Euro 2020 : তুরস্কের চ্যালেঞ্জ টপকে জয় দিয়ে শুরুর লক্ষ্যে ইতালি

লড়াকু তুরস্কের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করছে ইতালি

২০১৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করে ২৭ টা ম্যাচে অপরাজেয় ইতালি। দিন তিনেক আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে ৪-০ জিতেছে নীল জার্সিধারীরা। দলটার ভেতর অভিজ্ঞতা এবং তারুণ্যের মিশ্রণ রয়েছে

  • Share this:

    #রোম: ভারতীয় সময় শুক্রবার মধ্যরাতে ইউরো কাপের প্রথম ম্যাচে ইতালি বনাম তুরস্ক লড়াই। এই ম্যাচ দিয়েই শুরু হচ্ছে টুর্নামেন্ট। বছর তিনেক আগে রাশিয়া বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি ইতালি। বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দলের কাছে যা ছিল চূড়ান্ত লজ্জার ইতিহাস। চার বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি। ফুটবল ইতিহাস নিয়ে কথা হবে না। তাই সবকিছু ভুলে এবারের ইউরো কাপে নতুন করে লড়াই দিতে প্রস্তুত আজুরি ব্রিগেড।

    কোচের দায়িত্বে রয়েছেন রবার্তো ম্যানচিনি। প্রাক্তন ম্যানচেস্টার সিটির ম্যানেজার দলটাকে কিন্তু গুছিয়ে নিয়েছেন। সেই ২০১৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করে ২৭ টা ম্যাচে অপরাজেয় ইতালি। দিন তিনেক আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে ৪-০ জিতেছে নীল জার্সিধারীরা। দলটার ভেতর অভিজ্ঞতা এবং তারুণ্যের মিশ্রণ রয়েছে। ডিফেন্সে অভিজ্ঞ জুটি বনুচি এবং চিয়েলিনি দলের অন্যতম ভরসা। ফ্লোরেঞ্জি এবং স্পিনাজলা ডিফেন্ডার হিসেবে বেশ অভিজ্ঞ। হতে পারে ডিফেন্স লাইনের বয়স বেশি। কিন্তু অভিজ্ঞতার বিচারে ইউরোপের সেরা।

    মিডফিল্ডে বারেলা, জর্জিনহ, লকাটেলি। চোট থাকার কারণে প্রথম ম্যাচে খেলতে পারবেন না ভারেটি। দুই স্ট্রাইকার ইমমবিল এবং ইন্সিগ্নে যথেষ্ট দক্ষ। এই ইতালি দলটা আগের ইতালি দলের থেকে আলাদা। আগে যেমন ডিফেন্স শক্ত রেখে শুধুমাত্র কাউন্টার অ্যাটাক নির্ভর ফুটবল খেলত ইতালি, এখন কিন্তু অনেক বেশি আক্রমনাত্মক খেলার চেষ্টা করে বর্তমান দলটা।

    অন্যদিকে ২০০২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল তুরস্ক। মজার ব্যাপার হচ্ছে যে কোচের হাত ধরে ওই ঘটনা ঘটিয়েছিল তাঁরা , সেই ম্যানেজার সেনল গুণেসকে আবার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অসাধারণ কাজ করছেন তিনি। সাম্প্রতিক অতীতে তুরস্ক ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ২-০ জেতে। দ্বিতীয় সাক্ষাতে ড্র হয়। নেদারল্যান্ডসকে তাঁরা হারায়। ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ৩-৩ ড্র হয় ম্যাচ। ফলে যথেষ্ট লড়াকু এবং প্রতিভাবান বিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলতে হবে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের তাতে সন্দেহ নেই।

    তুরস্ক রক্ষণে এভারটন ক্লাবের ডিফেন্ডার কাগলার সোইয়নকু এবং জুভেন্টাসের ডেমিরাল দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন। অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার ইলমাজ বক্সের মধ্যে ভয়ঙ্কর। এছাড়াও খেলা তৈরি করতে পারেন কালহনগ্লু। শারীরিক ফুটবল খেলে তুরস্ক। গতি অন্যতম অস্ত্র। তবে পরিসংখ্যান ইতালির পক্ষে। আজ পর্যন্ত ১১ বারের মুখোমুখি লড়াইয়ে আজুরিদের হারাতে পারেনি তুরস্ক। ৮ টা জয় ইতালির। তিনবার ড্র হয়েছে ম্যাচ। তাই পরিসংখ্যানের দিক থেকে এগিয়ে ইতালি। কিন্তু তুরস্ক এমন একটা দল, যাঁদের নিয়ে আগাম কিছু বলা সম্ভব নয়।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: