদল করতে হয়েছে করোনার জন্য। আসুন দেখে নেওয়া যাক করোনার জন্য ইউরো কাপের নিয়মে কী কী রদবদল করতে হয়েছে- ২০২১ সালের মার্চ মাসে উয়েফার এক্সিকিউটিভ কমিটি ম্যাচ চলাকালীন পাঁচটি সাবস্টিটিউট ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছিল। এর আগে ম্যাচে তিনটি করে সাবস্টিটিউট ব্যবহার করতে পারত যে কোনও দল। কিন্তু করোনার জন্য সেই নিয়মে বদল করা হয়েছে। আসলে ফুটবলারদের ওপর যাতে চাপ কম পরে, সেই জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে উয়েফা। এক্সট্রা টাইম অর্থাৎ ফুলটাইম বা ৯০ মিনিটের খেলার পরও পাঁচ নম্বর সাবস্টিটিউটকে ব্যবহার করতে পারবে যে কোনও দল। তবে ফুলটাইম পর্যন্ত সাবস্টিটিউশন ব্যবহার করার জন্য তিন বার সুযোগ পাবে যে কোনও দল। এক্সট্রা টাইমে চতুর্থ ও পঞ্চম সাবস্টিটিউট ব্যবহারের সুযোগ মিলবে। উয়েফার নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যে কোনও দল এবার ২৬ জন ফুটবলারকে নিয়ে স্কোয়াড গঠন করতে পারবে। তবে যে কোনও দলের কোচ ম্যাচ সিটে ২৩ জন ক্রিকেটারের উল্লেখ করতে পারবেন। তাঁদের মধ্যে ১১ জন প্রথম একাদশে থাকবে। বাকিদের সাবস্টিটিউট হিসেবে দেখানো যাবে। পরিস্থিত যা তাতে কোনও দলের ফুটবলারদের এমার্জেন্সি পরিস্থিতিতে কোয়ারেন্টাইন করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে সেই দলের কাছে ১৩ জন ফুটবলার থাকলেও ম্যাচ খেলা হবে। সেই ম্যাচ বাতিল বলে ঘোষণা করা হবে না। করোনার জন্য কোনও ম্যাচ না হলে উয়েফা অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সবরকম বিকল্প ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবে। পরবর্তী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ম্যাচ আয়োজনের সবরকম চেষ্টা করবে উয়েফা। তার পরও ম্যাচে রিসিডিউল করা না গেলে যে দলের জন্য এমনটা হবে তাদের ৩-০ গোলে পরাজিত বলে ধরে নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, ১১ জুন থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত চলবে ইউরো। ২০২০ ইউরোর গ্রুপ এ-তে রয়েছে তুর্কি, ইতালি, ওয়েলস, সুইজারল্যান্ড গ্রুপ ডি তে রয়েছে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, বেলজিয়াম, রাশিয়া গ্রুপ সি তে রয়েছে নেদারল্যান্ডস, ইউক্রেন, অস্ট্রিয়া, নর্দান মেসিডোনিয়া গ্রুপ ডি তে রয়েছে ইংল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, স্কটল্যান্ড, চেক রিপাবলিক গ্রুপ ই তে রয়েছে স্পেন, সুইডেন, পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া গ্রুপ এফ-এ রয়েছে হাঙ্গেরি, পর্তুগাল, ফ্রান্স, জার্মানি
    Published by:Suman Majumder
    First published: