জেটলিকে শ্রদ্ধার্ঘ্য অমিত শাহের, স্টেডিয়ামে করলেন মূর্তি উন্মোচন

জেটলিকে শ্রদ্ধার্ঘ্য অমিত শাহের, স্টেডিয়ামে করলেন মূর্তি উন্মোচন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সোমবার শ্রদ্ধার্ঘ্য জানালেন অরুণ জেটলিকে

অমিত শাহ সোমবার শ্রদ্ধার্ঘ্য জানালেন অরুণ জেটলিকে৷ এদিন প্রয়াত বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ছ'ফুটের মূর্তি উন্মোচন উপলক্ষ্যে শাহ উপস্থিত ছিলেন দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে (আগে নাম ছিল ফিরোজ শাহ কোটলা স্টেডিয়াম)৷

  • Share this:

    নয়াদিল্লি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সোমবার শ্রদ্ধার্ঘ্য জানালেন অরুণ জেটলিকে৷ এদিন প্রয়াত বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ছ'ফুটের মূর্তি উন্মোচন উপলক্ষ্যে শাহ উপস্থিত ছিলেন দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে (আগে নাম ছিল ফিরোজ শাহ কোটলা স্টেডিয়াম)৷

    জেটলির ৬৮ তম জন্মবার্ষিকীতে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও 'বন্ধু' জেটলির স্মৃতিচারণা করে ট্যুইট করেছেন এদিন৷ গত বছর অগাস্টে প্রয়াত হন জেটলি৷ তারপরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে, ফিরোজ শাহ কোটলা স্টেডিয়ামের নামকরণ জেটলির নামেই হবে৷ পাশাপাশি এখানে তাঁর মূতিও বসবে৷ এদিন মূর্তি উন্মোচন হল৷ অনুষ্ঠানে এক মঞ্চেই দেখা গেল বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যাকে৷ ছিলেন অমিত পুত্র ও বোর্ড সচিব জয় শাহ৷ বিজেপি নেতা অনুরাগ ঠাকুর-সহ অনেকেই ছিলেন।

    ১৯৯৯ থেকে ২০১৩৷ দীর্ঘ ১৪ বছর দিল্লি ডিসট্রিক্ট অ্যান্ড ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (ডিডিসিএ) প্রেসিডেন্ট পদ সামলানো জেটলি অত্যন্ত দক্ষ ক্রীড়া প্রশাসকও ছিলেন৷ শাহ এদিন বলছেন," অরুণ জেটলি ভারতীয় রাজনীতিতে এক দীর্ঘস্থায়ী অবদান রেখেছেন৷ অত্যন্ত নিষ্ঠা ও আবেগের সঙ্গেই জাতির সেবা করেছেন। আমার হৃদয় থেকে ওনাকে শ্রদ্ধার্ঘ্য৷ যে স্টেডিয়ামে আমি দাঁড়িয়ে আছি সেই স্টেডিয়াম অজস্র ক্রিকেট ইতিহাসের সাক্ষী৷ আমার কাছে এটা অত্যন্ত গর্বের৷"

    এদিন শাহ বুঝিয়ে দিলেন যে, ক্রিকেট প্রশাসক হিসেবে ঠিক কোন জায়গায় ছিলেন জেটলি৷ শাহ বললেন, "কেউ ক্রিকেট খেলে আর কেউ সেই খেলার পরিবেশটা তৈরি করে দেয়৷ যখন আইপিএল নিয়ে ভাবনা চিন্তা চলছিল, তখন আমার মতো মানুষ দূর থেকেই ক্রিকেটটা দেখত৷ ফলে মাথার মধ্যে বহু প্রশ্ন ঘোরাফেরা করত৷ নিয়মিত ম্যাচ থেকে শুরু করে আইনি কাজকর্ম৷ আমি জেটলির সঙ্গে কথা বলতাম৷ সব প্রশ্নের উত্তর ছিল ওঁর কাছে৷ নিজে নেপথ্যে থেকেই যাবতীয় শঙ্কা আর প্রশ্নের সমাধান ছিল জেটলির কাছে৷ একটা সময় কেউ ক্রিকেটকে কেরিয়ার হিসেবে ভাবতে পারত না৷ এখন কিন্তু পারে৷ অরুণজি আমার বড় ভাইয়ের মতো ছিলেন, আমার আঙুল ধরে সমস্যা থেকে বার করে নিয়ে আসতেন৷ এটা বলতেই হবে আমায়৷ আমার ক্ষেত্রে নিজের পাবলিক ইমেজ নিয়ে কখনও ভাবেননি৷ নির্ভীক ভাবে সব করতেন৷"

    Published by:Subhapam Saha
    First published:

    লেটেস্ট খবর