রান্নাঘর থেকে কনফারেন্স রুম, মেসির ব্যক্তিগত বিমান যেন রাজপ্রাসাদ

মেসির উড়ন্ত রাজপ্রাসাদ দেখেই যায় চেনা

উড়োজাহাজের মধ্যে কী যে নেই! দু-দুটো বাথরুম, একটা রান্নাঘর আর নয়-নয় করে ১৬টা পুরু গদি-আঁটা চেয়ার। যেগুলোকে দিব্যি মুড়ে ফেলাও যায়। আর মুড়ে দিতে পারলেই সেগুলোকে ব্যবহার করা যাবে আটটি বিছানা হিসেবে

  • Share this:

    #রোজারিও: মেজাজটাই তো আসল রাজা, আমি রাজা নয়। বহুল প্রচলিত বাংলা প্রবাদটি খেটে যায় লিওনেল মেসির সঙ্গে। আর্জেন্টাইন মহাতারকা নিজের ব্যক্তিগত বিমানে যাতায়াত করছেন বেশ কয়েক বছর ধরে। কখনও সতীর্থ ফুটবলারদেরও সৌভাগ্য হয়েছে মহাতারকার বিমানে ওঠার। আস্ত একটা উড়োজাহাজ ! তাও সেটা বেজায় বিলাসবহুল। কার? এই মুহুর্তে তর্কাতীতভাবে দুনিয়ার সেরা ফুটবলারের। নামটা এরপরও নতুন করে বলতে হবে ? লিওনেল মেসি।

    ঠাট্টা-ইয়ার্কি নয়, কয়েক বছর হল সত্যি সত্যিই আর্জেন্টিনীয় মহাতারকা “লিজ’’ নিয়েছেন ঝাঁ-চকচকে একটা প্লেন। কারণটা অন্য কিছুই নয়, এলএম টেন আসলে নিজের পরিবার ও প্রিয় বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে গোটা দুনিয়া চষে ফেলতে চান। আর সেজন্যই দরকার পড়ছে এই উড়োজাহাজের। এই উড়োজাহাজের মধ্যে কী যে নেই! দু-দুটো বাথরুম, একটা রান্নাঘর আর নয়-নয় করে ১৬টা পুরু গদি-আঁটা চেয়ার। যেগুলোকে দিব্যি মুড়ে ফেলাও যায়। আর মুড়ে দিতে পারলেই সেগুলোকে ব্যবহার করা যাবে আটটি বিছানা হিসেবে!

    প্রতিটা সিটের সামনে লাগানো এলইডি স্ক্রিন। আকাশ পথে যেতে যেতে পছন্দের সিনেমা বা কার্টুন দেখা যেতেই পারে। উড়োজাহাজের বাইরের দিককার নকশা এমনভাবে করা যাতে সহজেই বোঝা যাবে যে এই উড়োজাহাজের মালিক অন্য কেউ হতেই পারেন না! সাদা-রঙা আকাশযানের ল্যাজে বেশ বড় করে লেখা ১০ সংখ্যাটি। লিওনেল মেসি এবং দশ নম্বর জার্সির মহিমা তো এই গ্রহের ভালমতই জানা। এই উড়োজাহাজ বিশ্বের যে কোনও বিমানবন্দরে অবতরণ করলে যে কেউই বুঝে নেবেন মাটিতে এবার কার পা পড়তে চলেছে!

    নিজের তিন ছেলে এবং স্ত্রীর নাম ও নিজের নামের সঙ্গেই বিমানের প্রতিটা সিঁড়িতে লেখানো হয়েছে। এই বিমানে করেই তিনি বার্সেলোনা থেকে আর্জেন্টিনা আসেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ছুটি কাটাতে যান। এখন যেমন বার্সেলোনা থেকে নিজের দেশ আর্জেন্টিনায় এসেছেন কোপা আমেরিকা টুর্নামেন্ট খেলতে। দেশের হয়ে এই ট্রফি জিততে মরিয়া মেসি। ১৩ জুন থেকে শুরু টুর্নামেন্ট। নিজের দেশের মাটিতে মেসি ট্রফি খরা কাটাতে পারেন কিনা সেটাই দেখার।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: