রঞ্জি ফাইনালে "জোড়া বিতর্ক"! পিচ নিয়ে মাঠের বাইরে লড়াই, আম্পায়ারিং নিয়ে রেগে আগুন বাংলা

রঞ্জি ফাইনালে

অরুণলালের পিচ নিয়ে মন্তব্যের পাল্টা বিবৃতি সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের।

  • Share this:

#রাজকোট: রঞ্জি ফাইনালে পিচ বিতর্ক তুঙ্গে। অরুণলালের পিচ নিয়ে মন্তব্যের পাল্টা বিবৃতি সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের। ম্যাচের তৃতীয় দিন প্রেস বিবৃতি দেওয়া হয় সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের তরফে। স্থানীয় কিউরেটর মহেন্দ্র রাজদেব বাংলার কোচ অরুণলালের "জঘন্য পিচের" বক্তব্যের বিরোধিতা করে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেন। এরপরেই ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে পিচ বিতর্ক। প্রশ্ন উঠছে একজন স্থানীয় কিউরেটর কী করে কোনও পিচ নিয়ে মন্তব্য করতে পারেন। কারণ পিচ তৈরীর দায়িত্বে ছিলেন বোর্ডের নিরপেক্ষ কিউরেটর এল প্রশান্ত। রঞ্জি ম্যাচের প্রথম দিন বাংলার কোচ জানিয়েছিলেন,"রঞ্জি ট্রফির ফাইনাল এরকম জঘন্য উইকেটে হওয়া উচিত নয়। এই উইকেটে ফাইনাল হওয়ার চেয়ে না হওয়া অনেক ভালো। উইকেটে বোলারদের জন্য কিছু সহযোগিতা রাখা উচিত। না হলে ভালো ম্যাচ হয় না।" বুধবার আচমকা স্থানীয় কিউরেটরের বক্তব্য জানানো হয়। তার বিবৃতিতে পুরোটাই অরুণলালের বক্তব্যের বিরোধিতা রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী কোনও দলের হোম গ্রাউন্ডে খেলা হলেও পিচ প্রস্তুতির দায়িত্বে থাকেন বোর্ড-এর নিরপেক্ষ কিউরেটর। নিয়ম অনুযায়ী প্রথম দিন খেলা শেষ হওয়ার পর তিনি সেই ভেন্যু ছেড়ে যাবেন। সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট কর্তাদের দাবি, তাদের স্থানীয় কিউরেটর বিবৃতি দিয়ে কোনও ভুল করেননি। অরুণলাল পিচ নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। তাই স্থানীয় কিউরেটর বক্তব্য রেখেছেন, কারণ সারা বছর এই পিচের দায়িত্বে তিনি থাকেন। বুধবার খেলা শেষে অরুনলাল জানান, "প্রথমেও বলেছি জঘন্য পিচ, আজও বলবো জঘন্য পিচ।" এদিন খেলা শেষে পিচের ছবি তুলে রাখেন অরুণলাল। তবে বোর্ডে এই ছবি নিয়ে এখনই অভিযোগ জানানো হবে না বলেই বাংলা টিম ম্যানেজমেন্ট সূত্রে খবর। শুধু পিচ বিতর্ক নয়, তার সঙ্গে আম্পায়ারিং নিয়ে ক্ষুব্ধ বাংলা টিম ম্যানেজমেন্ট। অভিমুন্যর আউট নিয়ে সমালোচনার ঝড়। পরিবর্তিত আম্পায়ার হিসেবে ম্যাচের তড়িঘড়ি যোগ দেওয়া যশোবন্ত এর বিরুদ্ধে অভিযোগ বাংলার। আপাতত দৃষ্টিতে দেখে মনে হয়েছে বলটি লেগ স্টাম্প মিস করেছে। তবে আম্পায়ার এলবিডব্লিউ দেন। ডিআরএসের নিয়ম নিয়েও ক্ষুব্ধ বাংলা শিবির। বঙ্গ ম্যানেজমেন্টের দাবি, অর্পিত বাসাভাড়া ১২ রানের মাথায় এলবিডব্লিউ ছিলেন সেটা আউট দেওয়া হয়নি। ম্যাচ রেফারি মনু নায়ারকে আম্পায়ারিং নিয়ে মৌখিক অভিযোগ জানানো হয়েছে দলের পক্ষ থেকে। তবে এই নিয়ে বেশি বিতর্ক চাইছেনা বাংলা দল। ম্যাচ শেষ হবার আগে সিএবি এই নিয়ে অভিযোগ জানাতে চাইছে না। প্রথম ইনিংসে লিড পেতে বাংলার এখন দরকার ২৯২ রান। হাতে রয়েছে ৭ উইকেট।

ERON ROY BURMAN

First published: March 11, 2020, 11:04 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर