Euro 2020 Updates: কারও মুখে মাস্ক নেই! এমন ভয়ডরহীন শহরেই ইউরো কাপের ম্যাচ

  • Share this:

    #সেইন্ট পিটার্সবার্গ:

    আমাদের সবার করোনা হয়েছে। তাই এখন আর কেউ মাস্ক পরি না। ৩৫ বছর বয়সী সার্জেই পেত্রাফ কথাগুলো বলেই হো হো করে হেসে উঠলেন। করোনার ভয়ে কাঁটা হয়ে রয়েছে গোটা বিশ্ব। সংক্রমণের ভয়ে জনজীবন স্তব্ধ এক বছরের বেশি সময় ধরে। আর্থিক ও সামাজিক, সব দিকে মানুষের ক্ষতির পরিমাণ প্রচুর। তবুও যেন ভয়ডরহীন রাশিয়ার শহর সেইন্ট পিটার্সবার্গ। এই শহরেই ইউরো কাপের সাতটি ম্যাচ হবে। কোয়ার্টার-ফাইনাল সমেত। গত কয়েক মাস ধরে করোনার উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সেইন্ট পিটার্সবার্গ। তবে মাঝে সংক্রমণের হার কিছুটা কমেছিল। কিন্তু সেই সময়টাতে প্রবল শৈত্যপ্রবাহ চলে ওই শহরে। ফলে এমনিতেই লোকজন কম বেরোতেন বাড়ি থেকে। এখন সেখানে গ্রীষ্মকাল। সন্ধ্যে নামছে দেরি করে। ফলে প্রচুর মানুষ রাস্তায় নেমেছেন। অবশ্য বেশিরভাগেরই মুখে মাস্ক নেই। যা কিনা ইউরো কাপের আয়োজকদের ভাবিয়ে তুলছে।

    গত কয়েক সপ্তাহে করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধির নিরিখে মস্কোর পরেই রয়েছে সেইন্ট পিটার্সবার্গ। শহরের গভর্নর আলেকজান্দার বেগরোফ জানাচ্ছেন, আসলে হঠাৎ করেই এখানে আবহাওয়ার ব্যাপক তারতম্য হয়েছে। ফলে ভাইরাসের দাপাদাপি বেড়েছে আবার। আমরা এখানে দুটি অস্থায়ী হাসপাতাল তৈরি করেছিল। সেখানেই করোনা আক্রান্তদের চিকিত্সা চলছে। তবে গবেষকরা মনে করছেন, এই শহরের অর্ধেকের বেশি মানুষের মধ্যে অ্য়ান্টিবডি তৈরি হয়েছে। তাই কেউই আর মাস্ক পরতে চাইছে না। অনেকেই মনে করছেন, আমরা করোনা মহামারী কাটিয়ে উঠেছি। তবে গত কয়েক সপ্তাহে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। যা কি না চিন্তার। গত কয়েক মাসে এখানে রোজ গড়ে ৭০০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। সংখ্যাটা কমেছিল। তবে গত তিন সপ্তাহ ধরে আবার রোজ গড়ে ৮০০ জন আক্রান্ত হচ্ছে।

    সেইন্ট পিটার্সবাগে ইউরোর ম্যাচ দেখতে আসা দর্শকদের মুখে মাস্ক থাকতে হবে। গ্যালারি ভরা থাকবে ৫০ শতাংশ। সেসব জানিয়ে দিয়েছে ইউরোর আয়োজকরা। তবে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সেখানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ইউরোর উদ্য়োক্তাদের চিন্তা বেড়েছে। তবুও তাঁরা মুখে বলছেন, ফুটবলার ও সাপোর্ট স্টাফদের স্বাস্থ্য় সুরক্ষায় সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, ইউরোর ম্যাচের জন্য আশোপাশের অঞ্চল থেকেও বহু ফুটবলভক্ত ইতিমধ্যে সেইন্ট পিটার্সবার্গে এসে ভিড় করেছেন। ফলে সেখানে এখন হোটেলে ঘর পাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ।

    Published by:Suman Majumder
    First published: