Euro 2020: গোল পেলেন রোনাল্ডো, ইউরোর আগে বিধ্বংসী পর্তুগাল

রোনাল্ডো, ব্রুনোর দাপটে শক্তির আস্ফালন পর্তুগীজদের

এই প্রীতি ম্যাচটি ছিল ইউরোর আগে বর্তমান শিরোপাধারীদের নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার শেষ সুযোগ। তাতে ইজরায়েলকে উড়িয়েই দিয়েছে রোনাল্ডোর দল

  • Share this:

    পর্তুগাল -৪                                                                 ইজরায়েল -০ ( ব্রুনো -২, রোনাল্ডো, ক্যানসেলো)

    #লিসবন: ফ্রান্সকে হারিয়ে শেষবার ইউরো চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল পর্তুগাল। ফ্রান্সের মাটিতেই ফরাসিদের হারিয়েছিল সেলেকাও ব্রিগেড। জয়সূচক গোল করা ফুটবলার এডার অবশ্য জায়গা পাননি বর্তমান দলে। কিন্তু তাতে কী ? ইউরোয় বাজিমাত করতে প্রস্তুত পর্তুগাল। সেই বার্তা তাঁরা দিয়ে রাখল ইজরায়েলের বিপক্ষে। ইজরায়েলের বিপক্ষে কাল রাতে প্রীতি ম্যাচে পর্তুগালের বাঁ প্রান্তের রক্ষণ সামলেছেন লেফট ব্যাক নুনো মেন্দেজ। ১৮ বছর বয়সী এই ফুটবলার যখন ১ বছরের শিশু, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো তখন নিজের প্রথম গোলটি পেয়েছিলেন পর্তুগালের হয়ে। সেই মেন্দেজই এখন পর্তুগাল দলে সতীর্থ রোনাল্ডোর।

    মেন্দেজের বেড়ে ওঠার এ সময়টাতে আটলান্টিক দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। রোনাল্ডো নিজেকে নিয়ে গেছেন সর্বকালের সেরা তারকাদের তালিকায়। পর্তুগালের জার্সিতে তিনি এখন প্রহর গুনছেন আন্তর্জাতিক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি গোলের কীর্তি গড়ার। এই প্রীতি ম্যাচটি ছিল ইউরোর আগে বর্তমান শিরোপাধারীদের নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার শেষ সুযোগ। তাতে ইজরায়েলকে উড়িয়েই দিয়েছে রোনাল্ডোর দল। ৪-০ গোলের এই জয়ে জোড়া গোল করেছেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ। একটি করে গোল জোয়াও ক্যানসেলো আর রোনাল্ডোর নিজের।

    এই ম্যাচে গোল করে আন্তর্জাতিক ফুটবলে দেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি গোল করার রেকর্ড গড়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন জুভেন্টাস তারকা। এ নিয়ে তাঁর গোল ১০৪টি। ইরানের আলি দাইয়ির গড়া আন্তর্জাতিক ম্যাচে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভাঙতে আর ৬ গোল চাই তাঁর। জোসে আলভালাদে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এ ম্যাচের পুরো সময় খেলা নিয়ন্ত্রণ করেছে পর্তুগাল। প্রথমার্ধের ৪২ মিনিটে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড মিডফিল্ডার ফার্নান্দেজের গোলের ২ মিনিট পর গোলের দেখা পান রোনাল্ডো। তাঁর গোলের উৎস ছিলেন ফার্নান্দেজ। বিরতির পর ৮৬ মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে ঢুকে বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে গোল করেন ক্যানসেলো। দুর্দান্ত গোল। যোগ করা সময়ে বক্সের বাইরে থেকে রকেট গতির শটে ম্যাচের শেষ গোলটি এনে দেন ফার্নান্দেজ।

    পর্তুগাল কোচ সান্তোস ম্যাচ শেষে নিজের সন্তুষ্টির কথাই জানিয়েছেন, ‘জয়ের জন্য কী করা দরকার তা জানা আছে আমার। এই দলটার ওপর আমার আত্মবিশ্বাসও অনেক। স্পেন ম্যাচ থেকেই আমরা সবকিছু ঠিকঠাক করছি।’ মাদ্রিদে আগের ম্যাচে স্পেনের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে পর্তুগাল। মঙ্গলবার বুদাপেস্টে হাঙ্গেরির মুখোমুখি হয়ে ইউরো অভিযান শুরু করবে পর্তুগাল।

    এফ গ্রুপে তাদের বাকি দুই প্রতিদ্বন্দ্বী জার্মানি ও ফ্রান্স। নিজেদের গ্রুপে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি এবং দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স থাকলেও ভয় পাচ্ছে না পর্তুগাল। মাঠের লড়াইয়ে বাজিমাত করতে তৈরি গতবারের ইউরোপ চ্যাম্পিয়নরা।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: